গল্প- সুতার আংটি
লেখক রিহান অরণ্য
পর্ব-২
আমার আগ্রহ দিন দিন বাড়তে লাগলো উপরে থাকার মানুষ টা কি সত্যি পা**গো,ল , তার নাম টা ও জানতে পারলাম না এতো বছর হয়ে গেলো, পরের দিন সকালে যখন নাস্তা দিতে গেছি ওরে দেখি নাই মনে হয় ঘুমাইছে, আমি নাস্তা রেখে স্কুলে চলে গেলাম, বিকালে এসে উপরে গেলাম, তখন ও ওানাকে দেখতে পাইনি, আমি রুমের চার পাশে ঘুরতে লাগলাম, কোন সাড়া না পেয়ে, আমি জানালা দিয়ে হাত ঢুকিয়ে ইশারা দিতে লাগলাম তখন ওনি আসলো, আমি হাত বাহিরে নিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলাম আপনার নাম জানিনা তাই ডাকতে পারি না, দয়া করে আপনার নাম টা বলবেন, তখন ওনি কলম হাতে নিয়ে আমার হাত ধরার চেষ্টা করলো,কিন্তু আমি ওনার নাগালের বাহিরে ছিলাম তাই হাত ধরতে পারলো না, আমি বুঝতে পারছি আজকে ও সে আমার হাতে কিছু একটা লেখতে চাইছে, তাই নির্ভয়ে হাত বাড়িয়ে দিলাম, তখন ঠিক আগের মতো অনুভব হলো আজকে ও কিছু একটা লিখছে হাতে, যখন লেখা শেষ তখন হাত বাহিরে এনে দেখি ওনি আমার হাতে একটা নাম লিখছে ( রিমন )
আমি জিজ্ঞেস করলাম আপনার নাম কি রিমন, ওনি ইশারায় বুঝিয়ে দিলো,যে ওনার নাম রিমন, আমি জিজ্ঞেস করলাম রিমন সাহেব আপনি কথা বলছেন না কেন, শুধু ইশারা দিলে হবে, কথা ও বলতে হবে,
ওনি আমার কথায় কোন জবাব না দিয়ে চলে গেলো ভিতরে,
আমি ও নিচে চলে আসলাম,পতেড় বসলে ও হাতে ওনার আকা ফুল তার সাইডে ওনার নাম লেখা এসব দেখে রিমন কে নিয়ে নানান চিন্তা ভাবনা জন্ম দেয় আমাকে, ওনি পা***ল হলে এমন নরম ভাবে ব্যবহার করে, আমি তো জানতাম যারা পা***ল তারা অনেক ভয়*ঙ্কর হয়, আমি চিন্তা ভাবনা করতে লাগলাম আসতে আসতে রিমনের সম্পকে সব কিছু জানবো,
পরের দিন বাড়িতে রিমনের খালা আর খালাতো ভাই বোন সবাই এসেছে, ওনরা ৩ মাস পর পর এসে ১ মাসের বেশি সময় এখানে থাকে, মেডাম রা এখন কম আসে তাদের বাসার যে ভাড়ার টাকা উঠে এই গুলো রিমনের খালা ওরা নেয়, দাদিরে শুধু একটা ফ্ল্যাট ভাড়ায় টাকা দেয়,ওই টাকা থেকে দাদি আমার স্কুলের যাবতীয় খরচ দেয়, আসতে আসতে বাড়ির সব কিছু আমার জানা হয়ে যাচ্ছে, রিমনের খালারা বাসায় আসলে আমার লেখাপড়া সমস্যা হয় একটু পর পর এটা ওটা রান্না করা লাগে, ওর খালাতো বোন যেমন হিং*সুটে তেমন ওর ভাই ও পুরো নে*শা*খোর
এর আগের বার সে বাসায় তার বন্ধু নিয়ে এসে নে*শা করছে আমি দাদি কে বেলছিলাম কিন্তুু কোন কিছু বলেনি পরে শুধু বলছে তুই ওদের থেকে দূরে থাকিস,
এই দিকে হাতের মধ্যে লাভ একে তার মধ্যে ফুল তার সাইডে একজনের নাম দেখে স্কুলের সবাই মনে করছে আমি প্রেমে পরছি, তাই আমার বয়ফ্রেন্ডের নাম নাকি আমি হাতে লেখছি, ওদের বুঝাইতে পারলাম না তাই বললাম হা প্রেমে পরছি তার নাম রিমন হাতে মধ্যে তার নাম লিখে রাখছি
তার পর থেকে সবাই জানে আমি প্রেম করি, এতো দিন যে সব ছেলেরা লাইন মা,রতো তাদের মধ্যে খবর পৌঁছে গেছে, ভালোই হয়েছে এখন আর কেউ জ্বা,লাবে না,
একদিন স্কুল থেকে বাসায় এসে দেখি বাসার সবাই আর ডাক্তার রা মিলে পারিবারিক ভাবে মিটিং করছে,আমাকে দেখে রিমনের খালা ডাক্তারের জন্য চায়ের ব্যবস্থা করতে বললো, আমি চা দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে আছি, ডাক্তার রা বললো রিমন এখন ৯০% সুস্থ তারে এখন বন্দী করে রাখার দরকার নাই, ,দাদি বললো খুশির খবর, তাইলে ওরে এখন ছেড়ে দেওয়া হোক, তখন রিমনের খালা বললো এখন ছেড়ে দিবার দরকার নাই, ২/৩ মাস যাক আরো রিমনের বাবা মা আসোক তখন না হয় ছেড়ে দিবো, ডাক্তার বললো এতে উল্টো হতে পারে তার পর ও আপনরা যা ভালো মনে করেন,
ইচ্ছে করছিলো আমি কিছু বলি কিন্তুু যেখানে রিমনের দাদি কিছু বলেনি,যেখানে আমি কেমনে কথা বলি, তাই কিছু না বলে রুমে চলে গেলাম,
যখন সবাই যার যার রুমে চলে গেছে তখন আমি উপরে গেলাম রিমনের কাছে,
জানালার পাশে গিয়ে ডাক দিলাম রিমন সাহেব আপনি কি আছেন, থাকলে একটু এই দিকে আসেন, আমার ডাক শুনে রিমন আসলো আমার দিকে তাকিয়ে আছে, আমি বললাম
একটা খুশির সংবাদ আপনি খুব তারাতাড়ি বাহিরে চলাফেরা করতে পারবেন, আবার আগের মতো সব কিছু করতে পারবেন, আমি যে এতো কিছু বলি রিমন কোন কথার উত্তর দেয় না,,শুধু আমার দিকে তাকিয়ে থেকে হাত বাড়িয়ে দিলো।আমিও চারপাশে ভালো ভাবে তাকিয়ে হাত বাড়িয়ে দিলাম, রিমন আমার হাত ধরে হাতের আঙ্গুলে কিছু একটা লিখছে, আজকে কেন জানি আমার ভয় ভয় লাগছে কারণ বাড়িতে তো ডা*/ইনি দের আনাগোনা, কখন কে দেখে ফেলে, তাই আমার হা পা কাঁ,পা কাপি শুরু করলো,এখন ও ওনার লেখা শেষ হয়না, হাত ও ছাড়িয়ে আনতে পারছি না, চেষ্টা করছি কিন্তু এমন ভাবে ধরছে বেশি জো,র করলে হাতে ব্য,থা পাবো,
এর মধ্যে হাতে নরম কিছুর স্পর্শ পেলাম সাথে তা'রকাঁ*টার খুঁ'চা ও লাগছে হাতে, আমি বুঝতে পারছি ওনি আমার হাতে কিস করছে,।
হাতের মধ্যেে মুখের খুঁ,চা খুঁ,চা দাড়িমো,ছের স্পর্শ লাগছে, হাতে চু*মু দিয়েই রিমন হাত ছেড়ে দিলো, আমি এক দৌড়ে রুমে চলে আসলাম,।
রুমে এসে দেখি রিমন আমাকে সুতা দিয়ে আংটি বানিয়ে পরিয়ে দিছে সাথে কলমের কালি দিয়ে আংটি ডিজাইন করছে, হাতে যে চু*মু দিছে তার মুখের দাগ এখনো রয়ে গেছে, এখন ও আমার হাত পা কাপতে লাগলো,
একটু স্বাভাবিক হয়ে ভাবতে লাগালাম, রিমন এমন কেন করলো, সে সত্যি ভালো হয়ে গেছে তা না হলে আমার হাতে আংটি পরিয়ে চু*মু খাইতো না,।
আমি আঙ্গুল থেকে সুতার আংটি টা খুলে যত্ন করে রেখে দিলাম, এই প্রথম কোন পুরুষ আমাকে চু*মু খাই,লো, না এটা আমার জীবনের প্রথম অনূভুতি চাইলেও কোন দিন ভুলতে পারবো না।
রাতে দাদির কাছে গিয়ে জানতে চাইলাম রিমন ভাইয়া কে কবে বাহিরে আসতে দিবেন ওনি তো এখন সম্পূর্ণ সুস্থ, ডাক্তার ও তো বললো ওনাকে বাহিরে দিতে, দাদি বললো সামনের ডিসেম্বর মাসে তার বাবা আসবে তখন দেখা যাক এখন কিছু হলে আমাদের দো"ষী করবে, আমি বললাম ঠিক আছে, তাইলে এখন কেমনে কি করবো ডাক্তার তো আসবে না আর রিমন ভাইয়ার রুম তো পরিস্কার করতে হবে, আমি কি দরজা খুলে ভিতরে যাবো পরিষ্কার করার জন্য, দাদি বললো সাবধানে যাইস রুমে গিয়ে দরজা তালা মা*রবি আর সাথে চাবি রাখবি, আমি বললাম ঠিক আছে,
পরের দিন স্কুল থেকে এসে দেখি বাসায় কেউ নাই, বাড়িতে রিমনের খালাতো ভাই তার বন্ধুদের নিয়েআড্ডা দিচ্ছে, আমাকে দেখে ডাক দিয়ে বললো
আমাদের জন্য খাবারের কিছু ব্যবস্থা করো, আমি কোন জবাব না দিয়ে ফ্রীজ থেকে কোক আর রুমে বিস্কুট ছিলো এই গুলো নিয়ে দিছি, আমাকে দেখে তারা বা*জে মন্তব্য করছে, একজন তো বলে ফেলছে ঢাকা শহরে এমন জিনিস আমার চোক্কে পরে নাই কোন দিন, দারুন জিনিস, ওদের কথা শুনে আমি মাথা নিচু করে চলে আসলাম, রা'গে গা জ্ব'ল'জ্ব'ল করছিলো, কিছু বলতে ও পারছিলাম না, শুধু সহ্য করে নিচ্ছি, একটু পর আবার ডাকলো এখন আমি মুখের উপর না করে দিছি বলছি আমার কাজ আছে উপরের রুম পরিস্কার করতে হবে, এই বলে আমি উপরে চলে গেছি,
দরজার পাশে দাড়িয়ে রিমন কে ডাক দিতেই সে জানালা দিয়ে হাত নারালো, আমি ওর হাতে স্পর্শ করে বললাম আমার জন্য কি অপেক্ষা করছিলেন নাকি, ( সত্যি সে আমার জন্য অপেক্ষা করছিলো তার কাছে ঘরি না থাকলে ও টাইম টা সে মুখস্ত রাখছে আমি কখন স্কুল থেকে আসবো,
এই প্রথম সাহস নিয়ে রিমনের রুমের দরজা খুললাম,
দরজা খুলাতে রিমন খাটের এক কোনায় চলে গেছে, আমি দরজায় তালা লাগিয়ে রিমন কে বললাম সাইডে দারান,সে আমার কথা শুনে কিন্তুু উত্তর দেয়না
আমি কাজ করতে লাগলাম আর সে আমার দিকে এক পলকে তাকিয়ে আছে,।
আর আমার চার পাশে ঘুরতে লাগলো,আমি বিছানা পরিস্কার করে ওরে গোসল করতে নিলাম তখন ও আমার দিকে হা করে তাকিয়ে ছিলো,যখন আমি ওর গায়ে হাত দিয়ে গোসল করাচ্ছি সে মূহুর্তে সে আমাকে জরিয়ে ধরলো, আমি মনে করছি সে চাবির জন্য এমন করতাছে তাই অনেক জোরাজোরি করতে লাগলাম দাদিরে ডাকতে লাগলাম কিন্তুু কোন কাজ হচ্ছে না।
চাবিটা আমি সেলোয়ার সাতে গিট দিয়ে রাখছিলাম রিমন বার বার ওখানে হাত দিতে লাগলো আমার চিৎকার নিচে পর্যন্ত যাচ্ছে না, আর জোর করে পারছি না ওনার সাথে তাই আমি চাবি দিয়ে দিলাম, কিন্তু সে চাবি ফেলে দিয়েছে, কিন্তুু আমাকে ছাড়তেছে না,।
প্রথমে মনে করছি চাবির জন্য কিন্তু না এখন মনে হচ্ছে অন্য কিছু, ভুলটা আমারই হইছে ওর শরীলে হাত দেওয়াটা, রিমন এমন ভাবে আমাকে ধরছে বুঝতে আর বাকি রইলো না সে কি চাচ্ছে,তাই শরীলের সব শক্তি দিয়ে জোরে ধাক্কা দিতেই সে ছিটকে পরছে দেওয়ালের সাথে, আর সাথে সাথে নিচে পরে হাও মাও করতে লাগলো আমি জামা কাপর ঠিক করে দরজা খুলে দাদিকে ডাক দিলাম, দাদি বাহিরে এসে দেখে আমি ডাকছি তখন রিমনের খালাতো ভাই দাদি ওরা সবাই আসলো, এসে দেখে রিমন মাটিতে পরে আছে মাথা দিয়ে র*ক্ত ঝ,রছে, দাদি সাথে সাথে ডাক্তার কে ফোন দিলো, আর আমাকে বকতে লাগলো। আমি কেন দরাজ খুললাম,
ডাক্তার আসার পর রিমনের মাথায় ৪ টা সে*লাই দিছে,
সবাই আমার কাছে জানতে চাইলো কি হয়েছে, আমি ইজ্জতের ভয়ে বললাম চাবির জন্য জোরাজোরি করছিলো এক পর্যায়ে ধাক্কা লেগে এমন হয়েছে,
( আমার এমন মিথ্যা কথার জন্য যে রিমন আবার বন্দী হয়ে যাবে জানা ছিলো না )
তখন সবাই বলতে লাগলো ওরে আর ছাড়া যাবে না, দরকার হয় এইবার শি*কল দিয়ে বেধে রাখবো, এটা শুনে আমার অনেক খারাপ লাগছে রিমন তো সুস্থ তাইলে তারা কেন এমন করে, কারে বললে এর সমাধান পাবো, কেউ আগ্রহ দেখায় না,
রাতে যখন খাবার দিতে গেছি উপরে তখন রিমনের কোন সাড়া শব্দ পাইনি, আমি ডাক দিতে পারিনি কারণ বাড়িতে সবাই আছে, তাই হাত বাড়িয়ে দিলাম জানালা দিয়ে অনেক সময় ধরে দাঁড়িয়ে আছি হাত বাড়িয়ে দিয়ে তার পর ও কোন সাড়া শব্দ পাইনি, আমি নিচে চলে আসলাম, সে দিন আর পড়া হয়নি, শুধু ভাবতে লাগালাম কইতে কি হয়ে গেলো,
ভাবছি একটু পর আবার যাবো উপরে সবাই ঘুমিয়ে গেলে,
অপেক্ষা করতে থাকলাম কখন সবাই ঘুমাবে,
বার বার বাহিরে গিয়ে দেখি কোন রুমের দরজা খুলা নাকি,
যখন দেখলাম সব রুমে দরজা লাগিয়ে দিছে সেই সুযোগে আমি উপরে গিয়ে রিমনের রুমের দরজা খুলে রুমে ঢুকে গিয়ে দরজা আবার তালা লাগিয়ে দিলাম,
আমার উপস্থিতি টের পেয়ে রিমন খাটের এক কোনায় চলে গেছে, আমি ওরে কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম খেয়েছে কি না,সে কোন কথা বলে না এতো দিন হলো তার তেমন কোন কথা আমি শুনতে ও পাইনি, আমি যতো ওর কাছে যাই সে ততো খাটের এক কোনায় চলে যায়, আমি বুঝতে পারছি সে আমাকে ভয় পাচ্ছে আমি ওরে বললাম ভয় পাবেন না, তখন সে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে কান্না শুরু করে দিলো ওর চোখ গুলো একেবারে লাল ছিলো, ওর কান্না দেখে আমি যখন মাথায় হাত দিলাম তখন বুঝতে পারলাম ওর শরিলে জ্ব,র, আর জ্ব,র এতো বেশি ছিলো যে রিমন যেখানে শুয়ে ছিলো বিছানা সহ গ,রম হয়ে গেছে,
এই অবস্থায় থাকলে সে অ,জ্ঞান হয়ে যাবে, আমি ওরে বললাম আপনি শুয়ে থাকেন, কিন্তু সে শুয় না,যখন আমি ওর খাট থেকে নেমে গেছি তখন সে তার জায়গায় শুয়ে পরছে, আমি এখন কি করবো,ওনার জ্ব,র না কমালে তো সমস্যা, আর মাথায় তো পানি দেওয়া যাবে না, যে পরিমান জ্ব,র উঠলো কাঁপা-কাঁপি শুরু করলো, আমি নিচে গিয়ে আমার রুম থেকে কাঁ,থা আর জ্ব,রের ঔষধ নিয়ে আসলাম,
রাতে যে খাবার দিছি সেটা খায়নি আমি রিমন কে বললাম উঠে বসার জন্য,
সে উঠে বসলো, এমনি তে আমি যা বলি সব শুনে, নিজের হাতে খাবার খাওয়াই দিয়ে ঔষধ খাওালাম, এখন শুয়ে থাকার জন্য বললাম সাথে সাথে শুয়ে পরছে,
আমি দাঁড়িয়ে আছি, ভাবছি কি করবো এখনে বসে থাকলে ঘুম হবেনা সকালে স্কুলে যেতে হবে, আমি রিমন কে বললাম এখন আমি চলে যাই, সে মাথা নাড়িয়ে যেতে বললো,
আমি চলে আসলাম নিচে, সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়েছে তারা তারি নাস্তা রেডি করে স্কুলে চলে আসলাম,
ক্লাসে মনোযোগ নাই সকালে রিমনের খুঁজে না নিয়ে চলে আসলাম, তাই খারাপ লাগছে,
চলবে......
সবাই গঠনমূলক আলোচনা করবেন
