#অবাধ্য_চাওয়া
#লেখিকা_আরিশা_জান্নাত_রিয়া# পর্বঃ ৩
[🚫কপি করা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ❌]
আজ মনে হয় তার অবাক হওয়ার দিন।সে ভাবতেই পারছে না তার বিয়ে তার ভাষুরের সাথে হয়েছে। আহিয়া ভাবতে পারছে না তার শাশুড়ী এতো বড় একটা সিন্ধান্ত নিল তাকে একবারো জানালো না৷ কোনো কথা না বলে সে ঘর থেকে বেড়িয়ে যেতে লাগলো। আরজান বললো।
-- কোথায় যাও।
আহিয়া বললো।
- মায়ের কাছে।
- মা এতো রাতে জেগে থাকবে না।
- তবুও আমার মায়ের সাথে কথা আছে।
- যা কথা আছে সকালে বলো।এতো রাতে মাকে জাগানো ঠিক হবে না।
- মা এতো বড় কথা আমার থেকে কেনো লুকালো।
আরজান কিছু বললো না তাকিয়ে রইলো আহিয়ার পানে। চোখ গুলো কেমন ফুলে রয়েছে। তাতে যেনো তার সুন্দরয্যৈ আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। আরজানকে তার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে আহিয়া চোখ নামিয়ে নিল। আরজান বললো,,
- কাল সকালে কথা বলো।এতো রাতে জাগালে মায়ের শরীর খারাপ করবে।
আহিয়া তাও ঘর থেকে বাইরে যেতে লাগলো।আরজান বললো।
- যেতে বারণ করলাম তো।
- আমি আমার ঘরে থাকতে চাই।
আরজান বললো।
- কেনো
- আমি এখানে থাকতে পারবো না।
- কি সমস্যা।
আহিয়া কিছু বলতে বললো না। তার তো কথা বলতেই লজ্জায় মরে যেতে ইচ্ছে করছে। একঘরে থাকবে কিভাবে। সে তো তার সাথে একঘরে থাকতে পারবেনা৷ দম বন্ধ হয়েই মরে যাবে।সে দরজা খুলেতে চাইলো। আরজান বললো
- মা কষ্ট পাবে।
- আমার আনইজি লাগছে।
- ফ্রেশ হয়ে শুয়ে পড়ো।আমি সোফায় শুয়ে পড়বো।
আহিয়ার চোখ টলমল করছে। এই দিন দেখার আগে তার মৃত্যুই শ্রেয় ছিল। আস্তে আস্তে হেটে বাথরুমে চলে গেলো। দরজা বন্ধ করে কল ছেরে দিল।তারপর হাউমাউ করে কাঁদতে শুরু করলো। সে কিভাবে এসব মেনে নিবে।আরজানের সাথে একঘরে থাকবে। ভাবতেই গলা ছেড়ে চিৎকার করে উঠলো। আরজান ঘর থেকেই সেই শব্দ শুনলো। হাতের মুঠো শক্ত করে রাখলো। কেটে গেলো কিচ্ছু সময়।
ছাদে,, নিরবতা চলছে সেই থেকে। অভি অনু কেউ কোনো কথা বলছে না। নিরবতা ভেঙে অভি বললো।
- এতো রাতে ছাদে কি।
অনু বললো।
- ঘুম আসছে না তাই। আপনিও তো ঘুমান নি।
- জীবনের হিসাব মিলাচ্ছি। জীবন বড়ই অদ্ভুত। এটা বুঝা কারো সাধ্য নাই।
- কি বলছেন ভাইয়া। আমি কিছু বুঝছি না।
- তোমার ছোট মাথায় এসব ঢুকবেনা। বড় হও সব আস্তে আস্তে বুঝবে।এখন ঘরে যাও। অনেক রাত হয়েছে
অনু কিছু না বলে চলে গেলো। সে জানে এখন তার কথা না শুনলে রাগ করবে।আহিয়া বাথরুম থেকে বেড়িয়ে আসলো। মুখ ধুয়ার জন্য মুখে পানি চিকচিক করছে। অসম্ভব সুন্দর লাগছে তাকে। আহিয়া দাড়িয়ে আছে। কোথায় শুবে বুঝতে পারছে না। আরজান বললো।
- খাটে শুয়ে পড়ো আহি।
আহি এই শব্দে যেনো তার শরীলে কম্পন ধরলো। এই নামে তো তাকে কেউ ডাকে না। একজন ডাকতো সে তো হারিয়ে গেছে অনেক আগে। এতো দিন পড়ে এই ডাকে তার কেমন যেনো লাগলো। তাড়াতাড়ি করে খাটের এক পাশে শুয়ে পড়লো। আরজানকে বললো।
- আপনি এই পাশে শুয়ে পড়ুন। আমার অসুবিধা হবে না।
আরজান কিছু না বলে বেলকুনিতে চলে গেলো।রকিং চেয়ারে বসে আকাশের দিকে তাকালো। মনে মনে কিছু বিড়বিড় করে চোখ বন্ধ করলো।
সকালে রোদের মিষ্টি ঝকানিতে আরজানের ঘুম ভেঙে গেল। ঘড়ে এসে দেখলো আহিয়া সেভাবে শুয়ে ছিল। এখনো ঠিক সেভাবেই আছে। সে কোন শব্দ না করে বাথরুমে চলে গেল। একটু পড়ে রুমে এসে দেখলো আহিয়া ঘরে নাই। সে জানে আহিয়া তার নিজের ঘরে চলে গেছে।সে আর কিছু না ভেবে নিচে নেমে গেলো। তার মায়ের মুখের দিকে তাকালো। তার মায়ের মুখে খুশির ঝলকানি।সে বসে পড়লো টেবিলে। তার মা তাকে খাবার দিয়ে বললো।
--আহিয়া কোথায়।
--ওর রুমে গেছে ফ্রেশ হতে।
শায়েলা বেগম আর কিছু না বলে আরজানকে খেতে দিতে লাগলো। একে একে সবাই চলে এসে বসে পরলো। আজমল চৌধুরী বললো।
- এবার তো অফিসে বসতে পারো তাই না।
- হু যাবো।
আজমল চৌধুরী খুশি হয়ে বললো।
-- সত্যি যাবে তুমি।
- তোমার কি মনে হয় আমি মিথ্যা কথা বলি।
- সেটা কখন বললাম।
- সেটাই তো মনে হচ্ছে আমার। আমি যখন বলেছি যাবো তার মানে যাবো।
আশরাফ চৌধুরী বললো।
- থামো তোমরা তর্ক করো না। বাপ বেটা নাকি বন্ধু সেটাই বুঝি না আমি।
শায়েলা বেগম লক্ষ্য করলো আগের দিন গুলোর থেকে আরজানকে অনেক প্রানওবন্ত লাগছে। সে বুঝলো তার সিন্ধান্তে কোনো ভূল নাই। সেটা তার ছেলের দিকে তাকিয়ে বুঝলো। আহিয়া নিচে নেমে আসলো। তার শাশুড়ী তাকে দেখে তার দিকে এগিয়ে গেলো বললো।
- এসো মা খেয়ে নাও।
আহিয়া আসলো কিন্তু তার সাথে কথা বললো না। বসে রইল চুপ করে। তার শাশুড়ী খাবার বেড়ে দিয়ে খেতে বললো। সে চুপচাপ খেতে লাগলো কোনো কথা বললো না। তার শাশুড়ী দেখলো আহিয়ার চোখ মুখ ফুলে আছে। তাহলে কি মেয়েটা সারারাত কেদেছে। তার কি কোনো ভূল হয়ে গেলো তবে।আহিয়া খেয়ে উপরে চলে গেলো। সেও তার পিছন পিছন চলে গেলো। আহিয়া ঘরে ঢুকতেই শুনতে পেলো।
- আহিয়া দারাও।
সে দাড়িয়ে গেলো। শায়েলা বেগম বললো।
- আমি কি কোনো অপরাধ করে ফেলেছি মা।
আহিয়া চাইলো তার শাশুড়ীর পানে। বললো
- এসব কি বলছেন মা৷
- তুমি নিরবতায় আমি এর বেশি কিছু ভাবতে পারছি না।
- সেসব কিছু না মা। আমার একটু সময় প্রয়োজন।আপনি বিচক্ষণ মানুষ। না ভেবে চিন্তে নিশ্চয়ই কিছু করেননি। রাতে অনেক ভেবে দেখেছি। আপনি যা করবেন আমার ভালোর জন্যই করবেন আমি জানি৷ আমার কোনো অভিযোগ নেই মা।
শায়েলা বেগম ভরসা পেলো একটু। সে ভিষণ ভয় পেয়ে গেছিলো।এখন তার সব চিন্তার অবশন হলো। সে বললো,,
- আচ্ছা মা তুমি রেস্ট নাও। আমি আসি,,
আহিয়া মাথা কাত করে সম্মতি জানালো। শায়েলা বেগম চলে যেতে গিয়ে ফিছনে ফিরলো বললো।
- তুমি ফ্রেশ হয়ে আরজানের ঘরে চলে যেও মা।
আহিয়া কোনো রকমে বললো।
- আচ্ছা মা।
শায়েলা বেগম চলে যেতেই সে বেলকনিতে চলে গেলো। আরজান আজ বাবার সাথে অফিসে গেছে। আজমল চৌধুরী সবার সাথে তার পরিচয় করে দিচ্ছে। মেয়ে স্টাফ গুলো হা করে তাকিয়ে গেছে তার দিকে। এত সুন্দর হ্যান্ডসাম স্যার তাদের অফিসে জয়েন করেছে। সবার মনে যেনো লাড্ডু ফুটছে৷ কোনো রকম একে পটাতে পারলেই লাইফ সাইন। এই সব ভেবে মেয়ে গুলো মনে মনে বাঁকা হাসি দিল।আজমল চৌধুরী তার কেবিনে আরজান কে এনে তার চেয়ারে বসিয়ে দিল।আরজান বললো
-- বাবা এটা তো তোমার চেয়ার আমাকে কেনো বসাচ্ছ।
- এটা এতোদিন আমার ছিল। আজ থেকে এই চেয়ার তোমার। আমি কোম্পানির সব দায়িত্ব তোমার কাধে দিলাম। আশা করি তুমি সব দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করবে।
আরজান বললো।
-- তুমি যখন আমাকে বিশ্বাস করে দায়িত্ব দিছো।আমি সেই বিশ্বাসের মান রাখবো ইনশাআল্লাহ।
আজমল চৌধুরী খুশি হয়ে চলে গেলো। আরজান চেয়ারে বসে ফাইল গুলো দেখতে লাগলো। বাড়িতে আহিয়া সারাদিন তার ঘরেই কাটালো৷ এখন তো সন্ধা লেগে গেছে৷। সে এবার কি করবে। তার তো এবার আরজানের ঘরে যেতে হবে। সে কি করবে এবার।অনু আসলো তার রুমে বললো।
- ভাবি মা ডাকে তোমাকে।
- কেনো
- জানি না।
- আচ্ছা তুমি যাও আমি আসছি৷
অনু চলে গেলো। আহিয়াও একটু বসে তারপর বাইরে গেলো৷ নিচে নামতেই শায়েলা বেগম বললো।
- আহিয়া মা এই শরবতটা আরজান কে দিয়ে আয় তো মা।
আহিয়া চমকে উঠলো। এই কাজের জন্য তার শাশুড়ী ডেকেছে। এবার সে কি করবে।সে হাত মুচরা মুচরি করতে লাগলো। শায়েলা বেগম সেটা দেখেও পাএা দিল না৷
- যা মা তাড়াতাড়ি যা ছেলেটা ঘেমে অস্থির হয়ে গিয়েছে। যা গরম পড়েছে আজ।
আহিয়া শরবতটা হাতে নিয়ে সামনের দিকে পা বাড়ালো। হাটতে হাটতে আরজানের দরজার সামনে দাড়ালো সেকি রুমে ঢুকবে৷ আরজানকে সে কি বলবে৷ কিভাবে কথা বলবে। সেসব ভাবলো সে। দরজায় হাত রাখতেই শুনতে পেলো।
- এভাবে শরবতটা হাতে নিয়ে সারাদিন পার করলে আমার ক্লান্তি আর দূর হবে না।
আহিয়া থতমত খেয়ে গেলো৷। দেখলো কিভাবে তাকে সে কি অনেক বেশি শব্দ করে হাটে। কই সে তো একদম আস্তে আস্তে হেটে এসেছে । কোনো তো শব্দ হয়নি।তাহলে আরজান বুঝলো কিভাবে। আরজান বললো,,
- এতো ভাবছো যেনো তোমাকে বিশ্ব শাষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতো ভেবে কাজ নাই রুমে আসো।
আহিয়া ভাবে সে এতো স্বাভাবিক আচরণ কিভাবে করে। নিশ্চয় তার মায়ের মন রাখতেই এমন ভাবে ব্যাবহার করছে৷ তাহলে এক বিয়ে হওয়া মেয়ের সাথে এতো সুন্দর ব্যাবহার করে। সবাই তো চায় তার বউ যেনো পিয়র হয়। কোনো পুরুষের ছোয়া যেনো তার শরীরে না থাকে। কিন্তুু সে তো তা না তার একটা সংসার ছিল। ভালোবাসার সংসার। ৬ মাসের সংসার।ভালোবাসায় পরিপূর্ণ সংসার যাকে বলে৷ আহিয়া আরজানের দিকে শরবত বাড়িয়ে দিল । আরজান ঢকঢক করে শরবতটা খেয়ে বললো।
-তুমি বসো আমি গোসল করে আসি।
আহিয়া মাথা কাত করে সম্মতি জানালো। বসে রইলো খাটের এক কোনে।আরজান কিছুসময় পড়ে বেড় হলো। দেখল আহিয়া রবটের মত বসে আছে। সে বলল
- কাল বিকেলে রেডি হয়ে থেকো।
- কেনো
আরজান বললো,,
- আমার বন্ধুরা তোমার সাথে মিট করতে চেয়েছে।
আহিয়া এবার যেনো আরো বেশি অবাক হলো। আরজান কি বিয়েটা মেনে নিয়েছে নাকি। তা না হলে বন্ধুদের সাথে কেনো দেখা করাতে চাচ্ছে। আর ভাবতে পারছেনা আহিয়া। বললো,,
- আমার সাথে কেনো দেখা করবে।আমি তো তাদের চিনি না।
আরজান বললো,,,
- তোমাকে দেখতে চেয়েছে তারা।
- আমাকে দেখার কি আছে। আমি কি মানুষের মত দেখতে নই।
আরজান একটু হাসলো। এই মেয়ের মুখে তো আজ ভালোই বুলি ফুটেছে। নরমাল ভাবেই তো কথা বলছে তার সাথে। সে একটু রহস্য করে বললো।
- তোমাকে দেখার কিছুই নাই তারা তো আমার বউ কে দেখতে চেয়েছে।
ব্যাচ এই এক বউ শব্দটায় আহিয়া সব কথা হাওয়া হয়ে গেলো। সে এবার কি বলবে। আর কথা খুজে পাচ্ছে না সে। সে এবার পালাতে চাইলো ঘর থেকে। আরজান বুঝলো তার মতি গতি। এই মেয়ে নির্ঘাত এখন পালাবে।আহিয়া যেই না দরজার দিকে পা বাড়াবে আরজান বললো।
- কোথায় যাও।
আহিয়া থতমত খেয়ে বললো।
- আমার কাজ আছে। আমি যাই
- কি কাজ
আহিয়া কি বলবে। এই বাড়িতে তার কোনো দিনও কোনো কাজ করতে হয় না। বিয়ের শুরুতে সে যখন কাজ করতে যেত। তার শাশুড়ী রাগ করে তাকে ঘরে পাঠিয়ে দিতো৷ অনু যেমন এই বাড়িতে রাজকন্যার মত থাকে। তার শাশুড়ীও তাকে তেমন ভাবেই রাখে। কোনো কাজ করতে দেয়না কখনো। সে বললো,,
- হয়তো মা ডাকছে আমি যাই।
- কেউ ডাকছে না বসো।
আহিয়া হাসফাস করছে। যেনো পালাতে পারলেই বাঁচে। সোফার এক কোনে বসে হাত মুচরাতে লাগলো সে৷ এখান থেকে কিভাবে বের হবে। আরজান যেনো তার মনের ভাব বুঝতে পারলো। বললো,,,
- ভাবছি আজ রাতে ডিনারটা রুমেই করবো৷ ময়না দিয়ে আমাদের খাবার রুমে নিয়ে নেই কি বলো৷
ব্যাস এবার আহিয়া কেদেই দিল। আরজান তাকালো তার দিকে বললো।
- কি হলো কাদছো কেনো।
আহিয়া ভাবছে এতো নাটক কিভাবে করছে এই লোকটা। তার মা তো এখন এখানে নেই। তাহলে এতো নরমাল ভাবে কথা বলে তো তাকে অসস্তিতে ফেলছে। কেনো বুঝতে পারছে না এই ব্যাবহারে সে কষ্ট পাচ্ছে। তার মত অভিনয় করতে পারছে না সে৷ তার কি দোষ। সে এসব ভাবতেই ফুপিয়ে উঠল আহিয়া। আরজান বললো,,
- বি নরমাল আহি। জটিল করে না ভেবে সবটা সহজ করে মেনে নাও। আমাদের তো একদিন সব মেনে নিতেই হবে।তাহলে নরমাল বিহেব করতে কি সমস্যা তবে।
- আমি পারছি না। আমার কাছে এসব বড় কঠিন কাজ। আমি পারছি না মেনে নিতে।
এই বলে কাঁদতে কাঁদতে রুম থেকে বেড়িয়ে গেলো। আরজান হাতের মুঠো শক্ত করে দাড়িয়ে রইলো। রাতে খাবার টেবিলে সবাই চুপচাপ খাচ্ছে। আহিয়া না খেয়ে শুধু খাবার নাড়ছে। শায়লা বেগম বললো
- খাচ্ছো না কেনো মা।
আহিয়া বললো।
- মা আমার পেট ভরা। খেতে পারছি না৷
- তুমি তো কিছুই খাওনি মা।
- সত্যি খেতে পারছি না আমি।
- আচ্ছা ঠিক আছে।
আহিয়া উঠে চলে গেলো রুমে। আরজান বললো
- মা কাল বিকেলে আহিকে নিয়ে বাইরে যাবো একটু।
শায়েলা বেগম অবাক হলো। যে ছেলে বিয়ে করতে চাচ্ছিলো না। সে এখন ওকে নিয়ে বাইরে যেতে চাচ্ছে। কি ব্যাপার সে কিছুই বুঝতে পারছে না। ছেলেকে কেমন রহস্য মানব লাগছে তার কাছে। কিছু একটা সন্দেহ হচ্ছে তার।সে শুধু বললো
- কোথায় যাবে।
- বন্ধুরা ওকে দেখতে চাচ্ছে।
- বাড়িতে আসতে বলো।
- এবার বাইরেই মিট করি মা। পড়ে না হয় কখনো বাড়িতে আসতে বলবো।
শায়েলা বেগম মাথা নেড়ে সম্মতি জানালো। আরজান খাবার খেয়ে চলে গেলো। শায়লা বেগম জা কে বললো।
- আয়েশা তুই সব একটু ময়নার সাথে গুছিয়ে রাখ। আমি রুমে গেলাম।
- আচ্ছা ভাবি।
আরজান যখন রুমে আসলো তখন দেখলো৷
চলবে,,,
(ভূল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। বানান ভুল হলে বলবেন সঠিক করা চেষ্টা করবো।পাশে থাকেবেন ধন্যবাদ)
