​এক নির্মম বিদায়

​পর্ব: ০৮+০৯+১০+শেষ পর্ব


​নুসরাতের মুখে ভাতের আয়োজন করছি। ছোট্ট মেয়েটা এখন হামাগুড়ি দিতে শিখেছে। সারা ঘর তার খিলখিল হাসিতে মুখর হয়ে থাকে। আমার অনলাইন কাজগুলোও বেশ ভালো চলছে। নিজের উপার্জিত টাকায় নুসরাতের জন্য যখন ছোট একটা জামা কিনি, তখন যে তৃপ্তি পাই, তা আগে কখনো অনুভব করিনি।

​কিন্তু একদিন হঠাৎ বাড়িওয়লা এসে বললেন, "মা, কিছু মনে করো না, তোমাদের এই মাসেই বাসাটা ছেড়ে দিতে হবে।"

​আমি আর বাবা অবাক হয়ে তাকালাম। বাবা বললেন, "কেন ভাই? আমরা তো নিয়মিত ভাড়া দিচ্ছি, কোনো অভিযোগও নেই।"

​বাড়িওয়ালা আমতা আমতা করে বললেন, "আসলে... ওপর থেকে চাপ আছে। আপনাদের এখানে থাকলে আমার বাড়ির বদনাম হচ্ছে। পুলিশ-কোর্ট এসব আমি পছন্দ করি না।"

​বুঝতে বাকি রইল না এটা কার কাজ। আরিফ সরাসরি কিছু করতে না পেরে এখন আমাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। সে জানে একজন একলা মা আর বয়স্ক বাবার জন্য হুট করে বাসা বদলানো কতটা কঠিন।

​আমি দমে গেলাম না। বাবাকে বললাম, "বাবা, ও আমাদের যেখানেই পাঠাতে চাক, ও জানে না যে আমার শেকড় এখন অনেক গভীরে।"

​আমি আমার ফেসবুক পেজ ‘Choto Dairy 01’-এ একটি লাইভ সেশন করলাম। সেখানে কোনো লুকোছাপা না করে বললাম আমাদের বর্তমান পরিস্থিতির কথা। আমি বললাম, "একজন নারী যখন নিজের সম্মান নিয়ে বাঁচতে চায়, তখন সমাজ আর তার চারপাশের মানুষ কীভাবে তাকে কোণঠাসা করে। আজ আমি ঘরহারা হতে চলেছি কারণ আমি অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছি।"

​লাইভটা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অভাবনীয় কিছু ঘটল। শত শত মানুষ মেসেজ দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল। কেউ ভাড়ার জন্য নিজের ফ্ল্যাট দিতে চাইল, কেউ আইনি সহায়তার আশ্বাস দিল। মানুষের এই ভালোবাসা দেখে আমার চোখে জল চলে এল।

​কিন্তু এর মধ্যেই আরিফের আসল চালটা সামনে এল। একদিন রাতে নুসরাতের হঠাৎ প্রচণ্ড জ্বর উঠল। আমি আর বাবা যখন ওকে নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার জন্য নিচে নামলাম, দেখলাম আমাদের গাড়ির চারটে চাকা পাংচার করে রাখা। আশেপাশে কোনো রিকশা বা উবারও পাচ্ছিলাম না।

​ঠিক তখন একটা কালো রঙের গাড়ি আমাদের সামনে এসে থামল। জানলা দিয়ে মুখ বের করল আরিফ। তার মুখে সেই কুৎসিত হাসি। সে বলল, "কী আকাশী? খুব তো লাইভে বড় বড় কথা বলো। এখন বাচ্চাকে নিয়ে হাসপাতালে যাবে কী করে? এখনো সময় আছে, পা ধরে ক্ষমা চাও আর ফিরে এসো। তবেই আমার গাড়িতে উঠতে দেব।"

​নুসরাত যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল। বাবার চোখে অসহায়ত্ব। আরিফ ভাবছিল আমি এবার তার পায়ে লুটিয়ে পড়ব।

​আমি ওর দিকে তাকিয়ে ঘৃণাভরে একবার হাসলাম। তারপর ফোন বের করে সেই উবার চালক নারী—যিনি এখন আমার দিদির মতো হয়ে গেছেন—তাঁকে একটা ফোন দিলাম। দশ মিনিটের মধ্যে তিনি তাঁর গাড়ি নিয়ে হাজির হলেন।

​আমি আরিফের গাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় জানলা নামিয়ে বললাম, "আরিফ, তোমার এই দামী গাড়ি আর আভিজাত্য আমার পায়ের তলার ধুলোর সমান। যে মানুষ বিপদে সুযোগ খোঁজে, সে আর যাই হোক, কোনোদিন মানুষ হতে পারে না।"

​হাসপাতালে নুসরাতকে ভর্তি করার পর ডাক্তার জানালেন সঠিক সময়ে নিয়ে আসায় বড় কোনো বিপদ হয়নি। রাতভর নুসরাতের শিয়রে বসে আমি শুধু একটা কথাই ভাবছিলাম— আরিফ আমাকে যতবার ভাঙার চেষ্টা করবে, আমি ততবার নতুন রূপে গড়ে উঠব।

​পরদিন সকালে আমাদের নতুন বাসার ঠিকানায় পৌঁছে গেলাম। এই বাসাটা আমার এক শুভাকাঙ্ক্ষী বড় বোন দিয়েছেন। নতুন ঘরে ঢুকে আমি নুসরাতকে বললাম, "তোর মা এখন আর একা নয় রে মা। তোর মার সাথে এখন হাজারো মানুষের দোয়া আছে।"

​সেদিন বিকেলেই উকিল আফ্রিদির ফোন এল। "আকাশী, আরিফের ব্যবসার কিছু বড় ধরনের কর ফাঁকির প্রমাণ আমার হাতে এসেছে। ও যদি তোমাকে আর বিরক্ত করা বন্ধ না করে, তবে এবার ওর আভিজাত্যের আসল ভিত্তিটাই ধসে পড়বে।"

​আমি জানালার বাইরে তাকালাম। ঝড়ের পরের আকাশটা অদ্ভুত সুন্দর দেখায়। আরিফের পতন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।


​(চলবে...)

​এক নির্মম বিদায়

​পর্ব: ০৯


​নতুন বাসায় আসার পর নিজেকে গোছাতে শুরু করেছি। নুসরাতের জ্বর সেরে গেছে, সে এখন আবার তার ছোট ছোট হাত নেড়ে কথা বলার চেষ্টা করে। কিন্তু আরিফ শান্ত থাকার পাত্র নয়। যখন সে দেখল ভয় দেখিয়ে বা বাসা থেকে উচ্ছেদ করে আমাকে টলানো যাচ্ছে না, তখন সে তার শেষ এবং সবচেয়ে নোংরা তাসটি খেলল।

​একদিন বিকেলে বাবার নামে একটা মানহানির নোটিশ পাঠাল সে। দাবি করল, বাবা নাকি আরিফের ব্যবসায়িক গোপন নথি চুরি করে তাকে ব্লাকমেইল করছেন। শুধু তাই নয়, আরিফ স্থানীয় কিছু সংবাদপত্রে খবর ছাপাল যে, আমি টাকার বিনিময়ে আমার ফেসবুক ফলোয়ারদের ব্যবহার করে তার চরিত্র হনন করছি।

​বাবা নোটিশটা পড়ে বিমর্ষ হয়ে বসে রইলেন। বললেন, "মা রে, সারা জীবন সম্মানের সাথে সরকারি চাকরি করলাম, আর শেষ বয়সে এই অমানুষের হাতে অপমানিত হতে হচ্ছে?"

​বাবার চোখের সেই জল দেখে আমার ভেতরের শেষ মমতাটুকুও পুড়ে ছাই হয়ে গেল। আমি আফ্রিদিকে ফোন দিয়ে বললাম, “আফ্রিদি, আর কোনো দয়া নয়। আরিফ যে আগুনের সাথে খেলছে, এবার সেই আগুনেই ওকে পুড়তে হবে। ওর কর ফাঁকি আর বিদেশে টাকা পাচারের সব প্রমাণ বের করো।”

​আফ্রিদি দুই দিন সময় নিল। তারপর একদিন সন্ধ্যায় আমাদের বাসায় এসে কিছু নথিপত্র দেখাল। আরিফ তার বাবার প্রভাব খাটিয়ে গত পাঁচ বছর ধরে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে এবং তার আমদানিকৃত পণ্যে শুল্ক ফাঁকি দিয়েছে।

​আফ্রিদি বলল, “আকাশী, এই তথ্যগুলো যদি একবার দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পৌঁছায়, তবে আরিফের আভিজাত্য তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। কিন্তু ও খুব বিপদজনক লোক, তুমি কি এর পরিণতির জন্য তৈরি?”

​আমি শান্ত গলায় বললাম, “যে মানুষ নুসরাতের জন্মকে অপমান করতে পারে, আমার বাবার সম্মানে হাত দিতে পারে— তার পরিণতি নিয়ে ভাবার সময় আমার নেই।”

​সে রাতেই আমি নুসরাতকে কোলে নিয়ে একটি ভিডিও বার্তা রেকর্ড করলাম। সেখানে আমি কোনো আবেগ নয়, বরং তথ্য আর প্রমাণ দিয়ে আরিফের মুখোশ খুলে দিলাম। আমি বললাম, “মানুষের কাছে আমি শুধু একজন মা হতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমাকে আজ যোদ্ধা হতে বাধ্য করা হয়েছে।”

​ভিডিওটি আপলোড করার সাথে সাথে তোলপাড় শুরু হলো। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে দুদক এবং শুল্ক বিভাগ থেকে তদন্তের ঘোষণা এল।

​পরদিন সকালে আমাদের বাসার নিচে আরিফ এলো। কিন্তু এবার সে একা নয়, তার বাবাও সাথে ছিলেন। আরিফের সেই উদ্ধত চেহারাটা নেই, বরং সেখানে ছিল এক চরম অস্থিরতা।

​আরিফের বাবা ড্রয়িংরুমে বসে আমার বাবার হাত ধরার চেষ্টা করলেন। “ভাই, ভুল তো মানুষই করে। আরিফ একটু আবেগপ্রবণ হয়ে ভুল করে ফেলেছে। আপনি আপনার মেয়েকে বলেন ওই অভিযোগগুলো তুলে নিতে। আমরা নুসরাতকে আমাদের বংশের প্রদীপ হিসেবে মেনে নেব, এমনকি আকাশীর নামে আমরা একটা ফ্ল্যাটও লিখে দিচ্ছি।”

​আমি দরজার আড়াল থেকে বেরিয়ে এলাম। খুব শান্ত গলায় বললাম, “নুসরাত এখন আপনাদের কাছে ‘বংশের প্রদীপ’? আর যখন সে চার দিনের ছিল, তখন সে কি রাস্তার আবর্জনা ছিল? আপনাদের টাকার প্রতি আমার কোনো মোহ নেই। ফ্ল্যাট দিয়ে আপনারা আমার সম্মান কিনতে পারবেন না।”

​আরিফ গর্জে উঠল, “আকাশী! বাড়াবাড়ি করছ কিন্তু। আমি শেষ হয়ে গেলে তোমার কি লাভ হবে?”

​আমি ওর চোখের দিকে তাকিয়ে বললাম, “তুমি শেষ হয়ে গেলে এই পৃথিবী থেকে একজন অমানুষ কমবে। নুসরাত অন্তত বড় হয়ে এই লজ্জা নিয়ে বাঁচবে না যে তার বাবা একজন অপরাধী হিসেবে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াত।”

​পুলিশ আর তদন্তকারী দল ঠিক সেই মুহূর্তেই আরিফদের দরজার কাছে হাজির হলো। এবার আর সাইবার অপরাধ নয়, সরাসরি অর্থ পাচার আর জালিয়াতির অভিযোগে আরিফ এবং তার বাবাকে নিয়ে যাওয়া হলো।

​আরিফ যখন হাতকড়া পরা অবস্থায় জিপে উঠছিল, আমি তাকে শেষবারের মতো বললাম, “আরিফ, তুমি বলেছিলে আমার জীবন থেকে কিছুই পুষিয়ে দেবে না। আজ তুমি তোমার কর্মফল দিয়েই সব পুষিয়ে দিচ্ছ।”

​বাসায় ফিরে এসে আমি নুসরাতকে জড়িয়ে ধরলাম। আমার লড়াইটা প্রায় শেষ পর্যায়ে। কিন্তু এই নির্মম বিদায়ের পর যে নতুন আকাশটা নুসরাতের সামনে অপেক্ষা করছে, সেখানে আর কোনো অন্ধকার নেই।


​(চলবে...)

​পর্ব: ১০ (শেষ পর্ব)


​আরিফদের গ্রেফতারের পর কয়েক মাস কেটে গেছে। আইনি লড়াইটা সহজ ছিল না, কিন্তু সত্যের জোর সবসময়ই আলাদা। আরিফের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার এবং জালিয়াতির প্রমাণ এতই অকাট্য ছিল যে, তার জামিন বারবার নামঞ্জুর হতে লাগল। তার বাবাও বার্ধক্যের দোহাই দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু আইনের হাত থেকে নিস্তার মেলেনি।

​আরিফের মা একদিন একা আমাদের বাসায় এসেছিলেন। তার সেই দম্ভ, দামী গয়না আর অহংকার আজ ম্লান। তিনি বাবার পায়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললেন, “ভাই, আমার ছেলেটাকে বাঁচান। ও জেলে পচে মরবে। আপনি বললেই আকাশী সব অভিযোগ তুলে নেবে।”

​বাবা তাকে হাত ধরে তুললেন এবং শান্তভাবে বললেন, “বোন, যেদিন আপনার ছেলে অসুস্থ আকাশীকে আর চার দিনের নুসরাতকে রোদে ফেলে ডিনার করতে গিয়েছিল, সেদিন আপনি তাকে বাধা দেননি। আজ যে আগুনের তাপ আপনি পাচ্ছেন, তা আকাশীর দেওয়া নয়—তা আপনার ছেলের নিজের জ্বালানো আগুন। আমাদের কিছু করার নেই।”

​আমি নুসরাতকে নিয়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখছিলাম সেই দৃশ্য। নুসরাত এখন একটু একটু করে কথা বলার চেষ্টা করে। ও যখন আমাকে ‘মা’ বলে ডাকে, তখন মনে হয় পৃথিবীর সব ক্লান্তি আর অপমান এক নিমেষেই ধুয়ে মুছে গেছে।

​আফ্রিদির সাহায্যে আমি আমার ডিভোর্স পেপার আর নুসরাতের পূর্ণ জিম্মার (Custody) কাগজপত্র চূড়ান্ত করলাম। যেদিন আমি শেষবারের মতো কোর্টে গিয়ে ডিভোর্স পেপারে সই করলাম, সেদিন আরিফকেও কাঠগড়ায় আনা হয়েছিল। তার উজ্জ্বল চেহারাটা এখন জীর্ণ, চোখে একটা শূন্য দৃষ্টি।

​সই করার পর আমি ওর সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। আরিফ আমার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল, “আকাশী, তুমি কি আমাকে ক্ষমা করতে পারবে না? আমি সব হারিয়েছি।”

​আমি খুব শান্তভাবে উত্তর দিলাম, “ক্ষমা করার অধিকার আমার নেই আরিফ। তোমার অন্যায়ের হিসাব তুমি ওপরওয়ালার কাছে আর আইনের কাছে দাও। তবে নুসরাত বড় হয়ে জানবে, তার মা দুর্বল ছিল না। এই শিক্ষাটাই ওর জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ হবে।”

​আমি কোর্ট থেকে বের হয়ে এলাম। আজ আর আমার চোখে পানি নেই। আছে এক অদ্ভুত প্রশান্তি।

​এক বছর পর...

​আমার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘Choto Dairy 01’ এখন লক্ষাধিক নারীর অনুপ্রেরণা। আমি এখন শুধু নিজের গল্প লিখি না, বরং শত শত অবহেলিত নারীর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প সবার সামনে তুলে ধরি। আমার উপার্জিত টাকায় বাবা আর নুসরাতকে নিয়ে আমি এখন এক সাজানো গোছানো ছোট্ট ফ্ল্যাটে থাকি।

​নুসরাত এখন দৌড়াতে শিখেছে। আজ তার জন্মদিন। আমার সেই উবার চালক দিদি, আফ্রিদি আর আমার বাবা—সবাইকে নিয়ে আমরা একটা ছোট আয়োজন করেছি। কোনো জাঁকজমক নেই, কিন্তু ঘরে হাসির কোনো অভাব নেই।

​বাবা নুসরাতকে কোলে নিয়ে বললেন, “মা, তুই আজ সত্যিই জয়ী হয়েছিস। তুই শুধু একটা অশুভ সম্পর্ক থেকে মুক্তি পাসনি, তুই নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছিস।”

​জানলার বাইরে শরতের আকাশটা আজ নীল। ঠিক এক বছর আগে এই নীল রংটা আমার কাছে অপমানের ছিল, আর আজ এই নীল রংটা আমার কাছে স্বাধীনতার। নুসরাত আমার হাত ধরে টানছে বাইরের বাগানে যাওয়ার জন্য।

​আমি ওর হাত ধরলাম। আমরা হাঁটছি এক নতুন ভবিষ্যতের দিকে, যেখানে কোনো ভয় নেই, কোনো অবহেলা নেই। আরিফদের সেই অধ্যায়টা এখন আমার জীবনের এক ধুলোমাখা অতীত। সেই নির্মম বিদায়টাই ছিল আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সূচনা।

​(সমাপ্ত)


​#এক_নির্মম_বিদায়

#Choto_Dairy_01



​গল্পটি এখানেই শেষ হলো। আকাশী আর নুসরাতের এই জয় এবং আরিফের পতন—সব মিলিয়ে শেষটা আপনার কেমন লাগলো জানাবেন।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url