'গল্প: #তোমায়_ঘিরে_প্রেম।

পর্ব : ( ২ )

লেখক: #মি_হাসিব 


'তমা হাসিবের রুমে এসে দেখে হাসিব নিরবে কান্না করতেছে যেই কান্নার কোন শব্দ নেই। তমা কাছে গিয়ে বলে! কান্না করতেছো কেনো তোমার তো এখন খুশি হওয়ার কথা?


'কথাটি শোনা মাত্রই হাসিব দুচোখ মুছে বলে।

কোথায় কান্না করতেছি আমি তো ঘুমিয়ে-ছিলাম তমা।


'থাক আর মিথ্যা বলতে হবেনা।

তোমার সঙ্গে আমি ৫টি বছর সংসার করেছি আমি জানি তুমি কেমন।


'এখানে এসেছো কেনো? মানুষ দেখলে কি বলবে হু।

তারা-তারি রূদ্রের রুমে চলে যাও প্লিজজজ।


'চুপ করো! আমি এখানে থেকে কোথাও যাবোনা।

আমি তোমার কাছে থাকবো তোমাকে ছাড়া বাচবো না।

প্লিজ আমাকে ফিরিয়ে দিওনা।


'তমা তুমি পাগল হয়েছো নাকি। 

এখন তুমি অন‍্য একজনের বউ আমার বউনা যে আমার সঙ্গে থাকবে।

দয়া করে চলে যাও।


'যাবোনা 'কথাটি বলেই তমা হাসিবকে জরিয়ে ধরে কান্না করতে থাকে মুহূর্তেই রূদ্র রুমে প্রবেশ করে বলে উঠে 'বাহ খুবেই ভালো।

আরো ঘশা-ঘশি করো।

নিজের বউকে ডিভোর্স দিয়ে আমার কলায় ঝুলিয়ে দিলে।

মেনে নিলাম ভাই কিছুদিন পর মারা যাবে জন‍্যে এখন দেখতেছি ছোট ভাইয়ের বউকে রুমে ডেকে ছিইইইই ছিইই বলতেই পারতেছি না।


'তমা আমাকে ছেরে দাও।

তুমি রূদ‍্রের রুমে যাও।


'না আমি তোমাকে ছেরে কোথাও যাবোনা হাসিব।

আমি তোমাকে বড্ড ভালোবাসি।


'তমা পাগলামি করিওনা।

তোমাকে কতো করে বললাম তুমি চলে যাও চলে যাও আমার কথা শুনলেনা এখন রূদ্র ভুল বুঝতেছে না।


'থাক আসতে হবেনা। আমার বউকে তোমার কাছেই রাখো।


'ভাই শোন আমাকে অবিশ্বাস করিশনা।

তমা আমাকে অনেক ভালোবাসে জন‍্যেই এমন কাজ করেছে।

আমি তমাকে বলতেছি ও আর কোনদিন আমার কাছে আসবেনা।


'হয়েছে আর বলতে হবেনা।

কথাটি বলেই রূদ্র তমার হাতটি ধরে জোর করে নিজের রুমে নিয়ে আসে 

দেখো তমা আর যদি কখনো তুমি হাসিবের কাছে যাও খুব খারপ হবে।


'আমি একশতবার যাবো আমাকে কেউ আটকাইতে পারবেনা।


'যাইতে পাবেনা মানে পাবেনা।

আমি তোমার স্বামী আমার কথা শুনতেই হবে।


'আমি যাবো বলছিনা আমি যাবো।


{তমার কথাটি শেষ হওয়া মাত্রই রূদ্র কশে একটি থাপ্পর দেয় তমাকে।

এই মা******** বেশি কথা বলবিনা বুঝলি।

আমি যেটা বলবো তোকে সেটাই শুনতে হবে নাহলে মেরে ফেলবো}


'হ‍্যাঁ আমাকে মেরেই ফেল।

তোর মতোন স্বামীর আমার দরকার নাই।

তুই একটা নরপশু?


(রূদ্র আবার কশে থাপ্পড় মারে ' অন‍্যদিকে হাসিব তার রুমে থেকে সব শুনতেছিলো আর অঝরে কান্না করতেছিলো।

কি করবে কিচ্ছু ভেবে পাচ্ছিলোনা! না পারতেছে বাধা দিতে না পারতেছে কিচ্ছু করতে হাসিব যেনো অসহায়)


{প্রিয় পাঠক পাঠিকা আসসালামু ওয়ালাইকুম আপনারা সবাই কেমন আছেন কমেন্টে জানাবেন , যে কথাটি বলতে চাইতেছি গল্প এবং বাস্তবতা ভিন্ন! গল্পকে কখনো বাস্তবার সঙ্গে মিলাবেন-না।

গল্প হলো গল্পোই গল্প কখনো বাস্তব হয়না। দয়া করে গল্পটিকে শুধুমাত্র বিনদনের জন‍্যে পরবেন! আর বাস্তবতা নিয়ে যখন লিখি তখন বলেই দেই বাস্তব জীবনের সঙ্গে মিল আছে! আশা করি আমি কি বোঝাইতে চাইছি সবাই বুঝেছেন। প্লিজ আবারো বলতেছি আমার এই গল্পটিকে শুধুমাত্র বিনদন হিসেবেই নিবেন! এই গল্পটির সঙ্গে বাস্তবে মিল নেই।

শুধুমাত্র আপনাদের আনন্দ দেয়ার জন‍্যে}


'এরপর হাসিব ঘরির দিকে তাকিয়ে দেখে সকাল ১০টা বাজে , হাসপাতালে যাইতে হবে ' থেরাপি নিতে হবে।

নাহলে শরীর আরো খারাপ হবে। এসব ভাবতে ভাবতে কাগজ পত্র নিয়ে হাসপাতালের দিক রহনা দেয়' প্রায় ঘন্টা খানিক পর হাসপাতালে পৌছিয়ে দেখে ডাক্তার নেই! ডাক্তার বদলি হয়ে অন‍্যকোথাও চলে গেছে।

তার স্থানে এখন নতুন ডাক্তার এসেছে।

হাসিব নতুন ডাক্তার কে গিয়ে বলে।


'ডাক্তার সাহেব আমি হাসিব।

আমার এইইইই সমস্যা............? থেরাপি দিতে এসেছি।


'তখন ডাক্তার হাসিবে কথা শুনে কিছুটা হেসে বলে।

ধুর মিয়া ফাজলামি করতে এসেছেন সুস্ত মানুষ হয়ে।


'ফাজলামি করবো কেনো হ‍্যাঁ।

আমি সত‍্যিই বলতেছি।


'কখনোই না অবশ্যই আপনি মিথ্যা বলতেছেন।


'ডাক্তার এই যে আমার রিপোর্ট দেখেন।

সত‍্যিই আমি অসুস্থ।


'এরপর ডাক্তার রিপোর্ট দেখে বলে 'ওয়েট আমি আপনার আবার পরিক্ষা করবো দেখতে চাই আপনি সত‍্যিই কি অসুস্থ নাকি নাটক।

আসুন আমার সঙ্গে।


'তো হাসিব গিয়ে আবার পরিক্ষা করে'

পরিক্ষার পর দেখতে পায়...........................?


পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় থাকুন।

গল্পটি ভালো লাগলে কমেন্ট করুন, পরের পর্ব এখানেই দেওয়া হবে ধন্যবাদ। 

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url