গল্প : #ঘর_জামাই__💚
#পর্ব ( 8 +9+10 + শেষ পর্ব) আব্দুল হাসিব
নীলা বাইরে এসেই দেখে নীল একা বসে আছে? কিন্তু রনি নেইই ।
নীলা : আচ্ছা আবার Husband কোথায় গেলো?
নীল : আপু আপনার Husband একটি মেয়ে এসেছিলো। বললো বোন হয় নাকি। কি জানি সমস্যা তাই। ওনার সাথেই চলে গেলো??
নীলা : ওহ আচ্ছা । নীলার আর বুঝা শেষ নেই রনি কার সাথে গিয়েছে।
নীল : আচ্ছা আপনি ভালো থাইকেন। চলো মিমি এখন বাসায় যাই আমরা।
মিম : হুম চলো । কিন্তু মিচ : নীলা কি একাই বাসাই যাইতে পারবে।
নীল ; হুম পারবে ওনি সমস্যা নাই।
মিম : আচ্ছা আপনার বাসা কোথায় জানি।
নীলা : আমার বাসা রংপুর লাল ব্যাগের ওই দিকে।
মিম : ও আচ্ছা আমাদের ও বাসা ওই দিকেই চলেন এক সাথে যাই।
নীলা : না ঠিক আছে। আপনার যান আমি একাই যাবো।
মিম : আরে চলেন তো আপনি ।
বলেই মিম নীলার হাত ধরে টেনে নিয়ে এসে বসায় গারিতে।
নীল বাধা দিতে চাইলো। কিন্তু মিমের এমন ব্যবহারে কিছুই বললো না।
নীলা : এটা আপনাদের গারি।
মিম : হ্যা আমাদের কেনো আপনার পছন্দ হয়নি।
নীলা : আরে না কি বলেন এতো সুন্দর গারি পছন্দ না হয় এটা কোন কথা।
বলেই নীলা গাড়িতে উঠে। আর ভাবতে থাকে। ইশশ আমি যদি আজ নীলের বউ হয়ে থাকতাম। সব কিছু আমাদের হতো।
নীল : মিচ : নীলা আপনি কোন যাইগাই নামবেন।
মিম : তুমি চলো তো বাসায়। আজ আমাদের বাসায় গিয়ে খাওয়া দাওয়া করে তার পর বাসায় যাবে।
নীল : কিন্তু ।
মিম : কোন কিন্তু না চলো তুমি।
এই সব বলতে বলতেই নীলের বাসায় চলে আসে মিম। বাসার সামনে এসেই তো অবাক মিমি এতো সুন্দর বাসা ।
মিম : কি দেখো ভিতরে চলো।
এর পর ভিতরে চলে আসে। সবাই।
মিম : নীল তুমি একটু কথা বলো আমি সব রান্না করে নিয়ে আসি। বুজছো আমার কথা। এটা বলেই চলে যায় রান্না করতে।
নীলা : ঠিক আছে ।
কিচ্ছু ক্ষন নীরবতা থাকার পরেই নীলা বলতে থাকে।
নীলা : আচ্ছা কেমন আছো নীল।
নীলা : জি ভালো আছি।
নীলা : অনেক তো উন্নতি করছো।
নীল : হুম। সব কিছুই আল্লাহ্ নেয়ামত।
নীলা : তোমার বউ ও কিন্তু খুব ভালো । আর অনেক সুন্দর ।
নীল; হ্যা জানি আমি সেটা।
নীলা : আচ্ছা একটি কথা বলি ।
নীল ;: হুম বলেন কি বলবেন।
নীলা : আমাকে ভালোবাসোনা আর তুমি ।
নীল : জী না। আমার বউ বাচ্চা আছে এদের শুধুমাত্র আমি ভালোবাসি।
নীলা : ওহ। তোমার সাথে অনেক অন্যায় করেছি আমি । আমাকে মাপ করে দাও তুমি প্লিজ।
নীল : সমস্যা নাই মাপ করছি আপনাকে ।
নীলা : আচ্ছা আর একটি কথা বলি।
নীল : হুম বলেন কি বলবেন।
নীলা : আচ্ছা আমি যে মা হতে পারবো না সেটা বলোনাই কেনো আমাকে।
নীল : এমনি বলিনাই। বাদ দেন এই সব।
নীলা : না বলতে হবে কেনো বলোনাই।
নীল : আমি চাইনি আপনি এই কথা শুনে কষ্ট পান।।
নীলা : এতো ভালোবাসতা আমাকে তুমি ।
নীল : জানি না ।
নীলা : অনেক শুখেই আছো তাই না নীল।
নীল : ইনশাআল্লাহ অনেক শুখেই আছি।
নীলা : আমাকে জিঙ্গেস করবে না আমি কেমন আছি।
নীল : প্রয়োজন মনে করি না।
নীলা : ওহ আচ্ছা ।
নীল : হুম।
নীলা : তোমাকে দেয়া কষ্ট গুলা । এখন আমি পাইতেছি। জানো নীল আমাকে না রনি খুব কষ্ট দেয়।
অন্য মেয়েদের নিয়ে ঘুরে বেরায়।
নীল : যেমন কর্ম তেমন ফল।
নীলা : জানো বাবার বাড়ি থেকে টাক না আনলে আমাকে মারে। কতো কি করে। আজ যে মেয়েটির সাথে গেছে ওর GF ওটা।
নীল : হুম বুজছি। কিন্তু কিছু করার নাই।
নীলা : অনেক কষ্ট নিয়ে বেছে আছি আমি নীল।
নীল : ওহ। বুজতে পারছি। জানেন আপনার মা আমাকে যে অপোবাদ দিছে।
আমি ওই সব কিছুই করিনাই। আমার অবশ্যই ভালো হয়েছে। অপোবাদ দেয়ার কারনে আমাকে বের করে দিছলে। এখন সেই কারনে আমি প্রতিষ্টিত।
নীলা : আমাকে তুমি মাপ করে দিও নীল। PLZZZ মাপ করে দিও।
নীল : আরে না আমি মাপ করে দিয়েছি।
এর মধ্যেই মিম এসে বলে খাইতে আসো সবাই।
নীলা টেবিলে খেতে গিয়ে দেখে এতো খাবার । এত আইটেম করেছে খাবারের।
নীলা : এতো জিনিস করতে কে বলেছে।
মিম : আপনি আমাদের অতিথি এইটুকু করতেই তো পারি।
নীলা : তাই বলে গুলা।
মিম: হ্যা এখন হাত ধুয়ে খেয়ে নীন তো।
নীলা : ঠিক আছে।
বলেই খুইতে ধরে। খাওয়া দাওয়া শেষ করে যখন নীলা চলে যাবে তখন মিম বলে উঠে।
মিম : আচ্ছা নীল তুমি থাকো আমি একটু এগিয়ে দিয়ে আসি।
নীল : ঠিক আছে।
এর পর যখন বাইরে আসে নীল আর মিম।
মিম : আমি কিন্তু তোমাকে চিনি।
নীলা : মানে। কেমনে চিনো।
মিম : তুমি নীলের বউ ছিলে আগে। নীল তোমাকে অনেক ভালোবাসতো। কিন্তু যা যা করছো।
নীল : কেমনে যানো।
মিম : নীল বলছে সব কিছু। আমাকে ।
নীলা : কিন্তু তুমি আমাকে চিনলে কেমনে।
মিম : তোমার একটি ফটো ছিলো নীলের কাছে।
নীলা : ওহ আচ্ছা হ্যা। আমি খারাপ কিছু করেছি।
মিম : তোমাকে বাসায় কেনো এনেছি যানো।
নীলা : কেনো এনেছো।
মিম : দেখো যে আমরা কতো শুখে আছি।
নীলা : হুম দেখতেই পেলাম তো। সব কিছু। আমার কপালে ছিলো না হয়তো।
মিম : তুমি খুব খারাপ একজন মহিলা।
নীলা নিশ্চুপ হয়ে আছে।
মিম : ঠিক আছে যান এখন আপনি। যাওয়ার টাকা আছে নাকি দিতে হবে।
এমন সময় রাস্তায় দেখে নীলা রনি???
পরবর্তী পর্বের জন্যে অপেক্ষা করুন ধন্যবাদ 💚গল্প : #__ঘর_জামাই__💚
#পর্ব : ( 9 ) আব্দুল হাসিব
এমন সময় দেখে। রনি অন্য একটি মেয়ের হাত ধরে রাস্তা হাটতেছে.?
নীলা দেখে ও না দেখার মতো করতেছে?
মিম : এই যে দেখেন তো আপু। এই যে আপনার ওনি স্বামী না । অন্য একটি মেয়ের হাত ধরে ঘূরতেছে?
নীলা : হ্যা। ওনি আমার স্বামী ?
বলেই নীলা রনির সামনে যায়।
নীলা : ও এটাই তবে তোমার বোন হয়।
রনি : মানে কী বলো। আর তুমি এখানে কি করো বুজলাম না।
নীলা : হুম আইছিলাম একটু এই দিকে। কিন্তু এসেই তো আমি অবাক হয়ে গেলাম।
রনি : এতো কথা বলতে চাই না তর সাথে??তোরে কি আমি বউ অধিকার দেইনাই।
খাবার পোষাক দেই না। এতো জিঙ্গাসা করিশ কেনো। আমি কি করি করি ❕
নীলা : তাই বলে তুমি রাস্তায় মেয়ে নিয়ে ঘুরবা হ্যা।
রনি : আমি ঘরবো কী ঘুরবো না আমার সেটা ব্যপার।
বলেই রনি মেয়েটাকে নিয়ে চলে যায়। তখনি মিম বলে.
মিম : কাউকে কাদিয়ে কেউ শুখি হতে পারে না।
নীলা সত্যি এখন বুজতে পারতেছে। জীবনে কতো বড় ভুল করেছি নীল কে কষ্ট দিয়ে। বাসা থেকে বের করে দিয়ে। ডিভোর্স দিয়ে।
কথা গুলা ভাবতেছে আর কান্না করতেছে।
নীল : ওই মিম ভিতরে আসো । বাহিরের মানুষের সাথে বেশি মিশতে নেই।
মিম : ঠিক আছে যাচ্ছি।
নীলা : আচ্ছা ভালো থাকিয়েন। আমি চলে যাই। অনেক ভালো লাগলো আপনার বাসায় এসে।
মিম : হুম ঠিক আছে। তবে আপনার জীবনে আরো অনেক কষ্ট আছে।
বলেই মিম বাসার ভিতরে আসে।
নীল : ওই তুমি এমন করলে কেনো।
মিম : কী করলাম গো জামাইটা।
নীল : তুমি তো নীলা কে চিনো কিন্তু ওকে নিয়ে আসলে কেনো আমাদের বাসায়।
মিম : হুম চিনি বলেই তো নিয়ে এসেছি।
নীল : তা কেনো?
মিম : সে দেখুক নীল এখন কতো শুখে আছে। আর কষ্ট নেই নীলের জীবনে। এখন টাকা পয়সা। গাড়ি বাড়ি সব কিছু আছে নীলের।
নীল : পাগলি মেয়ে একটা।
মিম : ওই কি বললে আমি পাগলি । ( বলেই নীলের কাছে যায় )
নিলের কাছে আসা মাত্রই মিম কে জরিয়ে ধরে। এতে করে মিম এর রাগ গুলা যেনো ভালোবাসা পরিনিত হলো।
নীল : এই মিম বউটা।
মিম : হুম বলো গো প্রানের স্বামী ।
নীল : তোমার ঠোট গুলা খাবো গো আমি দিবা একটু খাইতে।
মিম : হুমম গো সব কিছুই তো তোমার ।
নীল : হুম সব কিছুই আমার তবুও একটু বলতে হয় গো।
কথাটি নীল শেষ করবে তার আগেই মিম_উমমহাহাহা। উমাহহাহ উমাহাহাহ দিয়ে বসে?
মিম : হয়েছে এখন গো।
নীল : না জান হয়নি আরো চাই ।
বলেই নীল মিম এর শারিটা এক টানেই খুলে ফেলে আর (( আর কিছু কমু না বুঝিয়ে নেন ) )
নীল আর মিমের জীবন টা যে এতো সুন্দর ভাবে যাবে সত্যি এটা কখনো ভাবতে পারিনাই।
এই দিকে আবার নীলা বাসায় এসে দেখে। এখানে ও রনি একটি মেয়ে কে নিয়ে শুয়ে আছে।
এই রনী ছেলেটাকে বুঝা বড় দায় কখন কি করে বুঝাই যায়না। ভালো ব্যবহার আবার খারাপ ব্যবহার।
কিচ্ছুক্ষন পর রনি বাইরে আসে আর বলে।
রনি ; এই মা**গি রান্নার কর আমার কিছু বন্ধু আসবে আজ বাসায়।
নীলা যেনো রনির কথা গুলা শুনে থমকে গেলো।
নীলা : ঠিক আছে রান্না করতেছি আমি ।
বলেই নীলা রান্না ঘরে চলে যায়। রান্না করতে।
এখন প্রায় রান্না শেষ। নীলা বসে আছে।
রনি : এই রান্না শেষ হয়ে থাকলে আমাদের জন্যে একটু খাবার নিয়ে আয় উপরে।
স্বামী উপরে অন্য মেয়েকে নিয়ে সহোবাস করতেছে।
আর তার নিজের বউ কে নিয়ে খাবার ধরে ডাকতেছে।
নীলা : আমি পারবো না। নিয়ে যাইতে।
রনি : আর একবার বলতো পারবি না।
নীলা : হ্যা পারবো না আমি । তুমি অন্য একটি মেয়ে কে নিয়ে খারাপ কাজ করবে। আমি বউ হয়ে আবার ওই মেয়ের জন্যে খাবার নিয়ে যাবো। কেমনে ভাবেলে।
রনি : ঠাসসস ঠাসসস খুব কথা বলতে শিখেছিস দেখি।
(মুখটা চেপে ধরে )
নীলা : তুমি বাইরে কি করো না করো সমস্যা নাই তাই বলে বাসায় নিয়ে আসবা।
রনি : কেনো এটা কী তোর বাসা নাকি হ্যা। খাবার নিয়ে আয় উপরে।
নীলা না যেতে চাইলেও যেতে হলো।
রাত প্রায় 9 টা বাজে তখন 3 জন ছেলে আসে বাসায়। এদের কথাই মনে হয় রনি বলেছে।
রনি : কি রে কেমন আছোস তোরা। আজ অনেক দিন পর দেখা তাই না।
হ্যারে বন্ধু অনেক দিন পর। এটা কি তোর বউ রে।
রনি : হ্যা রে তোদের ভাবি।
উফফফ উফফ সেই তো একটা জিনিস।
রনি : এ ভিতরে আয়তো এই সব নিয়ে পরে কথা হবে।
নীলা একটি জিনিস নোটিশ করে ছেলে 3 টা খুবাপ নজরে তাকাইতেছে।
রনি : নীলা একটু পর খাবার নীয়ে আসো সবার জন্যে ।
নীলা : ঠিক আছে।
এর পরেই শুরু হয় নেশা করা রনি ও তার বন্ধুদের প্রায় নেশা করতে করতে 12 টা বেজে গেলো। নীলা বাইরে বসে আছে।
এর মধ্যেই একজন বলে উঠে রনি আমি তোর বউকে চাই আজ রাতে।
রনি : কি বলিশ এই গুলা তুই। তোর ভাবি হয় তো।
হুম জানি কিন্তু আমার চাই আজকে। সাথে আর দুজনেও বললো আমরা ও চাই।
রনি : না হবে না।
যা তোরে 1 লক্ষ টাকা দিবো 3 জনে। তবুও আজ থাকবো।
রনি : সত্যি দিবি।
হ্যা দিবো একটি ব্যগ থেকে টাকা বের করে বলেএই নে টাকা।
এই দিকে টাকা দেখে তো রনির মাথা ঠিক থাকে না।
কিরে কি ভাবতেছিস।
রনি : আচ্ছা ঠিক আছে আমি রাজি।
তবে তর বউকে রুমে ডাক তোই বাইরে যা।
রনি : নীলা এ নীলা ভিতরে আসো তো।
নীলা ও চলে আসে বলো কি বলবা।
রনি ': আজ এরা 3 জন তোমার সাথে রাত কাটাবে
বলেই রনি বাহিরে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দেয় ____
নীলা : ওই রনি কি করতেছো তুমি এই সব।
আর তখনি ______
পরবর্তী পর্বের জন্যে অপেক্ষা থাকুনগল্প : #__ঘর___জামাই_
#পর্ব : (10 ) (শেষ) লেখা : হাসিব
দরজা লাগিয়ে দিয়েই ৩ জনেই। নীলার উপর ঝাপিয়ে পরে।
নীলা : বাছাও রনি আমাকে প্লিজজ। আমার খুব কষ্ট হচ্ছে আমাকে বাছাও না হলে আমি মারা যাবো।
রনী যেনো নীলার কথা শুনতেই পাইতেছে না।
এই দিকে আবার??পাগলা কুকুরের মতো।
প্রায় 2/ 3 ঘন্টা নীলার সাথে এমন খারাপ কাজ করে।
নীলা কে যেনো মেরেই ফেলবে প্রায়।
তবুও রনি আসতেছে না বাছাইতে একটুও। মনে হচ্ছে নীলাকে দিয়ে রনি ব্যবসা করতেছে।
কিছুক্ষন পর 3 জন বের হয়েই বলতেছে।
বা রনি তোর বউ তো সেই একটি জিনি*স রে ।
রনি : তাই নাকি রে। ভালো লাগছে তোদের।
হ্যা ভালো লাগবে না কেনো বল।
রনি : আচ্ছা এতো কথা বাদ এখন যা তোরা।
ঠিক আছে বন্ধু ভালো থাকিস মাঝে মাঝে আসবো কিন্তু আমর।
রনি : আচ্ছা ঠিক আছে আসিস রে।
এদের সবাই কে বিদায় দিয়েই রনি নীলার কাছে চলে যায়। গিয়েই দেখে পুরা বিছানায় রক্তে হাহাকার করতেছে।
রনি : এই ঠিক আছিস তুই।
নীলা নীশ্চুপ হয়ে আছে। কোন কথাই বলতেছে না।
রনি : কিরে কথা বলতেছিস না যে।
নীল :................?
রনি এবার একটু ভয়েই পেলো কিছু হলো না তো এটা ভেবে গায়ে হত দিয়ে একটু দেখে।
রনি : এই উঠ। আমার রাগ উঠাবি না কিন্তু বললাম তোকে আমি ।
তবুও নীলা কোন শারা দিতেছে না।
এবার সত্যি রনি ভয় পেয়ে যায় আর ভালো করে দেখে যে নীলা আর বেছে নেই।
রনি : আমি এটা কী করলাম। নীলার সাথে। আর এখন আমার কি হবে।
কিছু একটা করতেই হবে না হলে আমারকে পুলিশ ধরবে। যেই ভাবা সেই কাজ নীলাকে গুম করে ফেলে রনি।
এই ভাব রনির দিন যাচ্ছিলো। কিন্তু কোন ভাবেই নীলার সৃতি গুলা ভুলা যাচ্ছে না।
নীলার কোন ফোন না পেয়ে ওর মা ও একটু ভয় খেয়ে যায়।
তাই নীলাকে খুজতে নীলার বাসায় যায় গিয়ে দেখে যে কেউ বাসায় নাই।
বাসায় কেউ না থাকায় তাই একটু নীলার রুমে যায় গিয়ৈই দেখে যে পুরা রুমটা রক্তে ভর্তি।
তার মানে কি নীলাকে????
না এটা হতে পারে না । বলেই নীলার মা সোজা পুলিশের কাছে গিয়ে রিপোর্ট জানায়।
পুলিশ ও নীলার খোজে বের হয়। কিন্তু নীলাকে খুজে পায় না।
অবশেষে রনীর বাসায় চলে যায় পুলিশ গিয়ে দেখে যে। রনি নেশা করতেছে।
পুলিশ : এই সবাই এই বাসাটা চেক করো।
রনি : আমার বাসা চেক করবে মানে কি হ্যা।
পুলিশ : নীলা কোথায় বলো।
রনি : নীলা নীললা???
পুলিশ : নীলা নীলা বাদ দিয়ে বল নীলা কোথায় ?
রনি : ও নীল বাইরে গেছে।
পুলিশ : ফোন দে নীলা কে এখনি।
রনি : নীলা বিজি আছে। আমি একটু আগে কথা বলেছি।
পুলিশ : যা বলছি তাই কর.?
রনি : ঠিক আছে।
বলেই রনি ফোন নেয়ার জন্যে টেবিলের কাছে গিয়েই পালানোর চেষ্টা করে।
আর তখনি পুলিশ ধরে ফেলে।
পুলিশ : ঠাসসসস ঠাসসস বল নীলা কোথায় ।
রনি : আমি সত্যি জানি না নীলা কোথায় ?
স্যার স্যার আমি নীলার রুমে দেখেছি অনেক রক্ত পরে আছে পুরা রুমে ( নীলার মা )
রনি : না স্যার ওনি মিথ্যা বলতেছে।
পুলিশ : সবাই উপরে চলো। উপরে গিয়ে রক্ত দেখতে সবাই পেলো কিন্তু ??
নীলাকে খুজে পাওয়া গেলো না।
পুলিশ : আবার ও বলতেছি বল নীলা।
রনি কোন কথা বলেনা। কিন্তু ফ্রিজ দিকে একটু একটু করে তাকাচ্ছে ।
পুলিশ ব্যপার টা বুঝতে পেরে যখনি ফ্রিজটা খুলবে।
রনি : স্যার আপনাকে আমি 20 লক্ষ টাকা দিবো আপনারা চলে যান।
পুলিশ : ঠাসসসস? তোর কি মনে হয় আমাদের কিনতে পারবি।
বলেই পুলিশ টি ফ্রিজ খুলে আর দেখে নীলাকে টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলে রাখছে রনি।
পুলিশ : দেখেন তো এটা আপনার মেয়ে নাকি ?
নীলাকে দেখেই নীলার মা ঙ্গান হারিয়ে ফেলে।
পুলিশ : এতো কষ্ট দিয়ে মেরে ফেলেছিস মেয়েটাকে।
রনি : আমি মারি নি স্যার।
পুলিশ : কে মরেছে হ্যা বল সব কিছু।
এর পর রনি সব কিছু খুলে বলে পুলিশ কে।
পুলিশ : তুই এতো খারাপ হ্যা তোর বউকে। অন্য লোকেরা ধর্ষন করলো আর তুই ছি ছি ছি।
তোর তো ফাসি হবে। আচ্ছা তুই এমন করে কেটে ফ্রিজে রাখলি কেনো।
রনি : বাইরে নিয়ে গেলে মানুষ দেখবে তাই এমন করছি।
পুলিশ : মানুষ এতো খারাপ হয় কেমনে। তোর মনে কি একটু ও মায়া ছিলো না।
রনি : আমার ভুল হয়েছে আমাকে মাপ করে দিন স্যার।
পুলিশ : আমরা তোক কেমনে মাপ করবো। তোর বিছার ত আইন করবে।
এর পরে পুলিশ রনি কে নিয়ে যায় আর। রনির ফাসির রায় হয়।
অন্য দিকে নীলার মা এতো বড় কষ্ট সজ্য করতে না পেরে। পাগল হয়ে যায়।
নীল আর মিম অন্য দিকে শুখের সংসার করে।
সমাপ্তি ✔ The End❕
এখানে একটি কথা বুজলাম ভেবে চিন্তে কাজ করবেন। একবার একটি লোক হারিয়ে গেলে আর ফিরে আসে না। কাউকে ভুল বুজার আগে অবশ্যই জেনে নিবেন সত্যি কি সে ভুল করেছে।
এর পর কেমন গল্প চাই কমেন্ট করুন ধন্যবাদ । আমার জন্যে সবাই দোয়া করবেন।
❤আল্লাহ্ সর্ব শক্তি মান❤
