গল্প : #ঘর__জামাই ❤


#পর্ব ( ২ +৩+৪) রোমান্টিক লেখক 


হোটেল থেকে বের হচ্ছে আমার বউ অন্য পুরুষের হাত ধরে তাও কাধে কাধ রেখে। সত্যি কি এটা নীলা।


 কিন্তু এই খারাপ জায়গাই অন্য পুরুষের সাথে কি নীলার। 


বাসায় যাই আগে তার পর সব শুনবো। 


এই সব ভাতে ভাবতে নীল বাসায় চলে আসে। কিন্তু নীলা বাসায় নাই তাই শাশুড়ি কে জিঙ্গাসা করে। 


নীল : মা নীলা কোথায়। দেখতেছি না যে কোথাও আমি ওকে। 


মা : মনে হয় শফিং এ গেছে। কেনো কি হয়েছে বউ ছারা ভালো লাগে না বুজি। 


শাশুরির মুখে এমন কথা শুনে খুব লজ্জা পেলো নীল কিন্তু তবুও কিছূ বললো না আর কেমন বা শাশুরি যে জামাইকে এমন থা বলে। 


নীল : আসলে মা। 


মা ; থাক বলতে হবে না। যে পুরুষ 5 বছরে একটি সন্তান দিতে পারে না সে আবার বউ এতো খোজ নিয়ে কি করবে শুনি। 


নিল : আপনি ও এই কথাটা বললেন মা। আর আমার তো নিজের লজ্জা লাখতেছে আপনার মুখে এ সব শুনে। 


মা : ছোট লোক তোর আবার লজ্জা আছে তুই ত থাকিস ঘর জামাই তোর আবার কিসের লজ্জা । 


বউ এর টাকায় চলিস। আবার বড় বড় কথা বলিশ হ‍্যা। 


কথা গুলা শুনে নীল চোখের পানি আটকাতে পারলো না সত্যি অনেক কষ্ট লাগতেছে কিন্তু সব তো সত্যি বলতেছে। 


নীল : হ‍্যা ঠিক বলছো আমার ভুল হয়েছ। সময় হোক নীলাকে ডিভোর্স দিবো। 


এই কথাটি বলা মাত্র নীলা বাসায় ডুকে আর ডুকেই শুনে এই কথা নীলের মুখে। 


নীলা : ঠাসসসসস....ঠাসসসসস তুই এতো বড় কথা বলতে পারলি আমাকে ডিভোর্স দিবি। 


নীলা মা : হ‍্যা মা দেখ না আমাকে এই সব বলতেছে। নীল আমি আরো বল্লাম বাবা সময় হোক আল্লাহ্ তোমাদের সন্তান দিবে তবুও এই সব বলতেছে। 


নীল : আপনি মিথ্যা কথা বলতেছেন কেনো মা। 


দেখছিস মা এখন আমাকে বলতেছে আমি নাকি মিথ্যা কথা বলতেছি। আরো কি বলছে জানিস। 


নীলা : কি বলছে। 


আমাকে আর তোর বাবা কে নাকি নীল বাসা থেকে বের করে দিবে। বলতো আমরা এই বয়সে কোথায় যাবো। 


নীলা : ছি ছি ছি নীল তুমি এমন।


নিল : আরে না মা মিথ্যা বলতেছে। এইসব কিছু। 


নীলা : মা মিথ্যা বলতেছে আর তুমি সত্য বাদি হ‍্যা। 


নীল : সত্যি বলছি আমি এই সব বলিনাই। 


নীলা ; মা তুমি তোমার রুমে যাও। 


বলেই নীলা উপরে চলে যায়। আর নীল ও পিছন পিছন যায়। 


নীল : একটি কথা বলি নীলা। 


নীলা : বল কী বলবি। 


নীল : ওই ছেলেটা কে? 


নীলা : কোনননন কোন ছেলেটা হ‍্যা। 


নীল : হোটেল থেকে যার সাথে বের হলে। 


নীলা : কোই আমি তো কোন হোটেলে যাইনাই। আমি শফিং করতে গিয়েছিলাম। 


নীল : মিথ্যা বলবে ন সত্যি বলো। আমি তো নিজের চোখে দেখেছি। 


নীলা : দেখেছিস তো কি হয়েছে হ‍্যা। তুই তো একটি অক্ষম ছেলে। তাই অন্য ছেলেকে নিয়ে গেছলাম কোন সমস্যা । 


নীল : আমি কি তোমাকে আমার ভালোবাসা দিয়ে তৃপ্তি দেই না। 


নীলা : হ‍্যা দিস কিন্তু বাচ্চা ত দিতে পারিশ না। 


নীল : এটা কি আমার দোশ হ‍্যা। 


নীলা : হ‍্যা তোর দোশ। আর আজ দেখছিস হোটেলে নিয়ে গেছলাম কাল বাসায় আনবো। তুই কি করবি হ‍্যা। 


নীল : খুব কি প্রয়োজন এই সবের। 


নীলা : অবশ্যই । 


নীল : তো আমাকে ছেরে দিলেই তো পারো। 


নীলা : আমাদের একি মান সন্মান আছে বুজছিস। আমাদের পরিবারে কেউ কাউকে ছারেনি তাই তোকে ছারতে পারতেছি না। 


তা নাহলে কতো আগেই ছেরে দিতাম তোকে আমি । 


নীল ; ওহ এটাই মুল কারন। 

 

নীলা ; হ‍্যা এখন চুপ করে শুয়ে থাক আমাকে ডিস্টাপ করবি না। 


নীল : ঠিক আছে। 


চলেন একটু অতিতে ফিরে যাই। 

 

নীলার আর নীলের বিয়ের 2 বছর যখন হয়েছে তাদের বাচ্চা হয়না বলে তারা দুজনে ডাক্তার কাছে চলে যায়। 


নীল : ডাক্তার আমাদের বাচ্চার না হবার কারনটা আমরা বুজতেছি না প্রায় 2 বছর হলো কিন্তু বাচ্চা হলো না। 


ডাক্তার : ঠিক আছে সময় নাই আমারা দুজন কেই চেকাপ করে দেখি কি দেখা যায়। 


নীল : হুম দেখেন তো কি সমস্যা আমাদের। 


ডাক্তার : নার্চ। এদের দুজন কেই চাকাপ করে রিপোর্ট আমাকে দিয়েন তো। 


নার্চ ; ঠিক আছে স‍্যার। 


বলেই নীল কে আর নীলা কে চেকাপ করে। 


 30 মিনিট পর। 


নার্চ : স‍্যার হয়েছে রিপোর্ট রেডি। 


ডাক্তার : ওকে তুমি এখন বাইরে যাও আর ওদের দুজন কে ডাকো। 


 নার্চ : নীল সাহেব আপনাদের ডাকতেছে। 


নীল : হুম ডাক্তার বলুন । 


ডাক্তার : আসলে হয়েছে কি আপনার বউয়ের হরমোন সময় তাই বাচ্চা হবেনা। 


তাই আপনাকে আগে ডেকে নিলাম।


কথাটি শুনা মাত্র নীল থমকে গেলো। আর কিছু একটা ভেবে বললো। 


নীল : ডাক্তার আমার বউয়ের সমস্যা এই কথা বলবেন না প্লিজ ওর সামনে বলবেন যে আমার সময় । 


ডাক্তার : কিন্তু । 


নীল : কোন কিন্তু নে ই। আমি চাইনা ও কষ্ট পাক 


ডাক্তার : ঠিক আছে। 


এ বলে বাইরে এসে নীল আর নীলার সামনে বলে মিচ নীলা আপনার স্বামী হরমোনের সমস্যা তাই বাচ্চা এখন হবে না তবে হে পরে।


নীলা : ওহ আচ্ছা হবে তো ইনশাআল্লাহ । 


ডাক্তার : হ‍্যা হবে। 


ওই নীল মন খারাপ করোনা হবে তো বাচ্চা । আমাদের মন খারাপ করিও না পাগল একটা। 


এই ভাবেই চলে গেলো 5 বছর কিন্তু কোন বাচ্চা হলো না। 


চলেন এখন বতর্মানে। 


নীলা ঘুম গেলো। নীল ও ঘুম যাবে কিন্তু এসব কথা শুনে আর ঘুম গেলো না


 সারা রাত কান্না করে কাটাচ্ছে । শেষ রাতে একটু ঘুম গেলো।


পরের দিন সকালে উঠেই দেখে যে। 


পরবর্তী পর্বের জন্যে অপেক্ষা করুন ধন্যবাদগল্প : #ঘর__জামাই ❤


#পর্ব ( 3 ) রোমান্টিক লেখক  


উলঙ্গ অবস্থায় দেখি আমার বউ। অন্য একটি ছেলের সাথে সহোবাস করতেছে। 


ঘুম থেকে উঠেই এই দৃশ্য দেখার আগে কেনো আমার মৃত্যু করলে না। আল্লাহ্? 


নীলা ঘুম থেকে উঠে দেখে। নীলা তার পাশের রুমে একটি ছেলের সাথে এই অবস্থা । শুয়ে আছে। 


 কী করবে কিছু ভেবে পাচ্ছে না। ডাক দিবে নীলা কে নাকি। কি করবে। 


একটি মেয়ে এতো বেহায়াপনা হতে পারে কেমনে। 


নীলা : এই চিল্লাচিল্লি করিও না পাশের রুমে লোক আছে। 


এই কথাটি শুনেই নীল বলে উঠে। 


নীল : সমস্যা নেই আমি পাহাড়া দিতেছি কোন রকম সমস্যা নাই আর হবে ও না। 


এই কথাটি শুনেই নীলা তার পরনে কাপড় ঠিক করে বাইরে আসে। 


নীল : ঠাসসস...ঠাসসসস তুমি এতোটা নিছে নেমে গেছো ভাবতেই পারতেছি না।  


লজ্জা করে না স্বামী বাসায় থাকা অবস্থায় একটি ছেলেকে বাসায় নিয়ে এসে তার সাথে বেহায়া পনা করো তুমি ।


 ছিছিছিছ ছি ছি নীলা তোমার কাছে এটা আশা করি নাই আমি ।


নীলা : এই ছোট লোকের বাচ্চা তুই আমাকে মারার শাহস কোথায় পেলি হ‍্যা। 


নীল : কেনো জানো না আমি তোমার কে। 


নীলা : তুই আমার কেউ না বুজেছিস। তুঈ হলি আমার দাস। আমি যা বলবো তুই তাই করবি। 


নীল : তুমি চাওটা কি হ‍্যা। তুমি তো আগে এমন ছিলে না। 


নীলা : ছিলাম না কিন্তু এখন হয়েছি। কোন সমস্যা । 


নীল : হ‍্যা অবশ্যই সমস্যা । তুমি এই সব কিছু করতে পারো না। 


নীলা : আমি সব কিছুই করতে পারি আর তুই আমাকে কোন ধরনের প্রশ্ন করতে পারবি না কথাটি মনে রাখিশ। 


এই সব কিছু বলেই নীলা চলে গেলো। 


কিন্তু নীল করবে টা কি। ভেবে পাচ্ছে না যদি নীলা কে ডিভোর্স দেই,,,, তবে 15 লক্ষ টাকা দেন মোহর লাগবে এতো টাকা কোই পাবো। 


এই সব ভাবতেছে এমন সময় । 


শাশুড়ি : কেমন লাগলো হ‍্যা আমার মায়ের ব‍্যবহার? 


নীল : plzzz মা আমাদের জীবন টা নিয়ে এমন করে খেলবেন না। 


শাশুড়ি : এখনো খেলার কি আছে। আমার ভাইয়ের ছেলে কে দিয়ে বিয়ে দিবো কিছু দিন ধর্ষ ধর। 


আমাদের প্রথায় যদি নিয়ম থাকতো ছারা ছারি তোকে কতো আগেই ছেরে নিতাম নীলাকে । 


নীল : এমটা করবেন না। আপনার মেয়ের জীবন টা নষ্ট হয়ে যাবে। 


শাশুড়ি : ছোট লোক বাসা থেকে বের হয়ে যেতে পারিশ না তুই। অন‍্যের টাকায় খাস। 


এই কথা বলেই শাশুড়ি চলে গেলো। 


এই দিকে নীলের জীবন টা এখন বেছে থাকতে ও মরার মতো মনে হচ্ছে করন। এতো কষ্ট। 


জীবনে কখনো পাইনাই। নীলা যেই মেয়েটা আমাকে এতো ভালোবাসতো সেই এখন এমন চেন্স হয়েছে। 


এই ভাবেই দিন চলতে লাগলো। প্রায় দুই মাস পর একদিন নীল নীলার কাছে গেলো। 


নীল : এই তাকাও আমার দিকে বলেই নীলাকে নিজের দিকে করলো। 


নীলা : হুম। 


যখনি নীলা তাকাইছে নীলের দিকে তখনি নীল kisss করে বসে নীলার ঠোটে আর তখনি নীলা। 


নীলা :ঠাসসসস লজ্জা করেনা যে বউকে একটি বাচ্চা দিতে পারিস না তার কাছে আসতে। 


 এই লজ্জায় আর নীল কিছু করলো না। 


নীল : নিজের বউ কে কি ভালোবাসা যাবে না। আদর করা যাবে না। 


নীলা : বউ মানে। বউ এর মর্যাদা দিতে পারছিস। তুই যে পুরুষ তার প্রমান দিতে পেরেছিস। 


নীল : তুমি আমাকে ডিভোর্স দাও আমি থাকতে চাইনা তোমার সাথে। 


নীলা : তুই কি থাকবি আমি থাকবো না তোর কাছে। কাপুরুষ একটি। 


এই ভাবে নীলা নীল কে ছোট করতে থাকে। আপনারা ভাবতেছেন নীল কেনো এতো কিছু সজ‍্য করতেছে। 


নীলের এই দুনিয়ায় কেউ নেই বাবা মা ছিলো তারাও মারা যায়।  


থাকার কোন যায়গা নেই। খাবে তার কোন টাকা নেই। 

আর বড় কথা হলো নীল খুব ভালোবাসে নীলা কে। 


 


 এই ভাবে প্রায় 4/5 মাস কেটে গেলো নীলা এখোন আরো খারাপ হচ্ছে । ওর মা যেনো এই সবে আরো উসাহিত করতেছে। 


এক দিন নীল পিছু নেয় নীলা কোথায় যায় রাত 11 টা হলেই সেজে গুজে। 


তো দেখে নীলা একটি নাইট ক্লাবে ডুকে পরে। 


সেই সাথে নীল ও ডুকে পরে। 


নীল : আচ্ছা ভাই এই মেয়েটি কি প্রতিদিন এখানে আসে। 


হুম ভাই কিন্তু আপনি কে। 


নীল : আমাকে চিনবেন না ভাই আপনি । 


ওই মেয়েটা খুব খারাপ ভাই অনেক লোকের সাথে রাত কাটায়। 


নীল : ওহ আচ্ছা । 


এটা বলে নীল আবার লক্ষ করতে লাগলো। নীলা নেশা ও করে অনেক ধরনের। 

  


নী ন : ভাই মেয়েটার এমন হবার কারন কী। 


ভাই আমি তো শুনেছি এই মেয়েটার মা তাকে এমন বানাইছে। নেশা করায় এটা করা ওটা করা। 


নীল : ওহ তাই বলেন।

 

এই সব কথা ভাবতেছে এমন সময় হুট করে নীলা চলে আসে কেমনে জানি দেখে ফেলছে। 


নীলা : ওইইই তুই এখানে কি করতেছিস। 


নীল : না এমনি এসেছি তোমাকে দেখতে। 


নীলা : কেনো আগে দখিশ নাই আমাকে। 


নীল: না তুমি এই সব করো আগে জানতাম না কিন্তু এখন জানলাম। 


কথাটি শেষ হতেই নীলা বলে উঠে। 


নীলা : হ‍্যালো গাইস আপনার সবাই আমার দিকে তাকান। 

দেখেন আমার গোলাম কে নিয়ে এসেছি। যে কিনা পুরুষ না। 


এটা বলতে না বলেই নীলা মাথা ঘুরে পরে গেলো। 


নীল : এ ই নীলা কি হলো তোমার কথা বলো। 


হুম বুজেছি ঙ্গান হারাই ফেলছে । 


এর পর নীল নীলাকে নিয়ে আসে বাসায়। এই সব আবার নীলের শাশুড়ি দেখেছে কিন্তু কিছু বলেনাই। 


পরের দিন দুপুরে। নীলা যখন ওয়াশ রুমে তখন । 


শাশুড়ি : নীল আমার সাথে আসো তো আমার রুমে। 


নীল : ঠিক আছে। *( আজ এতো সুন্দর আচারন ) কারন টা কি। 


শাশুড়ি : কিছু বললে। 


নীল : না কিছু বলিনাই। 


এর পর নীল যখোন রুমে গিয়ে ডুকে তখনি নীলের শাশুরি দরজা আটকে দেয়। 


নীল : আপনি দরজা আটকিয়ে দিলেন কেনো। 


শাশুড়ি : কাজ আছে বলেই নিজের জামা কাপর নিজেই ছিরতে থাকে ____


নীল : আপনি কি করতেছেন __ 


শাশুড়ি : ________ পরবর্তী পর্বের জন্যে অপেক্ষা করুনগল্প : #ঘর_জামাই__ ❤


#পর্ব : ( 4 ) রোমান্টিক লেখক 


বাছাও,,,বাছাও,,,বাছাও,,,নীলা আমাকে বাছাও। 


নীল : মা আপনি কি করতেছেন এই গুলা।  


শাশুড়ি : নীলা আমাকে বাছাও আমাকে নষ্ট করার চেষ্টা করতেছে আমাকে বাছাও মা? 


এমন চিল্লাচিল্লি শুনেই নীলা রুমে আসে এসে দেখে নীলার মায়ের কাপর সব কিছুই ছেরা। 


মনে হচ্ছে তার জোর করেই সব কিছু ছেরা হয়েছে। 


শাশুড়ি : নীলা আমাকে বাছাও মা তোর জামাইর হাত থেকে। কান্না করতেছে আর বলতেছে। 


নীলা কিছু না শুনেই নীল কে জুতা খুলেই,,,,


নীল : ঠাসসসস ঠাসসস ঠাসসস তোর এতো বড় সাহস আমার মায়ের দিকে নজর দিস হ‍্যা। লজ্জা করে না। 


আমার সামনে থেকে এখনি বের হয়ে যা। তোকে যেনো আমার চোখের সামনে কখনো না দেখি আমি। 


নীল : বিশ্বাস করো নীলা। আমি এমন কিছুই করিনাই। 


ওনি নিজে থেকে এমন করেছে। 


নীলা : আবার কথা বলিশ এখনি বের হয়ে যা আমার সামনে থেকে আর কখনো আসবি না। 


এই বলে নীলা আলমারি থেকে সব কাপর বের করে দেয় নীলের। 


 এমন সময় কিছু দরকারি পেপার পরে যায় কিন্তু এটা দেখে নীল পেপার গুলা আনতে যায়। 


কিন্তু তখনি নীলা ও গুলা কেরে নেয়। কিন্তু নীলা পেপার গুলা না পরেই রেখে দেয়। 


নীল : আমি এমন করিনাই নীলা আমাকে বিশ্বাস করতে পারলে না। 


নীলা : এতো কথা শুনতে চাইনা?


নীল ; ঠিক আছে চলে যাচ্ছি আমি কিন্তু মনে রাখিও এক সময় আমাকে খুজবে কিন্তু পাবে না। 


বলেই নীল চলে যায় বাসা থেকে। 


কিন্তু নীলা তবুও আটকালো না নীল কে। 


এই ভাবেই কিছু দিন চলে গেলো নীল কোথায় আছে কেউ জানে না। 


কিন্তু নীলা ও কোন খোজ নেয়নি। 


হঠাৎ একদিন নীলার মা এসে বলে। 


মা ; মা এমন করে আর কতো দিন থাকবি বল। 


নীলা : আমি জানি না মা । 


মা : আমি চাইতেছী কি। তোর বিয়েটা তোর মামাতো ভাইয়ের সঙ্গে হোক। 


নীলা : তুমি যেটা ভালো বুজো মা তাই করো। 


তার মানে আমরা বুজলাম নীলার মা এতো কিছু করেছে। তার মামাতো ভাইয়ের সাথে বিয়ে দেয়ার জন্যে 😭


মা : আচ্ছা শোন নীলের সাথে তো এখনো তর ডিভোর্স হয়নি তাই বলি কি তুই এই খানে সই কর ( একটি কাগজ এগিয়ে দিয়ে ) নীলা ও তার মার কথা মতো সই করে দেয়। 


নীলা : হুম দিয়েছি এখন যাও আমার সামনে থেকে। 


মা : হুম যাচ্ছি। তবে শোন সামনের মাসে 1 তারিখে তোর বিয়ে? 


নীলা : ঠিক আছে তুমি যেটা ভালো বুজো তাই করো। 


সবাই ভাবতেছেন নীলের কি হলো তবে শুনুন,,,,,,?


এই দিকে নীল যেই দিন বাসা থেকে বের হয়ে যাচ্ছিলো সেই দিন। ওই বাসার দারোয়ান নীল কে আটকায় আর বলে। 


দারোয়ান ; সাহেব আপনি কোথায় যাবেন হ‍্যা। 


নীল : জানি না চাচা কোথায় যাবো আমি । 


দারোয়ান : আপনি আমার বাসায় থাকবেন। যতো দিন না আপনাদের সব কিছু ঠিক হয় আমার বাসায় থাকবেন। 


নীল : কিন্তু চাচা। 


দারোয়ান : কোন কিন্তু নেই বাবা আমি যা খাবো তুমি ও তাই দিয়েই খেয়ো। 


এই বলে নীল কে নীয়ে চলে যায় দারোয়ান তার বাসায়? 


বাসায় এসেই??? 


বাবা কে এই লোকটি আর তোমার সাথে কেনো। 


মা তোকে বলছিলাম না যার কথা ইনি হলে নীল স‍্যার। আজ থেকে আমাদের সাথে থাকবে। 


আচ্ছা বাবা ঠিক আছে। ভিতরে আসেন সাহেব। 


এনাদের কথায় বুজলাম বাবা মেয়ে। 


কিন্তু একটি জিনিস লক্ষ করলাম। মেয়েটার কথা যতো সুন্দর তার থেকে ও মেয়েটা সুন্দর।


  মনে হয় আকাশের চাদ। 


এই ভাবেই দিন যাইতে ধরলো এই দিকে নীল ও একটি চাকরি নিয়ে নিছে। সুন্দর দিন যাচ্ছে নীলের ও। 


অন্য দিকে আজ বিয়ে নীলার __


নীলা : মা আমার মনে হচ্ছে বিয়েটা না করি। 


মা : দুর পাগলি এমন ভালো ছেলে কী কখনো পাবি। আর এর আগে তো একটি ছেলে কে নিজেই বিয়ে করলি। দেখলি তো কতো খারাপ । 


নীলা : হুমম তা ঠিক বলছো। 


এর পর নীলার বিয়ে হয়ে গেলো তার মামাতো ভাইয়ের সাথে সবাই এখন খুশি। 


এই দিকে নীল ও আবার দারোয়ানের মেয়ে কে পছন্দ করে কিন্তু মনে মনে বলতে পারে না। 


নীল : আচ্ছা মিম তুমি কোন ছেলেকে ভালোবাসোনি। 


(এখানে দারোয়ানের মেয়ের নাম মিম )


মিম : না সাহেব বাবা যেখানে বিয়ে দিবে ওখানেই। 


নীল : তাই। 


 মিম ; হুম সাহেব। 


এই দিকে কিন্তু নীল ও জানে নীলার বিয়ে হয়েছে।  


এমন করেই দিন গুলা যাচ্ছিলো। আর নীল নিজেকে প্রতিষ্টিত করতেছিলো। 


প্রায় 6 মাস পর একদিন নীলা তার বাসায় কিছু কাগজ পাতী খুজতেছিলো।


 তখন তোর চোখে পরে ডাক্তারের রিপোর্ট যেটা নীল আর রিয়া এক সাথে গিয়ে ছিলো বাচ্চা কেনো হয়না এটা জানার জন্যে। 


কি মনে করে যেনো নীলা পরতে লাগলো। 


পরতে পরতেই রিয়া দেখে যে বাচ্চা না হবার সমস্যা টি নীলের না আমার । কিন্তু নীল বলেনাই কেনো। এর পর নীরা হাসপাতালে উদ‍্যেশে বের হয়। 


যে ডাক্তার পরিক্ষা করেছিলো। 


নীল: ডাক্তার ডাক্তার আপনি মিথ্যে রিপোর্ট কেনো লিখেছেন। 


ডাক্তার : মিথ্যে মানে আপনার তো _____


পরের পর্বে দেখা হবে সবাই কমেন্ট জানান এর পর কি করবো তাহলে অনেক ভালো হয় লিখতে 💚

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url