#এক_রাত্রি
#২য়_+৩য় পর্ব
#অনন্য_শফিক
'
'
'
তৃষ্ণা ভয়ে ঝিম মে৷ রে গেলো একেবারে। তারপর কাঁপা কাঁপা গলায় বললো,'কী হচ্ছে এসব মিতু!তোমার কী মাথা খারাপ হয়ে গেছে?'
মিতু ওর গালে এক চ৷ ড় বসিয়ে দিয়ে বললো,'হ্যা মাথা খারাপ হয়ে গেছে।মাথা খারাপ মানুষেরা অনেক কিছু করতে পারে। আমিও এখন অনেক কিছু করবো।'
'কী করবে?'
'তোকে ন্যাং৷ টো করবো। তারপর একটা ক্ষুর দিয়ে টেনে টেনে তোর সুন্দর রুপ আমি নষ্ট করবো।'
তৃষ্ণা ভয়ে চিৎকার করে উঠলো।
'ইশতিয়াক,এই ইশতিয়াক, এইদিকে আয়।দেখে যা মিতু কী সব বকছে?'
ইশতিয়াক এলো না।
তৃষ্ণা ভয়ে কাঁপছে।ওর কপালটা ঘামছে। প্রচন্ড রকম ঘামছে।
মিতু বললো,'ইশতিয়াক এখানে আসবে না। আমার চ৷ ড় খেয়ে ওর আক্কেল গুড়ুম হয়ে গেছে একেবারে!'
তৃষ্ণা ভীষণ রকম চমকে উঠে বললো,'মানে তুমি ইশতিয়াকের গায়েও হাত তুলেছো!'
'তো তুলবো না!বাসর রাতে নিজের বউকে ঘরে বসিয়ে রেখে ভাবীর সাথে---'
তৃষ্ণা ধমক দিয়ে বললো,'মুখ সামলিয়ে কথা বলো মিতু। তুমি এখন বেশি বেশি বলছো!'
তৃষ্ণার ধমকে তার ঘুমন্ত মেয়ে ইন্দ্রাও জেগে উঠে।সে ভয়মাখা চোখে কেমন তাকিয়ে থেকে দেখছে মা আর কাকীমাকে।ওরা শেষ রাতে এসব কী শুরু করেছে! কিছুই বুঝতে পারছে না সে!
'
সন্ধির মাথা ধরেছে গতকাল থেকে।সে ইশতিয়াকের বড় ভাই কমল হাসানের মেয়ে। বারহাট্টা গার্লস স্কুলে সে ক্লাস টেনে পড়ে।ছ' মাস পর তার ফাইনাল পরীক্ষা। ছোট কাকার বিয়ের ঝামেলার জন্য আর নীলয়ের পাগলামির জন্য গত তিনদিন তার পড়াশোনা মাটি হয়েছে।তাই আজ সে মাথা ধরা নিয়েই শেষ রাতে উঠে পড়তে বসেছিল। কিন্তু মেজো কাকিমার চিৎকার শুনে পড়াশোনা রেখে দৌড়ে গেল কাকিমার ঘরের দিকে। গিয়ে দেখে অবাক কান্ড।মেজো কাকি আর ছোট কাকি দুজন চুল টানাটানি করছে।মেজো কাকিমার গায়ের শাড়ি অর্ধেক খুলে ফেলেছে ছোট কাকি। আগে থেকেই যে একটা বুক খোলা ছিল তৃষ্ণার সেই বুক এখন স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।সন্ধি ভয় পেয়ে গেল।তার পায়ের পাতা পর্যন্ত কাঁপছে।এসব কী হচ্ছে বাড়িতে!তাও নতুন কাকিমার সাথে মেজো কাকিমার।মেজো কাকিমা তো চুপচাপ স্বভাবের মহিলা।তার মা রেগে গিয়ে কতবার মেজো কাকিমার গাল খসে চ ড় বসিয়েছে,বুম করে পিঠে কি ল বসিয়েছে তবুও কাকিমা টু শব্দ পর্যন্ত করেনি। মা যখন শান্ত হতো তখন মেজো কাকিমাকে আড়ালে ডেকে নিয়ে বলতো,'তুই কী আমার উপর রাগ করছস তৃষু?'
মেজো কাকিমা তখন হেসে ফেলতো মৃদু করে। তারপর বলতো,'বড় বোন তো ভালোর জন্যই মা৷ রে। এই জন্য রাগ করার কী আছে?'
সেই মেজো কাকিমার আজ কী হয়েছে হঠাৎ?আর ছোট কাকিমারই বা কী হলো?
'
সন্ধি পাগলের মতো ছোট চাচ্চুকে খুঁজতে লাগলো। কিন্তু ছোট চাচ্চুকে বাড়িতে পাওয়া যাচ্ছে না।বাবা মা এখনও ঘুমে।সে কী তবে নীলয় ভাইয়াকে ডাকবে?
নীলয়ের কথা মনে হতেই ওর পড়শুদিনের কথা মনে পড়ে গেল। ছোট চাচ্চুর বিয়েতে বরযাত্রী গিয়েছিল ওরা।সন্ধি গোলাপ রঙা সুন্দর একটা শাড়ি পড়েছিল। কনের বাড়ির উঠোনে সে দাঁড়িয়েছিল একা। হঠাৎ একফালি বাতাস এসে তার শাড়িটা এলোমেলো করে দিয়েছিল। পেটের কাছ থেকে শাড়ি সরে গিয়েছিল একপাশে।তখন ভেসে উঠেছিল তার পদ্মফুলের মতো নাভী।
সন্ধি খেয়াল করেনি।তার দিকে একপাল ছুঁচো ছেলে হা করে তাকিয়ে দেখছিলো। ওদের জিহ্বা দিয়ে লালা জড়ছিলো যেন!
আর এই সময় কোথা থেকে যেন ওর নীলয় ভাইয়া আসে পাগলের মতো ছুটে। তারপর ওর একটা হাত শক্ত করে ধরে ওকে নিয়ে যায় গাড়িগুলোর দিকে। তারপর একটা গাড়ির দরজা খুলে এক ধা৷ ক্কা য় ফেলে দেয় তাকে গাড়ির ভেতর। তারপর ওর গলা চেপে ধরে বলে,'শরীর দেখানোর খুব শখ তাই না?তো আমাকে দেখা!খোল। সবগুলো কাপড় খোল।আমি দেখবো।আমি দেখতে চাই!'
সন্ধি কেঁপে উঠেছিল ভয়ে। কেঁদে ফেলেছিলো।সে কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলো,'ভাইয়া, আমার সাথে এমন করছো কেন?'
নীলয় ওর গালে একটা চুমু এঁকে দিলো। তারপর অনেকক্ষণ জড়িয়ে ধরে রাখলো সন্ধিকে।সন্ধি ওর বুকের ভেতর থেকেই ভয়ে কাঁপছে।
এরপর নীলয় সন্ধির মাথার দু পাশে দু হাত দিয়ে আলতোভাবে চেপে ধরে বললো,'সন্ধি,তুই শুধু আমার।তোর রুপ,সুন্দর্য শুধু আমার জন্য।অন্য কাউকে দেখাবি কেন তুই তোর শরীর?'
সন্ধি জানতো না কোনদিন নীলয় তাকে পছন্দ করে।সে এমনিতেই নীলয়কে ভয় পেতো।কারণ ওর বারো বছর বয়সে একটা ঘটনা ঘটেছিল।কী একটা বিষয় নিয়ে যেন রেগে গিয়ে নীলয় তাকে ধা৷ ক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দিয়েছিল।আঘাতটা পেয়েছিল সন্ধি প্রচন্ড। তারপর সে টের পেলো তার তল পেটের চিনচিন করা ব্যথাটা। তারপর যখন মাটি থেকে উঠতে যাবে তখন সাদা ট্রাউজার আর পায়ের গোড়ালিতে র৷ ক্ত দেখে চমকে উঠলো সন্ধি। এবং চিৎকার করে জ্ঞান হারালো সে।
অবশ্য এরপর সে বুঝতে পেরেছে বয়স হলে মেয়েদের এমন হয়।প্রতি মাসের কয়েকটা দিন তারা অসুস্থ থাকে। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু সেদিন প্রথমবারের মতো সে ভয় পেয়েছিলো। নীলয়ের প্রতি আজ অবধি তার সেই ভয় কাটেনি! এছাড়াও ছোট বেলা থেকেই নীলয়ের শাসনে শাসনে সে বড় হয়েছে।নীলয় ঘাড়ত্যাড়া আর ভীষণ একরোখা ছেলে। ছেলেকে ঠিক রাখতে পারে না বলেই তার মা মামার বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে ।নীলয় একমাত্র ভয় পায় কমল হাসানকে।কমল হাসান ধমক দিলে তার কাপড় নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়ে যায়। কিন্তু ইশতিয়াককে সে ভয় পায় না।ইশতিয়াকের চেয়ে নীলয় পাঁচ বছরের ছোট হলেও ওরা বন্ধুর মতোই। সন্ধি ভয়ে ভয়ে নীলয়ের ঘরের কাছে গিয়ে দরজায় টোকা দিতে যাবে তখন দেখে সে দরজা বাইরে থেকে লক করা।সন্ধি এখন কী করবে?সে কী বাবা মাকে ডেকে তুলবে?
'#এক_রাত্রি
#৩য়_পর্ব
#অনন্য_শফিক
'
'
'
সন্ধি ডাকলো তার মাকে।
'ওমা,মা শুনছো?'
সন্ধির মা জাহানারা বেগম চমকে উঠলেন ঘুম থেকে। তারপর ভয়মাখা গলায় বললেন,'কী হয়েছে সন্ধি?কী হয়েছে?'
সন্ধি ফিসফিস করে বললো,'আস্তে। তুমি একটু উঠে আসো।'
জাহানারা চুপচাপ বিছানা থেকে উঠে এলেন বাইরে।সন্ধি এবার বললো,'আমার সাথে মেজো কাকিমার ঘরে আসো।'
জাহানারা কিছু বললেন না। তিনি সন্ধির সাথে তৃষ্ণার ঘরে গিয়ে চমকে উঠলেন। তৃষ্ণার চুল এলোমেলো।শাড়ি অর্ধেক খোলা।মিতুর চুলও এলোমেলো। তবে ওরা এখন আর একজন অপরজনের চুল টেনে ধরছে না। তবে মিতু এই সময় একটা ভয়ংকর কথা বলেছে।
এবং এই কথাটাই গিয়ে শুনতে পেয়েছে জাহানারা।
মিতু বলছে,'তোর একটুও খারাপ লাগে না এমন ফুটফুটে একটা মেয়ে রেখে দেবরের সাথে বেড শেয়ার করতে!'
ঠিক তখন জাহানারা বেগম আর সন্ধিকে আচমকা দেখে ওরা কেঁপে উঠলো।
তৃষ্ণা হাউমাউ করে কেঁদে উঠলো। বললো,'ভাবী, বিশ্বাস করো মিতু সব বানিয়ে বানিয়ে বলছে!'
মিতু বললো,'কিছুই বানিয়ে বলছি না।সব সত্যি।বড় ভাবী,তোমরা সব আগে থেকেই জানতে।জানতে যে তোমাদের মেজো বউ একটা প্রস্টিটিউট। নিজের দেবরের সাথে সে বেড শেয়ার করে। মেলামেশা করে!'
জাহানারা বেগম রাগে কাঁপছেন। কাঁপতে কাঁপতে তিনি বললেন,'মিতু,কী বলেছো তুমি?'
মিতু হেসে বললো,'বলেছি আপনারা সবাই জানতেন ইন্দ্রার মা একটা খারাপ মেয়ে।ইশতিয়াকের গার্লফ্রেন্ড ও। প্রতিরাতে ওরা একসাথে থাকে। আমার তো মনে হয় ইন্দ্রাও ইশতিয়াকের সন্তান।'
জাহানারা বেগম নিজেকে সামলে রাখতে পারলেন না।এক চ৷ ড় বসিয়ে দিলেন মিতুর গালে। তারপর বললেন,'তোমার এতো বড়ো সাহস!'
মিতু একটুও ভয় পেলো না।দমেও যায়নি মোটেও।সে তার গালে হাত দিয়ে আলতোভাবে নাড়াচাড়া করতে করতে বললো,'মে রে ছো ভালো কথা। কিন্তু আমায় মে রে তো সত্যিটা লুকোতে পারবে না। আমার নিজের হাতে নাতে ধরা পড়েছে ওরা। '
তৃষ্ণা কিছু বলার সুযোগ পাচ্ছে না।বলতে দিচ্ছে না কিছু ওকে।ইন্দ্রা ছোট মানুষ। একবার সজাগ হয়েছিল ওর মা৷ র ধমকের আওয়াজ শুনে। তারপর আবার ঘুমে তলিয়ে গেছে। সন্ধি এতোক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিল এখানেই। জাহানারা বেগম ওর দিকে তাকিয়ে চোখ লাল করে বললেন,'এখান থেকে যাও বলছি। গিয়ে পড়তে বসবে না আবার। সোজা ঘুম।'
কিন্তু সন্ধি সরাসরি ঘুমোতে গেলো না।সে দরজা থেকে খানিকটা সরে গিয়ে দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়ালো।সে এখান থেকে শুনতে চায় সবকিছু।এই বয়সটা এমনি। নিষিদ্ধ সবকিছু শুনতে এবং করতে ইচ্ছে করে শুধু!
'
সন্ধি এখানে দাঁড়িয়ে থেকে ভাবছে,মিতু কাকিমার কথা তো একেবারে অসত্য হওয়ার কথা না।সে তো রাত জেগে পড়ে। অনেকবার সে লক্ষ্য করেছে রাত এগারো বারোটার দিকে ছোট চাচ্চু ইন্দ্রাদের ঘর থেকে ফিরে। একদিন তো ইন্দ্রাদের ঘরের দরজার সামনে অন্ধকারে দুজনকে ফিসফিস করতেও দেখা গেছে!
'
জাহানারা মিতুকে বললেন,'তুমি না এ বাড়িতে নতুন এসেছো।তো এই একদিনেই সব জেনে ফেলেছো।'
মিতু বললো,'জেনে ফেলিনি। সবকিছু দেখে ফেলেছি।'
'কী দেখে ফেলেছো?'
'ইশতিয়াক বাসর রাত আমার সাথে যাপন করেনি।করেছে ওর সাথে।'
তৃষ্ণাকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বললো মিতু।
জাহানারা বললেন,'তোমার সাথে বাসর করেনি এটা মানলাম। কিন্তু ও যে তৃষ্ণার ঘরে ছিল এটা কীভাবে তুমি জানো?'
আমি দরজা খুলে বারান্দায় এসেছিলাম। এসে দেখি ইশতিয়াক এই অন্ধকারেই
ইন্দ্রাদের ঘর থেকে বের হচ্ছে। তারপর ওখান থেকে এসেই ও লুঙ্গি গামছা নিয়ে সোজা বাথরুমে ঢুকে গেল। গোসল করলো। বাথরুম থেকে বেরিয়ে সে আমায় সরি বলেছে।বলেছে আমার সাথে বাসর করতে পারেনি বলে সে সরি!'
জাহানারা বেগম চমকে উঠলেন।এটা কী আসলেই সত্যি? এতো দিন তবে তার চোখে কেন পড়েনি এসব?পড়লে আগেই তৃষ্ণাকে আউট করে দেয়া যেতো এখান থেকে!
জাহানারা বেগম এমনিতেও চাইতেন তৃষ্ণা মেয়ে নিয়ে এখান থেকে কে টে পড়ুক। কিন্তু পারেন না তার স্বামী আর মেয়ের জন্য।সন্ধি ইন্দ্রাকে ছাড়া কিছুই বুঝে না।যেন ওরা আপন বোন।আর কমল হাসানও ভাইবৌকে এতো সোহাগ করেন যে যেন তারা আপন ভাই-বোন। এবার সুযোগ পাওয়া গিয়েছে। এবার আর কমল হাসানের মাথা ঠিক থাকবে না। তৃষ্ণার মতো দুশ্চরিত্র মেয়েকে তিনি সহ্য করবেন না কিছুতেই।ঘাড় ধা৷ ক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দিবেন। তখন সম্পত্তি তিন ভাগ থেকে দু'ভাগে নেমে আসবে। তিনি মনে মনে আরেকটা দোয়া করেন। ইশতিয়াক হারামজাদাটাকে যদি কোনভাবে বুদ্ধি শুদ্ধি দিয়ে খু৷ নি টুনি বানিয়ে ফেলানো যেতো! তবে তো সব সম্পত্তির মালিক হয়ে যেতো সে!
জাহানারা বেগম তৃষ্ণাকে বললেন,'মিতু যা বলেছে এসব কী সত্যি?'
তৃষ্ণা কেঁদে উঠলো।
ভেজা গলায় বললো,'ভাবী,তোমারও এমন মনে হয়?'
জাহানারা বললেন,'শুধু বাচ্চাদের মতো ভে ভে করে কাঁদিস না তো!কান্না আমার পছন্দ না। এখন যা জিজ্ঞেস করেছি তা বল?'
তৃষ্ণা বললো,'এইসব জিজ্ঞেস করার চেয়ে এক শিশি বি৷ ষ এনে দাও আমায়। খেয়ে তোমাদের উদ্ধার করি!'
জাহানারা বেগম ভীষণ খেপে গেলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে তৃষ্ণার গালে একটা চ৷ ড় বসিয়ে দিয়ে বললেন,'আমাদের উদ্ধার করবি মানে?কথাটা আমার ভালো লাগলো না। এরপর থেকে এমন কথা বললে খুব খারাপ হবে!'
তৃষ্ণা বললো,'এরচে কী খারাপ হবে ভাবী? একজন প্রস্টিটিউট এর কাছ থেকে এরচেয়ে ভালো কী আশা করো তোমরা?'
জাহানারা বেগম বললেন,'খামুস।একদম খামুস। মুখে লাগাম লাগা।'
তৃষ্ণা তার গলা আরো বড় করলো।সে বললো,'তোমার কথায় আমি চুপ করবো কেন? তুমি কে? তুমি কী এ বাড়ির হর্তা কর্তা?'
জাহানারা বেগমের মাথায় র৷ ক্ত উঠে গেল কথাটা শুনে। তিনি মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েই নিলেন তৃষ্ণার সাথে ইশতিয়াকের কোন নোংরা সম্পর্ক না থাকলেও তিনি একটা নোংরা গল্প তৈরি করবেন। তারপর তৃষ্ণার উপর শোধটা সুন্দর করে তুলবেন তিনি। প্রতিশোধ নিবেন। প্রতিশোধ!!!
'
#চলবে,,,
বাকি পর্ব এই ওয়েবসাইটেই দিছি পড়ে নিন।
