কি_আবেশে (০৪)

জেরিন_আক্তার 


মেরাবের চোখে-চোখ পড়তেই স্নেহা চোখ নামিয়ে রুমে ঢুকে। মেরাব ফোন কানে নিয়েই বলে,


‘ কিছু বলবে? ’


‘ হ্যা, আপনাকে নিচে ডাকছে! ’


‘ কে? ’


‘ আসলে আমরা সবাই মিলে আড্ডা দিচ্ছিলাম। তো সবাই আপনাকে ডাকছে। ’


‘ তুমি গিয়ে বলো আমি আসছি! ’


স্নেহা মাথা নাড়িয়ে বলে,


‘ ঠিক আছে! ’


স্নেহা রুম থেকে বেরিয়ে নিজের মাথায় নিজেই গাট্টা মেরে বিড়বিড় করে বলে উঠে,,, ছিহ! স্নেহা, তু্ই কিনা ওই বজ্জাত লোকের দিকে তাকিয়ে ছিলি। তোর চোখ দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছে স্নেহা। ভালো হয়ে যা!


স্নেহা বিড় বিড় করে কথা বলতে বলতে নিচে ড্রইং রুমে চলে আসে। সাইদার পাশে বসতে বসতে বলে,


‘ ভাইয়াকে ডাকতে গিয়ে দেখি ফোনে কথা বলছে! পরে উনাকে নিচে আসতে বললাম। উনি বললো একটু পরে আসবে! ’


সাইদা মাথা তুলে বলে,


‘ তাহলে আসবে। আর স্নেহা তু্ই কি মেহেদী লাগাবি? আয় লাগিয়ে দেই! ’


স্নেহা হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলে,


‘ দিয়ে দাও! না করবো না! ’


সাইদা হেসে স্নেহার হাতটা ধরে মেহেদী দিতে থাকে। পাশে থেকে সাদাফ মুখ বেকিয়ে বলে উঠে,


‘ তোরা ভাই কেমন জানি! সাজুগুজু, মেহেদী, নেলপালিশ ছাড়া থাকতেই পারিস না। ’


স্নেহা বলে,


‘ ভাইয়া তুমি এগুলো বুঝবে না! ’


সাদাফ গা ছাড়া ভাব নিয়ে বলে উঠে,


‘ না বাবা, আমি বুঝতেও চাই না। স্নেহা, মৌ শোন! ’


‘ বলো! ’


‘ ধর, তোদের যদি বিয়ে হয়। তারপর যদি তোদের স্বামী তোদেরকে সাজুগুজু করতে না দেয়, মেহেদী পড়তে না দেয় তখন কি করবি? ’


মৌ কটমট দৃষ্টিতে তাকায় সাদাফের দিকে। আর স্নেহা ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে বলে উঠে,


‘ তখন আর কি করবো, ওই স্বামীকেই হাত-পা ভেঙে শুইয়ে রাখবো। ’


সাদাফ অবাক হওয়ার ভঙ্গিমায় বলে,


‘ বাব্বাহ তু্ই এতো কিছু করবি! স্বামীকে যদি হাত-পা ভেঙে শুইয়ে রাখিস তাহলে খাবি কি? ’


স্নেহা দোপাটি দাঁত বের করে বলে,


‘ কেনো স্বামীর কিডনি তো আছেই। কিডনি দুটো বিক্রি করে দিবো। ঝামেলা শেষ! ’


‘ আসলেই তোর বুদ্ধির তুলনা নেই। একবারে গোবর মার্কা বুদ্ধি! ’


এই কথা শুনতেই স্নেহা পাশে থাকা কুশন হাতে নিয়ে সাদাফের দিকে ছুড়ে মারে। সাদাফ সেটাকে ক্যাচ করে হেসে হেসে বলে,


‘ তোর স্বামীর কপালে সত্যিই দুঃখ আছে রে! ’


ওদের হাসি-ঠাট্টার মাঝে মেরাব এসে বসে সাদাফের পাশে। সাদাফের কাধে হাত রেখে বলে উঠে,


‘ কার স্বামীর কপালে দুঃখ আছে? ’


‘ কার আবার, ওই দুই মহাপ্রাণীর! ’


মৌ আর স্নেহা দুজনেই রেগে যায়। মৌ রাগ সামলাতে না পেরে উঠে এসে সাদাফের কাছে এসে দাঁড়ায়। নিজের মেহেদী পড়া হাতটা সাদাফের শার্টের কাছাকাছি এনে বলে উঠে,


‘ তোমার চকচকে শার্টে মেহেদী লাগিয়ে দিবো? ’


সাদাফ একটু খানি সরে গিয়ে বলে উঠে,


‘ খবরদার! যদি দাগ লেগে যায় তোর খবর আছে। ’


‘ আরও মজা করবে আমাদের সাথে? ’


‘ না বইন! সরে যা প্লিজ! লক্ষী বোন আমার! ’


মেরাব তখন মৌয়ের হাত ধরে টেনে নিজের পাশে বসায়। সাদাফও মৌয়ের থেকে একটু দূরে বসে। বলা তো যায় না এই মেয়ে আবার সত্যি সত্যি মেহেদী না লাগিয়ে দেয়।


সবার কথা বলা শেষে যে যার যার মতো রুমে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একসাথেই সবাই সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতে থাকে। সেখানে মেরাব আর মৌ কথা বলতে বলতে যাচ্ছে। দুজনের পেছনে স্নেহা মেরাবকে দেখতে দেখতে যাচ্ছে। মৌ আর স্নেহা রুমে চলে আসে। স্নেহা হাত ধুতে চলে যায় ওয়াশরুমে। বেসিনে হাত ধুতে ধুতে আয়নায় তাকায়। মনে মনে মেরাবের কথা ভাবতে থাকে। এদিকে মৌ স্নেহাকে ডাক দেয়,


‘ আপু তোমার হলো? ’


স্নেহা সাথে সাথে ভাবনার আদলে থেকে বেরিয়ে বলে উঠে,


‘ হুম, আসছি! ’ 


স্নেহা রুমে চলে আসে। সেই সাথে মৌও ওয়াশরুমে হাত ধুতে চলে যায়। স্নেহা রুমের দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়ে।


পরদিন সকালে,,,


শীতটা এখন একটু কমে এসেছে। সূর্যের কিরণও ধীরে ধীরে কুয়াশার সাথে মিলিয়ে যাচ্ছে। আজ মেরাব আগে ঘুম থেকে উঠে গিয়েছে। ফ্রেশ হয়ে নিচে আসতেই দেখে রহিমা আন্টি কিচেনে কাজ করছে। তিনি মেরাবকে দেখা মাত্রই বলে উঠেন,


‘ কফি বানিয়ে দিবো? ’


‘ না, একটু পরে দিন। আমি একটু বাগানে থেকে আসছি! ’


মেরাব সদর দরজা খুলে চলে যায় বাড়ির বাহিরে। বাগানে এসে দোলনায় বসে। আজকের সকালটা কেনো যেনো সত্যিই মেরাবের কাছে একটু আলাদা রকমের সুন্দর লাগছে।


ওদিকে দূর থেকেও যে মেরাবকে একজোড়া চোখ পরখ করছে তা মেরাবের অজানা। আসলেই অজানা। স্নেহা রুমের ব্যালকনির দরজা খুলে চুল ব্রাশ করছিলো আর তাকে আনমনে দেখে যাচ্ছিলো। মেরাব সেদিকে কোনো খেয়ালই করেনি। মেরাবের ফোনে কল আসে। মেরাব কল রিসিভ করে কথা বলতে বলতে উঠে হাটতে থাকে। হাঁটতে হাঁটতে মেরাবের চোখ যায় দোতালায়, মৌয়ের রুমের ব্যালকনির দিকে। মেরাব দেখার স্নেহা তৎক্ষণাৎ সরে দাঁড়ায়। নিজেকে আড়াল করে ফেলে।


মেরাব ব্যালকনির দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে, কথা বলতে বলতে অন্য সাইডে চলে গেলো। স্নেহা মিনিট দুই পরে একটু উঁকি দিলো। মেরাবকে তখন বাগানে দেখতে পেলো না। মনটা হঠাৎ করেই খারাপ হয়ে গেলো। ব্যালকনিতে এসে মনে মনে বলে,,, স্নেহা তোর নজর শেষমেষ ওর দিকেই গেলো। ছেলেটাকে তো তু্ই আগে দেখিসওনি। একদিনের ভিতরে ছেলেটাকে চোখে হারাচ্ছিস।


এই বলে স্নেহা পুরো বাগানে এদিক-ওদিক তাকায় কিন্তু মেরাবকে দেখতে পায় না। স্নেহা বেতের চেয়ারে ধপ করে বসে বিড়বিড় করে বলে,,, আমি কি তাহলে সত্যিই উনাকে চোখে হারাচ্ছি?


সকালবেলা খাবার খাওয়ার সময় মেরাব আর স্নেহা পাশাপাশি বসে। স্নেহা মনে মনে একটু খুশিই। তবে তা প্রকাশ করার কোনো ইচ্ছেই হচ্ছে না। মেরাবও গম্ভীর হয়ে খেতে শুরু করে। খাওয়ার মাঝে স্নেহার মাথায় বদ বুদ্ধি এসে চাপে। খেতে খেতে মেরাবের পায়ে পারা দেয়। মেরাব আড়চোখে তাকায় স্নেহার দিকে। কিন্তু স্নেহার কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। মেরার বিষয়টা আমলে না নিয়ে খেতে শুরু করে। মনে করে হয়তো ভুলে লেগে গিয়েছে।


মিনিট দুই পরে স্নেহা আবারও মেরাবের পায়ে পারা দেয়। মেরাব এবার শিওর যে এটা ভুল করে নয় ইচ্ছে করে। মেরাবও তো কম নয়। সে উল্টো স্নেহার পায়ের উপরে পা দিয়ে রাখে। স্নেহা পা সরাতে চাইলে পারে না। মেরাব স্নেহার দিকে তাকিয়ে বাঁকা হাসে। স্নেহা মনে মনে বলে,,, এবার ফেঁসে গিয়েছি। ধুর ছাই, কি জন্যে যে খোচাতে গেলাম।


খাবার খাওয়ার পর্ব শেষ হতেই নাফিসা বেগম বাড়িতে চলে যাওয়ার কথা জানান। কিন্তু স্নেহার বাড়ি যাওয়ার কোনো ইচ্ছেই হচ্ছে না। কালকে থেকে স্নেহার আবার কলেজ খোলা। বাড়ি যেতেও হবে। কিন্তু মেরাবকে দেখার তীব্র লোভ জাগছে তার। অল্প সময়ের মধ্যে মেরাবকে ভালোবেসে ফেলেছে। বলতে গেলে এক তরফাই ভালোবাসে। স্নেহা তার মাকে জানায় এখন যাবে না, বিকেলে যাবে। নাফিসা বেগম আর কি বলবেন। মেয়ে যখন বলেছে বিকেলে যাবে তাহলে তাই। মেরাবও সেখানে ছিলো। সে স্নেহার না যাওয়ার কারণও বুঝতে পেরেছে। মেরাবও দেখতে চাচ্ছে স্নেহা কি করে। এটা শিওর স্নেহা তো তার উপরে ফিদা। ওর হাবভাবই বলে দিচ্ছে। মেরাব স্নেহার দিকে একনজর তাকিয়ে উঠে রুমে চলে গেলো।


স্নেহা মেরাবের যাওয়া দেখে মনে মনে বলে,,, লোকটা এক জায়গায় বসে থাকতে পারে না। এতো জায়গা বদল করা লাগে কেনো উনার তাই বুঝিনা। আরেকটু বসে থাকলে কি এমন ক্ষতি হতো।


মেরাব চলে যাওয়ার পরেই রহিমা আন্টি কফি নিয়ে এলেন। মেরাবের জন্য এনেছেন কিন্তু মেরাব মাত্র উপরে চলে গেলো। রহিমা আন্টি যেই সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতে যাবেন ঠিক তখনই স্নেহা সিঁড়ির দিকে এগিয়ে গিয়ে বলে,


‘ আন্টি কফি কার জন্য? ’


‘ মেরাবের জন্য! ’


স্নেহা হালকা হেসে বলে,


‘ আমিও ওই রুম হয়ে মৌয়ের রুমে যাবো। কফিটা আমাকে দিন, আমি যাওয়ার সময় দিয়ে যাবো! ’


‘ ঠিক আছে। এই নাও! ’


স্নেহা কফির মগটা হাতে নিয়ে খুশি মনে মেরাবের রুমের দিকে চলে গেলো। রুমের সামনে এসে পর্দা সরিয়ে বলে,


‘ ভাইয়া, আসবো? ’


মেরাব স্নেহার দিকে তাকিয়ে বলে,


‘ এসো! ’


স্নেহা এগিয়ে গিয়ে কফিটা মেরাবের দিকে দেয়। মেরাব কফি হাতে নিয়ে বলে,


‘ তুমি বানিয়েছো নাকি? ’


স্নেহা মুখে হাসি ফুটিয়ে বলে,


‘ নাহ! আন্টি বানিয়েছে! ’


মেরাব কফিতে চুমুক দিয়ে বাঁকা হেসে বলে,


‘ ওহ! এই জন্যই তো বলি আমার শত্রু আবার আমার জন্য কফি আনবে! শত্রু তো শত্রুই হয়! ’


স্নেহা কোমরে হাত গুজে বলে,


‘ কি বললেন আপনি? ’


‘ কেনো বয়রা নাকি? শুনতে পাওনি? ’


‘ আপনি বয়রা! ’


মেরাব হেসে বলে,


‘ আমি স্পষ্ট সব শুনতে পাই। তোমার মতো এক কথা দুইবার রিপিট করতে বলতে হয়না আমার! ’


‘ ওসব ছাড়ুন! এখন বলুন আমাকে শত্রু বললেন কেনো? ’


‘ তো কি বলবো? মীরজাফর! ’


স্নেহা কিছু বলতে যাবে ঠিক তখন তাকে ডেকে উঠে ফাহমিদা খান। স্নেহা মেরাবের দিকে তাকিয়ে রাগে ফুসতে ফুসতে চলে গেলো। মেরাব তখন তপ্ত শ্বাস ছেড়ে বলে উঠে,,, শত্রুকে শত্রু বলবো না তো কি বলবো। আমার সব কিছু কেড়ে নিয়ে বসে আছে, আবার তাকে শত্রু বললেই দোষ।


কথাটা বলে মেরাব বিছানায় আয়েসি ভঙ্গিতে বসতে বসতে তাচ্ছিল্যের হাসি দিয়ে বিড়বিড় করে বলে,,, স্নেহা তুমি এইযে একটু পরপর এসে আমাকে দেখে যাও, আড়াল হতে আমায় দেখো আমি বুঝতে পারি। সব বুঝতে পারি। তুমি টেরও পাচ্ছো না, তুমি ঠিক করতে যাচ্ছো। তবে সময় হোক তুমিও বুঝতে পারবে। তাহলে ভালোবাসার মাঝেই প্রতিশোধের খেলাটা শুরু করা যাক।


এই বলে মেরাব নিজেই হেসে উঠলো।


_____________________


দুপুর ২ টা,,


স্নেহারা আরেকটু পরেই রেডি হয়ে চলে যাবে। এখন দুপুরের খাবার খেয়ে রেস্ট নিচ্ছে সবাই। স্নেহা ড্রইং রুমে মৌয়ের সাথে বসে কথা বলছিলো। সেই সকালের পরে মেরাবকে আর নিচে দেখতে পায়নি। নিচেই নামেনি বলতে গেলে। দুপুরের খাবারটাও রুমে খেয়েছে। স্নেহা এদিক-ওদিক তাকাচ্ছিলো যদি বের হয় মেরাব।


মারুফুল খান দুপুরের খাবার খেয়ে রুমে শুয়েছিলেন। ঠিক তখন ফাহমিদা খান রুমে এলেন হাতে শাড়ি নিয়ে। ছাদে মেলে দিয়েছিলেন এখন এগুলো ভাজ করে তুলে রাখবেন। ফাহমিদা খান বিছানার এককোণে বসে শাড়ি গুলো ভাজ করছেন। মারুফুল খান উঠে বসলেন। ফাহমিদা খানের দিকে তাকিয়ে ভাবুক গলায় বলে উঠেন,


‘ আচ্ছা ফাহমিদা, মেরাবের হুট্ করে ফিরে আসা তোমার কাছে খটকা লাগছে না! ’


ফাহমিদা খান হালকা হেসে বলে উঠেন,


‘ খটকা লাগবে কেনো? ছেলেটায় দেশে এসেছে এতে আবার খটকা কিসের। তোমার যত্তসব ভুলভাল কথা! ’


মারুফুল খান চুপ করে নিজেই ভাবতে লাগলেন। তার কাছে সত্যিই খটকা লাগছে মেরাবের আসা। কোনো রিজন ছাড়া মেরাব তো আসার কথা না।


এদিকে,,,নাফিসা বেগম তখন স্নেহাকে রেডি হতে বললেন। স্নেহা রেডি হওয়ার জন্য উপরে চলে এলো। মৌয়ের রুমে ঢোকার আগে মেরাবের রুমের সামনে এসে দাড়ালো। উঁকি দিয়ে দেখলো মেরাব রুমে নেই। স্নেহা ঘুরে দাঁড়িয়ে ভাবতে লাগলো মেরাব কোথায় যেতে পারে। ভাবতে ভাবতে স্নেহার মেরাবের দরজা হালকা হেলান দিয়ে দাঁড়ায়। এর কিছুটা দূরে মারুফুল খান স্নেহাকে ডাক দেন। স্নেহা যাওয়ার জন্য যেই পা বাড়াবে ঠিক তখন রুমের ভিতরে থেকে মেরাব স্নেহার চুলের বিনুনি ধরে টান দেয়। মারুফুল খান স্পষ্ট দেখতে পেলেন স্নেহাকে রুমের ভিতরে থেকে টান দিয়েছে। তিনি পুরো ব্যাপারটা দেখতে তিনি ধীর পায়ে এগিয়ে এলেন। স্নেহা আচমকা টান সামলাতে না পেরে পড়ে যেতে নিলে মেরাবের শার্ট খামচে ধরে। মেরাবও স্নেহার কোমরে হাত রেখে, স্নেহাকে ধরে। মারুফুল খান দুজনকে এই অবস্থায় দেখে বাকরুদ্ধ।


চলবে....


ভুল-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না। রেসপন্স করবেন! পরবর্তী পর্ব কালকে দুপুরের পরে আসবে।


[হেশট্যাগ ব্যবহার ছাড়া কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ]

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url