গল্প : #ঘর_জামাই__💚


#পর্ব ( 5 +6+7) রোমান্টিক লেখক 


জীবনে আপনি মা হতে পারবেন না। আশা করি আমার কথা বুজেছন। কারন আপনার হরমোন সমস্যা ।


 আপনি যাতে করে কনো কষ্ট না পান। তাই আপনার স্বামী নিজের সমস্যা কথা বলতে বলেছে?


নীলা : কী বলতেছেন ডাক্তার এই গলা আপনি ?


ডাক্তার : হ‍্যা সব কিছু সত্যি বললাম? 


ডাক্তারে কথা শুনে নীলা আর একটু ও দারালো না।


 নীলা যে কতো বড় ভুল করেছে সে নিজেই জানে। 


নীলা : কিন্তু নীল কে খুজবো কেমনে? ও কোথায় থাকে কি করে কিছুই তো জানি না। 


এই সব ভাবতে ভাবতে বাসায় যায় নীলা।  


অন্য দিকে নীল _ সেও বিয়ে করবে ভেবেই অফিসের কাজ শেষে বাসায় এসেই। 


নীল : চাচা চাচা আপনাকে আমি একটি কথা বলতে চাই । 


চাচা : হ‍্যা বাবা বলো। 


নীল : চাচা আমি । মিম কে বিয়ে করতে চাই , আপনি কি বলেন। 


চাচা : আমি তো গরিব বাবা আমার এই গরিব মেয়েটাকে বিয়ে করবে। 


নীল : হ‍্যা চাচা আমি বিয়ে করবো। নীলা তো বিয়ে করেছ আমাকে ছেরে প্রায় 8/9 মাস হলো। আমার ও তো বউ দরকার তাই না। 


চাচা : হুম তুমি যেটা। ভালো বুজো বাবা তাই হবে? 


নীল : তুমি কি রাজি। তাহলে আজেই বিয়ে হবে। 


চাচা : ঠিক আছে। 


এই দিকে মিমি ও একটু একটু করে ভালোবেসে ফেলেছিল নীল কে। যখনি বিয়ের কথা শুনলো একটি হাসি দিয়ে মিমি চলে গেলো। 


1/ 3 ঘন্টা পর কাজি এসে। বিয়ে সমপূর্ণ করলো। আজ নীলা ও মিমি এর বাসর রাত । মিম অপেক্ষা করতেছে নীলের জন্যে । 


একটু পর গালা নরিয়ে নীল রুমে ডুকে। 


মিম : আসসালামু ওয়ালাইকুম? বলেই উঠে এসে নীল কে সালাম করে।


নীল : ওয়ালাইকুম আসসালাম ❕ এই এই সালাম করতে হবে না। তোমার স্থান আমার পায়ে না বুকে। 


মিম : আচ্ছা সাহেব একটি কথা বলি। 


নীল : ওই আমি তোমার সাহেব হ‍্যা। আমি তো বর বুজছো। আর সাহেব বলবে না। আচ্ছা বলো কি বলবা। 


মিম : আপনি এতো বড় চাকরি করেন। আপনি অনেক সুন্দর কিন্তু আমার মতো অসুন্দর মেয়ে কে । কেনো বিয়ে করলেন। 


নীল : কে বলছে তুমি সুন্দর না হ‍‍্যা। তুমি চাদের মতো সুন্দর বুজছো। 


মিম : তাই বুজি। 


এর পরে নীল আর কিছু না বলেই মিম কে কোলে নিয়ে বিছানায় শোয়ায়। 


মিম : আমার কিন্তু লজ্জা করতেছে। 


নীল : তাই না দারাও দেখেইতেছি মজা। 


বলেই নীল মিমের ঘারে kiss করে। kiss করা মাত্রই মনে হচ্ছে মিমের পুরা শরির শিউরে উঠে? 


নীল : ওই কেমন লাগলো গো। 


মিম ; একটু মজা করে ভালো লাগেনি গো? কথাটি শেষ হতে না হতেই? 


নীল মিমের ঠোট নিজের করে নেয়। আর মিম এই ভালোবাসা পেয়ে পাগল হয়ে যাচ্ছিলো?


এর পর থেকে এই ভাবেই সুন্দর জীবন যাচ্ছিলো নীল মিমের কিন্তু অন্য দিকে নীলার জীবন টা খুব কষ্টে যাচ্ছে। 


কারন নীলার বর একটু ও ভালো না খুব খারাপ নেশা পানি করে?  


নীলা : এই রনি তুমি যে এত রাত করে বাসায় আসো তার কারন টা কি একটু বলবা। 


( এখানে বুজলাম নীলার জামাইর নাম হলো রনি )


রনি : সেটা কি তোকে বলতে হবে। তুই খাবার কাপর চোপর পাসনা। এতো কিছু জিঙ্গাসা করিশ কেনো হুমম। 


নীলা : আমি তো তোমার বউ। আমি তোমাকে বলতে পারি না? 


রনি : না বলতে পারিস না? 


নীলা : ভালো খুব ভালো । 


রনি : তোকে যে বাবার বাসায় থেকে 5 লক্ষ টাকা অনতে বলেছিলাম এনেছিস। 


নীলা : না এখনো পযর্ন্ত আনিনাই আনবো। 


রনি : হ‍্যা কাল কে আনবি। 


এই দিকে নীলা যে আর কখনো মা হতে পারবে না এই কথাটি রনির কাছে থেকে গোপন করে। 


আর গোপনে গোপনে নীল কে খুজে কিন্তু খুজে পায় না। এই ভাবে কিছু দিন যাবার পর? 


একদিন রনি তার একটি বন্ধু কে নীয়ে আসে বাসায়? 


 রনি : এই হলো তোর ভাবি রে। নীলা এটা আমার কাজিন এক লগে কাজ করি। 


নীলা : আসসালামু ওয়ালাইকুম। 


কাজিন : ওয়ালাইকুম সালাম। কথাটি বলেই বলে উঠে আরে নীলা তুমি এখানে? তোমার ত থাকার কথা????


রনি : তুই কি চিনিস নীলা কে আগে থেকে। 


কাজিন : হ‍্যা চিনবো না কেনো এর সাথে আমি __ কথাটি বলবে এমন সময় । 


নীলা বলে উঠে। 


নীলা : ভাইয়া আপনি আমাকে চিনেন। 


কাজিন : চিনবো না কেনো হোলেটের কথা ভুলে গেছো তুমি যেখানে হাজারো ছেলের সাথে রাত কাটাইছো। 


নীলা : কি বলতেছেন আপনি এই গুলা হ‍্যা। 


রনি : কি বলিস এই সব আমার বউ এর নামে হ‍্যা। 


কাজিন : হ‍্যা ঠিকেই বলছি। বিশ্বাস না হলে তোর বউ কে জিঙ্গাসা করে দেখ। কি বলে? 


নীলা : আপনি সব মিথ্যা বলতেছেন।  


রনি : হ‍্যা তর কাছে কোন প্রমান আছে হ‍্যা ? 


কাজিন : ওয়েট তোকে দেখাইতেছি বলেই। ফোনটি বের করে দেখায় ভিডিও । 


নীলা : আপনি এই সব ভিডিও কোই পাইছেন। 


কাজিন : কোই পাইছি মানে। আমরা যখন থাকতাম তখন আমি লুকাই ফোন রাখতাম ভিডিও চালু করে। 


রনি : তুমি দেহো ব‍্যবসা ও করছো ছি ছি ছি ছি আমি তোর সাথে কেমনে আছি । বলেই রনি প‍্যান্টের বেল খুলেই মারতে থাকে। 


মারতে মারতে সব জাইগা যখোম করে ফেলেছে। 


রনি : এই নে ফোন তোর মাকে ফোন দিয়ে এখানে ডাক। 


নীলা ফোন দিয়ে তার মাকেডাকে। কিছুক্ষন পর। 


কী হয়েছে ডাকলে কেনো? এর পর রনি সব কিছু খুলে বলে। 


রনি : আমি এর সাথে থাকবো না যদিও ও থাকে আমাকে 30 লক্ষ টাকা দিতে হবে। 


কিছু ভেবে না পেয়ে নীলার মা তাই দিতে রাজি হয়। 


রনি : এখন থেকে একে নিয়ে যাও এখন। যেই দিন টাকা নিয়ে আসবেন সেই দিন একে ও নিয়ে আসবেন। 


নীলা : না আমি যাবো না এখানেই থাকবো। 


রনি :আরো মাইর খেতে চাইলে এখানে থাক। 


নীলা : তুমি চলে যাও মা। আমি এখানেই থাকবো । 


এর পর ওর মা চলে যায়।  


এই ভাবেই দিন যাচ্ছিলো কিন্তু এখন রনি আগের অনেক নষ্ট হয়েছে গেছে। 


 

 আজ নীলা একটু বাইরে গেছে। কিছু কাজের জন্যে বাসায় ফিরতে রাত হয়। 


নীলা বাসায় এসেই দেখে যে _____ 


এখন কি করলে ভালো হবে সবাই কমেন্ট করুন plz


পরবর্তী পর্বের জন্যে অপেক্ষা থাকুন 🙏গল্প : #ঘর__জামাই 💜


#পর্ব : ( 6 ) রোমান্টিক লেখক 


 নীলা : এ কি রনি মেয়ে নিয়ে শুয়ে? আমি একটু বাইরে গেয়েছি তাতেই মেয়ে নিয়ে এসেছে? 


নীর এই সব ভাবতেছে এমন সময় শুনতে পায় যে। 


রনি : চিন্তা করিও জান। নীলা কে আমি সরিয়ে তোমাকে বউ বানিয়ে নিয়ে আসবো। 


না রনি এখনি আমারা বিয়ে করবো চলো। আমি তোমাকে ছারা থাকতে পারবো। 


আর কতো দিন এমন লুকাই লুকাই আমার সাথে থাকবা হ‍্যা? 


রনি : একটু ওয়েট করো পাগলি টা আমার ❕


ঠিক আছে। কিন্তু বেশি দিন না। 


রনি : ঠিক আছে। এখন উঠো না হলে নীলা চলে আসবে। 


তোমাকে ছারতেই মন চাইনা আমার । 


রনি : হুম বুজছি কিন্তু ছেরে দাও জান আবার শুক্রবার দেখা করবো 🙊


ঠিক আছে। 


এই বলে মেয়েটি নীলের উপর থেকে উঠে পরে। আর নিজের কাপর চোপর পরে নেয়। 


আচ্ছা জান তবে চলো তোমাকে একটু এগিয়ে দিয়ে আসি বলেই যখন বের হতে ধরেছে।


 তখনি দেখে নীলা বসে আছে বাইরে উঠনে। 


নীলা : বা বা বা খুব ভালো আমি একটু বাইরে গিয়েছি এর মধ্যেই তুমি অন্য মেয়ে নিয়ে আসছো। 


রনি : হ‍্যা নিয়ে এসেছি তো কি হয়েছে হ‍্যা। আমরা একে অপর কে ভালোবাসি বুজলি। 


নীলা : তো আমাকে বিয়ে করলি কেনো হ‍্যা। 


রনি : এতো কিছু বলতে পারবো না। বলেই রনি তার Gf কে kiss করে তাও আবার নীলার সামনে। 


নীলা : ছি ছি ছি ছি ছি তুমি এতো খারাপ রনি আমি ভাবতেই পারছি না। 


রনি : ঠাসসসস ঠাসসসস ঠাসসস এতো কথাতো আমি শুনতে চাইনি । 


তোর যদি মন চা এখানে না থাকতে তবে চলে যেতে পারিস। 


এই বলেই রনি চলে যায় মেয়েটিকে নিয়ে। 


আর এই দিকে নীলা কান্না করতেছে। কিন্তু কিছুই করার নাই কারন সে জানে এখন কিছুই করা যাবে না। তখনি নীলের কথা মনে পরে। 


কতো ভালোবাসতো নীল আমাকে একটু চোখের আরাল হতে দিতো না। কতোই না অপোমান করেছি। 


মারছি বকা দিছি তবুও আমাকে ভালোবাসতো। আমাকে নিয়ে কতো চিন্তা করতো। 


কিন্তু এই গুলা ভেবে তো আর কাজ নেই। আমি নিজেই আমার জিবন টা পষ্ট করে দিয়েছি 😭। 


মিম : এই নীল নীল তোমার বাচ্চা কান্না করতেছে একটু দেখো তো। 


নীল : ঠিক আছে বউটা আমার দেখতেছি। 


ওলেলেলেলে আম্মুটা আমার কি হয়েছে কান্না করতেছো কেনো হুম।


 তোমার মা কি বকা দিছে? আসুক তোমার মা আজ মারমু দেখিও। 


( আমরা এখানে বুজলাম নীলের বউয়ের বাচ্ছা ও হয়েছে ) 


মিম : কান্না কোই গেলো শুনি,,,বাবা কোলে নিলেই কান্না শেষ 🥳🥳


নীল : দেখতে, হবে না ছেলেটি কার? 


মিম : কার আবার ছেলে হ‍্যা আমার ছেলে? 


নীল : না আমার ছেলে । 


মিম : আচ্ছা আমাদের দুজনের ছেলে খুশি এখন তুমি হ‍্যা। 


নীল : হুম খুশি কিন্তু আরো খুশি হবো যদি একটু তুমি আদর করতে দাও। 


মিম : না এখন হবে না রাতে যতো খুশি আদর করিও গো। 


নীল : না আমি এখনি আদর করবো বলেই। বাচ্চা কে দোলনায় শুইয়ে। নীল আর মিম ভালোবাসা পরস্পরে আবদ্ধ হয়ে যায়। 


এমন শুখেই নীল আর মিমের জীবটা কাটতেছিলো। 

নীল কখনো ভাবেনি তার জীবন টা এতো সুন্দর হবে। সত্যি আল্লাহ্ কি না পারেন করতে।? 


( তাই আমি বলি কি যাকে ভালোবাসবেন তাকে এতোটা ভালোবাসবেন যেনো বিচ্ছেদের 1 যুগ পরেও যেনো সে বলে সে আমাকে সত্যি ভালোবেসেছিলো ) 


এই পাশে আজ রনি বলতেছে। 


রনি : আমি বুজতেছি না আমার বিয়ের প্রায় 2 বছর হতে চললো। তোর পেটে এখনো বাচ্চা আসলো না কেনো হ‍্যা। 


এই কথাটি শুনা মাত্রই নীলার বুক যেনো ধর ধর করে কেপে উঠে। কি বলবে রনিকে। এই ভাষাটাও নাই নীলার কাছে। 


নীলা : হুম হবে। একটু হয়তো আমাদের বেবি দেরীতে আসতেছে। তাই এমন হচ্ছে । 


রনি : কিন্তু বিয়ের 9 মাসের ভিতরেই বাচ্চা চলে আসে। আচ্ছা তুই কি বাচ্চা নষ্ট করিশ না তো। 


নীলা : আরে না কি বলো এই সব তুমি হ‍্যা। 


রনি : চল তকে ডাক্তার কাছে নিয়ে যাবো আমি আজ। 


নীলা : আজ না আমার শরিরটা খুব খারাপ তাই কাল যাই। 


রনি : সমস্যা নাই গাড়িতে করে ই নিয়ে যাবো। 


নীলা : প্লিজ রনি কাল পোরসু যাই। আমার শরির টা ভালো লাগতেছে না। 


রনি কিছু একটি ভেবে বললো । 


রনি : আচ্ছা ঠিক আছে কাল যাবো ওকে। 


( কিছু কথা বলি আপনারা আমাকে জিঙ্গাসা করেন আমার নাম আমি কি করি। তাই সবাইকে উদেশ‍্য করে বলতেছি। আমার নাম আব্দুল আল হাসিব ( বাসায় দাদু নীল নাম রেখেছিলো তাই সবাই সংক্ষেপে নীল বলে ডাকে। আমি পরাশুনা করি ইলেকট্রিক‍্যাল ইন্জিনিয়ারিং নিয়ে। বাস রংপুর । বাবা মার একমাত্র অবাদ্ধ ছেলে আমি । আশা করি সবাই বুজছেন হুদাই sms দিয়ে এই সব জিঙ্গেস করবেন না ? কাল সারা রাজ পরছি যেগে আজ Exm ছিলো। অনেক কষ্ট করে লিখলাম ছোট হলেও কিছু বলিয়েন না ধন্যবাদ গল্পে চলেন )


এই দিকে নীলা চিন্তায় পরে গেলো যদি রনি আমাকে নিয়ে যায় ডাক্তার কাছে তখন আমার কি হবে। এই চিন্তা করে সব কিছু খাওয়া ছেরে দিছে। 


প্রায় 4 দিন পর রনি বাসায় আসলো কিছু কাজের জন্যে বাহিরে গেছলো। 


রনি : এই আজ চল। ডাক্তার কাছে। 


নীলা : ভয় ভয় ঠিক আছে চলো। 


বলেন দুজনে হাসপাতালে চলে যায় কিন্তু গিয়েই দেখেযে ___ 


পরবর্তী পর্বের জন্যে অপেক্ষা করুনগল্প : #ঘর_জামাই__ 💚


#পর্ব ( 7 ) রোমান্টিক লেখক 


নীলা হাসপাতালে যে ডাক্তার কাছে গিয়েছে? সেখানে ডুকেই দেখে যে,,নীল এ একটি মহিলা সাথে আর নীল একটি বাচ্ছা কে কোলে নিয়ে আছে? 


নীলা : তার মানে কি নীল বিয়ে করেছে। বাচ্চা ও হয়েছে তাদের? 


এই দিকে নীলের বাচ্চা কিছু দিন ধরে অসুস্থ তাই সে। বাচ্চা কে ডাক্তার দেখাইতে নিয়ে এসেছে। 


নীল কিন্তু এখনো পযর্ন্ত নীলা কে দেখে নাই? 


ডাক্তার : নীল সাহেব আপনার বাচ্ছার কিছু চেকাপ করাতে হবে একটু ওয়েট করতে হবে। 


নীল : আরে ঠিক আছে সমস্যা নাই ডাক্তার । 


বলেই যখোন নীল বাচ্ছা নিয়ে বাইরে আসতে যাবে তখনি দেখে নীলাকে দেখে। 


নীলা এক পলকে তাকিয়ে আছে নীলের দিকে। 


নীলকে আবার নীলার স্বামী দেখা মাত্রই। 


রনি : স‍্যার আসসালামু ওয়ালাইকুম। আপনি এখানে। 


নীলা : স‍্যার মানে। 


রনি : হ‍্যা আমি যেই অফিসে কাজ করি এখন সেই অফিসের বস। হলো নীল স‍্যার। 


নীল : ওয়ালাইকুম সালাম রনি সাহেব। 


রনি : স‍্যার কেমন আছেন আপনি ভালো আছেন। 


নীল : হ‍্যা ভালো আছি আমি । 


রনি : আপনি এখানে যে স‍্যার। 


নীল : আসলে হয়েছে কি আমার বাচ্চা টি অসুস্থ একটু তাই তোমার ভাবি আমি ডাক্তার কাছে আইছি। কিন্তু তুমি এখানে। 


রনি : স‍্যার আমার নীলা। নীলা আমার বস এনি। 


নীল : আসসালামু ওয়ালাইকুম। 


নীলা : ওয়ালাইকুম সালাম। ( মাথা নিচু করে)


নীলা যেনো কিছু বুজতে পারতেছে না কি হচ্ছে এই সব। 


মিম : ওই নীল বাইরে চলো এখন বাচ্চা কান্না করতেছে। 


নীল : ঠিক আছে রনি পরে কথা হবে। বলেই নীল চলে আসলো বাইরে। 


এই দিকে নীলার মনে হাজারো কথা ঘুর পাক খাইতে থাকে। 


যে ছেলেটা ঘর জামাই ছিলো। কিছুই করতো না সারা দিন বাসায় থাকতো। 


সেই ছেলে নাকি Boss ভাবতেই কেমন জানি লাগতেছে। 


ইসস কতোই না শুখের ছিলো আমাদের জীবন টা 😭


সব কিছু যেনো কেমনে কী হলো। 


নীলা যে আগে নীলের বউ ছিলো সেই কথাটি কিন্তু রনি জানে না 😁


 

রনি : ডাক্তার আমাদের বিয়ের প্রায় 2 বছর হলো কিন্তু কোন বাচ্চা হলো না। 


ডাক্তার : ওহ আচ্ছা আপনার স্রীকে দেখতে হবে। 


রনি : ঠিক আছে ডাক্তার । 


ডাক্তার : আপনি একটু বাইরে যান আমাদের দেখতে দিন বিষয়টা। 


রনি ; ওকে। 


বলেই রনী বাইরে চলে যাওয়া মাত্রই। নীলা?


নীলা : ডাক্তার ডাক্তার আমি আপনার পায়ে পরি plzzz আমার সর্বনাশ করবেন না। 


ডাক্তার : আরে পা ছারেন আর বলেন আমি আপনার কি শর্বনাস করলাম হ‍্যা? 


নীলা : ডাক্তার আমি জানি আমি মা হতে পারবো না। 


ডাক্তার : what??? 


নীলা : হ‍্যা ডাক্তার আমি এর আগে ও ডাক্তার দেখাইছি আমার সমস্যা কারনে বাচ্চা হবে না। 


ডাক্তার : তাহলে এখানে আসলেন কেনো হ‍্যা? 


নীলা : আসলে হয়েছে কি আমার বর জানে না যে আমি বাচ্ছার মা হতে পারবো না। তাই নিয়ে আইছে। 


ডাক্তার : ও তো আমি এখন কি করবো হ‍্যা। 


নীলা : আপনি শুধুমাত্র বলবেন যে। বাচ্চা হবে সমস্যা নাই। না হলে আমার বর আমাকে ছেরে দিবে। 


ডাক্তার : না আমি পারবো না। কারন পরে যদি আপনার বর আমার উপরে একশন নেয় আমার চাকরি থাকবে না। 


নীলা : plzzz plzzz ডাক্তার আমি আপনাকে 50 হাজার টাকা দিবো তবুও বলিয়েন না। 


ডাক্তার : কি 50 হাজার। ঠিক আছে এখন দেন তবে বলবো না। 


নীলা : আমার কাছে তো নাই। আমি বাসায় গিয়ে এনে দিবো। 


ডাক্তার : সরি তবে হবে না। বুজছেন। এখনি দেন পারলে।


নীলা অনেক চিন্তা ভাবনা করে তার মাকে ফোন দেয় আর বলে। 


নীলা : মা আমার খুব 50 টাআর দরকার প্লিজ এই নাম্বারে পাঠাই দাও ( এর পরে ডাক্তার নাম্বার দেয়) 


ডাক্তার : ঠিক আছে বলবো না আর। 


নীলা : ঠিক আছে। 


ডাক্তার : রনি সাহেব ভিতরে আসেন এখন? 


রনি : কেমন দেখলেন ডাক্তার । 


ডাক্তার : বা অনেক ভালো আছে সমস্যা নাই। এই ওষুধ গুলা খাওয়ান। 


রনি : আছে ডাক্তার । 


এর পর নীলা ও তার বর যখন চলে যাবে তখন দেখে নীলা । নীলের বাচ্চা টা কতো সুন্দর । আর কতো আদর করতেছে তারা দুজনে। 


রনি : স‍্যার থাকেন। চলে যাই এখন। 


নীল : ঠিক আছে । 


নীলা : আমি একটু ওয়াশ রুমে যেতাম রনি। 


রনি : ঠিক আছে। 


 বলেই নীলা ওয়াশ রুমে। যায় কিন্তু একা না গিয়ে নীলের বউ মিমি কে ও নিয়ৈ যায়। 


নীলা : আপা কেমন আছেন আপনি । 


মিম : আলহামদুলিল্লাহ্ ভালো আপনি । 


নীলা : আলহামদুলিল্লাহ্ ভালো । আপনাদের বাচ্ছাটি খুব কিউট। 


মিম : ধন্যবাদ আপু। আপনার বাচ্চা হয়নি এখনো আপু। 


((((নোটিশ : আসসালামু ওয়ালাইকুম আশা করি সবাই ভালো আছেন আলহামদুলিল্লাহ্ আমি ও ভালো আছি। আমি এখন থেকে পেজে গল্পো লিখবো আমার নিজের পেজ। গ্রুপে বা আমার আইডিতে লিখবো না। এই গল্পের বাকি পর্ব গুলা এখন থেকে পেজেই পাবেন। গল্পের শেষে লিংক আছে পেজের সবাই ফলো করে দিবেন ধন্যবাদ )))))


নীলা : না এখনো হয়নি। 


মিম : আপনার বাচ্চা ও খুব সুন্দর হবে দেখিয়েন। 


নীলা : হুম দোয়া করিয়েন। আচ্ছা আপু আপনারা খুব শুখি পরিবার তাই না। 


মিম : হুম খুব শুখি পরিবার আমরা। আমার স্বামী আমাকে খুব ভালোবাসে। এখনো কষ্ট দেয়না। আল্লাহ্ যেনো তাকে হাজার বছর বাছিয়ে রাখে। 


কথা গুলা শুনা মাত্র নীলার বুক কেপে কেপে উঠে। 


এর পর যখন ওয়াশ রুম থেকে বাইরে আসে নীলা আর মিম তখন দেখে যে???


পরবর্তী পর্বের জন্যে অপেক্ষা করুন

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url