#স্ত্রীর_পরকীয়া 🌷🌼🍀

😄😅😭😭😭😭😭😭

#পর্ব_০৬+শেষ পর্ব 

.♥🏝🏘🌦🌧☁🌧🌦🌦🌥🌦🌦🌦🌦🌦🌧

আমার স্ত্রী সাব্বিরের এই পরিণতি দেখে, সেই ব্যাগের মতো

জোরে জোরে চিল্লাতে লাগলো এবং লাফাতে লাগলো,,,, হঠাৎ করে লক্ষ্য করে দেখি সাব্বিরের ঠোঁটে

এখনো আমার স্ত্রী লিপস্টিক লেগে আছে,,,আমি ধারালো ছুরিটা দিয়ে সাব্বিরের দুইটা ঠোঁট

কেটে ফেললাম,,,সাব্বিরের প্রাণ যায় যায় অবস্থা,,,


কিন্তু খাছা ছেড়ে প্রাণটা এখনো বের

হচ্ছে না,,,আমি ধারালো ছুরিটা সাব্বিরের কন্ঠনালী

বরাবর চালিয়ে দিলাম,,,সাথে সাথে শরিলে থাকা শেষ

রক্তবিন্দু ফিনকি দিয়ে পড়তে লাগলো,,,সাব্বির এখনো ইহকাল ত্যাগ করেনি,,,ওর বিমর্ষ বডিটা এখনো

মেঝেতে পড়ে লাফাচ্ছে,,,হয় তো ইয়াং এবং যুবক

বয়সের ছেলে দেখে এতক্ষণ পর্যন্ত বেঁচে আছে,,

গ্রাম গঞ্জে যখন হঠাৎ করে মেহমানের আগমন

ঘটে,, গ্রাম গঞ্জের বাজার থাকে অনেক

দূরে,, ফ্রিজে ও তেমন থাকে না মানুষের কাছে বা সবার বাসায়

ফ্রিজ নাই,, গৃহকর্তা কোন কিছুর উপায় না পেয়ে,,তার

পুষা পালিত লাতা মুরগি টাকে ২ ৩ জনে দাওয়া করে

ধরে,, সাথে সাথে জবহ করে উঠানে ফেলে

দেয়,, কিছুক্ষণ আগে আদার খাওয়া মুরগিটা কে যখন

সদ্য জবাই করে উঠানে ফেলে দেই তখন মুরগিটা

অনেকক্ষণ পর্যন্ত থাপড়াতে থাকে,,,কারন ২ মিনিট

আগে ও মুরগীটা জীবিত ছিল,,,সাব্বির ও কিছুক্ষণ

আগে আমার স্ত্রীকে নিয়ে বিছানায় আনন্দ

খেলায় মেতেছিল,,,আর ২ মিনিট পর সেই মুরগীর করে মত জবাই করে দিলাম,,, তাই অনেকক্ষণ পর্যন্ত

লাফাচ্ছে,,, সাব্বিরের সেই বীভৎস দেহর লাফালাফি

দেখে সাব্বিরের বুকে ছুরিটা পুতে জুড়ে এক টান

দিয়ে নাভি পর্যন্ত নিয়ে আসলাম,,, ওর শরীরের ভিতরের প্রতিটি অঙ্গ প্রথঙ্গ দেখা যাচ্ছে,,,


কিছুক্ষনের ভিতর সাব্বিরে ভিতরে পোষা পাখিটা এই সুন্দর দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে,পরকালে পাড়ি

জমিয়েছেন,,,

প্রিয় পাঠক পাঠিকারা আমার সাথে পড়ুন,,

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন

সাব্বিরের টুকরো টুকরো বডিটা একটা বস্তার ভিতর ভরলাম,,

তার পর ধারালো ছুরিটা হাতে নিয়ে আমার স্ত্রীর সামনে দাঁড়ালাম,,আমার স্ত্রী আমার চেহেরা

বীভৎস অবস্থা দেখে,,,১ মিনিটের জন্য ভূমিকম্প আসলে যেভাবে বড় বড় দালান গুলো কাপ্তে

থাকে মানুষগুলো স্টেট হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে

পারে না,,আমার স্ত্রী ও সেই ভূমিকম্পে কাপন

তোলা বিল্ডিং এর মত কাপতে লাগলো, এবং আমার পায়ে এসে লুটিয়ে পড়লো আর জোরে জোরে চিৎকার করে বলতে লাগল আমাকে ক্ষমা

করে দাও, আমি জীবনে আর এরকম করবো না,,

আমি তার প্রতি উত্তরে বললাম তোর জীবন

থাকলে তো,,আর এরকম করবি কেমনে,আজকে এই যে তোর জীবনের শেষ দিন,,,

আমার স্ত্রী বলতে লাগলো আমি তোমার পায়ে ধরে শপথ করে বলছি, আর কখনো কোন পর পুরুষের দিকে তাকাবো না,,, আমাকে একটিবারের

জন্য ক্ষমা করে দাও,,,

.☔☔☔⚡⚡☔☔☔☔☔☔☔☔☔☔☔

️ #বিঃদ্র গল্প পড়ে দেখি সবাই কেটে পরেন,ব্যাপার কি বলেনতো?প্লিজ কেউ কেটে পরবেন না,আপনানাদের মতামত আমাকে উৎসাহ দেয় পরবর্তী পর্ব দেওয়ার। আর সব সময় কিছু গঠনমূলক কথা লিখে কমেন্ট করলে খুশি লাগে।

ধন্যবাদ ইতিঃ #রাজু-আবীর)

.🌩🌨🌨🌩🌩☔🌂🌈🌫🌪🌪🌪🌩🌨🌨🌩

তোকে ক্ষমা করার প্রশ্নই আসে না,, অসম্ভব,, তোর মতো বিশ্বাসঘাতক কে ক্ষমা করব আমি,,, যে

পরকীয়ার জন্য নিজের সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকি দিতে পারে,,,

আমাকে শুধু একটা বার সুযোগ দাও,,, আমি আজীবন তোমার পায়ের কাছে পড়ে থাকবো,,


তোকে কিভাবে সুযোগ দেই বল,,তোকে

সুযোগে দিলে,, তুই সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমাকে এবং আমার ছেলেকে শেষ করে পালিয়ে যেতি,,তোকে কোন সুযোগ দেওয়া যাবে না,,,


যে মহিলা পরকীয়ার জন্য নিজের পেঠের

সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকি দিতে পারে,,সে মহিলার কাছে স্বামী তো কিছু না,তুই পরকিয়ার জন্য আমাকেও মেরে ফেলার চেষ্টা করতি,,,আমি ভুল করে ফেলেছি,,,আমার জীবনটা ভিক্ষা

দাও,, আমি আল্লাহ্ এর নামে শপথ করে বলছি আমি ভালো হয়ে যাব,,


ছিহঃতোর ঐ পাপি মুখে আল্লাহ্ এর নাম নিবিনা,,,তুই ভুল

করলে তোকে ক্ষমা করে দিতাম,, কিন্তু তুই আমার

সাথে বিশ্বাসঘাতকতা কথা করেছিস,,, করছিস ভালবাসার

নামে বেঈমানি,, আর বেঈমানের শাস্তি হলো

মৃত্যু,,, খুব ভয়ানক মৃত্যু,,,,,

মাহা মনীষী চার্নক্য বলেছিলেন,, ক্ষমা তাকে করো যে ভুল করেছে,,, কিন্তু তাকে কখনো ক্ষমা করো না,, যে তোমার সাথে বেঈমানি করেছে,,,


তুই আমার সাথে বেইমানি করেছিস,,,আর তোর

বেইমানির শাস্তি হলো মৃত্যু , খুব কঠিন যন্ত্রণা দিয়ে মৃত্যু হবে তোর,, তুই তো জাহান্নামি,,এখন

এই মুহূর্তে তুই মারা গেলে আল্লাহ্ তায়ালা তোকে

হাবিয়া দোজখের নিক্ষেপ করবে,,, আল্লাহ্ তায়ালার বানানো ৭ দোজখের মধ্যে সব চেয়ে কঠিন এবং

ভয়ানক আজব হলো হাবিয়া দোজখ,,,,আল্লাহ্ তায়ালা

পবিত্র কুরআনে লজ্জাস্থান হেফাজত কারী মহিলা

কে জান্নাতি বলে ঘোষণা করেছেন,,

(((সুরা মুমিন ৫)))

অন্য আয়াতে যিনাকারি মহিলা এবং যেনার পরিবেশ সৃষ্টিকারিনী মহিলা সম্পর্কে কঠিন আজাব ও শাস্তির কথা

ঘোষণা করেছেন,

((সূরা নূর: ২))))


তোর কপাল ভালো এতক্ষণ পর্যন্ত তুই দুনিয়াতে নিঃশ্বাস নিচ্ছিস,,, আজরাইল হয়তো কোন কারণে

ব্যস্ত ছিল,,,কিন্ত এই মুহূর্তে আজরাইল তোর সামনে এসে হাজির হবে,,আর তোর মত পাপিষ্ট যেনাকারির রুহটা অনেক যন্ত্রণা দিয়ে বের

করবেন,,, মৃত্যুর যন্ত্রণা যে কতো কঠিন এখন তুই উপলব্ধি করতে পারবি,,,,

🌅🌄🎨🛤🕧🕐🌦🌧

মৃত্যুর যন্ত্রণার একটা ব্যাখ্যা

করি তোকে,,হয়রত ঈসা (আঃ)একদি রাস্তা দিয়ে

হেঁটে যাচ্ছেন,,,দেখলেন রাস্তার পাশে অনেক পুরনো একটা কবর,,,উনি কবরের পাশে দাঁড়ালেন এবং

বললো

(((কুম বিসনিল্লাহ,, আল্লাহ্ এর হুকুমে কবর থেকে উঠো) এমনি কবর থেকে একজন মানুষ উঠলো,,

হয়রত ঈসা (আঃ) জিজ্ঞাসা করলেন,(( ও মা আনতা ওমা ইছমোকা,))

তোমার নাম কি,, তোমার পরিচয়

কি,,,কবর থেকে উঠা ব্যক্তি জবাব দিলো,,আমার নাম

ছাম,,,আমি দাউদ (আঃ)ছেলে! দাউদ (আঃ) এর ছেলে ছাম,

(( আঃ))ও একজন নবী,, মানে কবর থেকে উঠা

ব্যক্তিটা ও একজন নবী

ঈসা (আঃ)বললেন আপনি তো আল্লাহ্ এর একজন নবী,,

ছাম (আঃ)বললেন হ্যা

ঈসা( আঃ)আবার ও বললেন,,আপনি কি কবরে যে অবস্থায় শুয়ে ছিলেন,, ঐ অবস্থায় শুয়ে থাকতে চান,

নাকি আবারও দুনিয়ায় আসতে চান,, যদি দুনিয়াতে আসতে চান,,তাহলে আমি আল্লাহ্ এর দরবারে ফুরিয়াত

করবো,,আল্লাহ যেন আপনাকে আবার দুনিয়ায়তে পাঠাই,,,


হয়রত ছাম (আঃ)বললেন আমি যদি আবার ও দুনিয়ায় আসি,,আজরাইল কি আবার ও আমার জান কবজ করবে,,,

হয়রত ঈসা( আঃ) বললেন,,আপনি আল্লাহ্ এর একজন পয়গম্বর আপনি আজরাইলকে এতো ভয় পান কেন,,

হয়রত ছাম( আঃ)বললেন হে নবি ঈসা আপনার সাথে

তো এখনো আজরাইলের দেখা হয় নাই,, আপনি কি

বুঝবেন,,আজ থেকে সারে হাজার বছর আগে আমি

ছাম মৃত্যু বরণ করেছি আজও পর্যন্ত মরনের কষ্ট ভুলতে পারি নাই,,

🗾⛲⛲⛲

কয়েক হাজার বিষাক্ত কাঁটা,আমার

পেটের ভেতরে ঢুকিয়ে,, সমস্ত রগের মধ্যে এবং নাড়িভুঁড়ির মধ্যে পেচিয়ে কয়েক হাজার লোকের জোড়ে এক টান মারলে যতটুকু কষ্ট

অনুভব করতে পারবো,,আমি ছাম তার চেয়ে নয় গুন বেশি কষ্ট অনুভব করছি,,,,দুনিয়াতে যত নবী রাসুল এসেছে সবাই নিষ্পাপ তাদের কোন গোনাহ নাই,, একজন নবী হয়ে যদি

এতটুকু মৃত্যুর যন্ত্রনা অনুভব করতে পারে,,,তাহলে তোর মত পাপিষ্ট জিনা কারিনী,,যে স্বামীর হক নষ্ট করে,,, স্বামীর অগোচরে পর পুরুষ কে বিছানায় এনে অশ্লীল খেলায় মেতে ওঠে,,,তোর কতটুকু মৃত্যুর যন্ত্রনা হবে ভেবে দেখ তুই,,,


আমার স্ত্রী আমার কথা শুনে আমার দু পা জড়িয়ে

ধরে জোরে জোরে চিৎকার করতে লাগলো

আর বলতে লাগলো,, আমাকে একটা বার ক্ষমা করে

দাও,,,আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার একটা সুযোগ দাও,,

তোকে কোন ক্ষমা করা যাবে না আল্লাহ্ এর কাছে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিস,,,কথা বলে আমি ধারালো

ছুরিটা দিয়ে আমার স্ত্রী শরীরের জোড়ে একটা টান

দিলাম,,,সাথে সাথে আমার স্ত্রী ব্যথায় কুঁকড়িয়ে উঠলো,,,,আমি ধারালো ছুরিটা দিয়ে আবার ও।।।

আগামি পর্বে শেষ হবে,কেমন হচ্ছে মতামত দিবেন।

.

🌧🌧🏖🏕🗻🌋🌋🏠🏦🏥🏚🏤🏙🏘🏢🏢🏘

.

#চলবে_কি??

.

.

#বিঃদ্রঃ ভুলক্রুটি ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আর ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট করে সাথে থাকবেন। আপনাদের লাইক কমেন্ট দেখলে মনে হয় গল্পটা আপনাদের ভালো লেগেছে এবং আপনারা গল্পটা পড়েছেন,আর তাতে করে আমার ও পরবর্তী পর্বটা দেওয়ার আগ্রহ বেড়ে যায়।


#স্ত্রীর_পরকীয়া💗💖💖💕💓

💚💙💙💌💞💝💛💜💝💞

#পর্ব_০৭_এবং_শেষ_পর্ব

.💜💟💌💔💋❤💔💕💖💙

আমার স্ত্রী আমার কথা শুনে আমার দু পা জড়িয়ে

ধরে জোরে জোরে চিৎকার করতে লাগলো আর বলতে লাগলো,, আমাকে একটা বার ক্ষমা করে দাও,,,আল্লাহ্'র কাছে ক্ষমা চাওয়ার একটা সুযোগ দাও,,


তোকে কোন ক্ষমা করা যাবে না আল্লাহ্'র কাছে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিস,,,কথাটা বলে আমি ধারালো

ছুরিটা দিয়ে আমার স্ত্রী শরীরের জোড়ে একটা টান

দিলাম,,,সাথে সাথে আমার স্ত্রী ব্যথায় কুঁকড়িয়ে

উঠলো,,আর জোরে জোরে চিল্লাতে

লাগলো,,আমাকে ক্ষমা করে দাও,,,একটা বারের

জন্য ক্ষমা করে দাও,,আমি জীবনে আর এরকম

করবো না,,,

আমি আমার স্ত্রীর কোন আকুতি-মিনতি শুনছি না

মরণের নিশা আমাকে চেপে ধরেছে,,, আমি ধারালো ছুরি টা দিয়ে আরেকটা পোছ দিব,,এমন সসময় আমার

স্ত্রী হাত দিয়ে ছুরিটা ধরে ফেললো,,,হাত থেকে টপ টপ করে রক্ত পরছে,,,আমি ছুরিটা টান

দিয়ে এনে,,এক কুপে আমার স্ত্রীর দেহ

থেকে হাতটা বিচ্ছিন্ন করে ফেললাম,, আমার স্ত্রী মেঝেতে পরে গিয়েছে,,এক হাত দিয়ে আমার

একটা পা জরিয়ে ধরে আছে,,,আর বলছে আমাকে

তুমি একটা বার সুযোগ দাও,,,আমি আমার স্ত্রীর কোন কথায় শুনছি না, একটা পা হেছকা টান দিয়ে এনে দেহ

থেকে পা টা আলেদা করে ফেললাম,,,

আবার আমার স্ত্রী আকুতি মিনতি সুরে বলতে

লাগলো,,তুমি আমাকে একটা বার সুযোগ দিয়ে দেখ,,,আমি আল্লাহ্'র কসম করে বলছি আমি ভাল হয়ে

যাবো,,,তুমি আমার একটা হাত একটা পা কেটেফেলেছো,,,আমার বাকি একটা হাত একটা পা দিয়ে সারা জীবন তোমার সেবা করবো,,,তোমার পায়ের কাছে পতে থাকবো,,,তিন বেলার চেয়ে এক বেলা খাবার দিও,,,,


তোকে যদি আমি ছেড়ে দেই,, তুই আমার সামনে

আমার ছেলের সামনে মুখ দেখাবি কি ভাবে,,,আমার বাকিটা জীবন বোরকা পরে গোপন ঘরে

বন্দি হয়ে থাকবো,, আর আল্লাহ্'র কাছে ক্ষমা

চাইবো আমার পাপের জন্য,,

আমার স্ত্রীর বাঁচার জন্য আকুতি মিনুতি দেখে আমার

একটু করুনা হলো,,,কারন এই ৬ বছরের সংসারের

জীবনে তাকে অনেকটা ভালবেসে ফেলেছি,,,

হঠাৎ করে মুয়াজ্জিনের আল্লাহু আকবর আযানের

ধ্বনি আমার কানে এসে লাগলো,,, প্রকৃতির পরিবেশ

তখন নীরব,,, বাহিরে তখন অজর ধারায় বৃষ্টি নাই, টিপ

টিপ করে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পড়ছে,,, সেই সাথে ঠান্ডা

বাতাসে পরিবেশটাকে শান্ত করে তুলছে,,,জানালার

পর্দার ফাক দিয়ে ঠান্ডা বাতাস রুমের ভিতরে প্রবেশ

করছে,,সে ঠান্ডা বাতাস আমার উত্তাপ্ত গরম মাথাকে

হিম সিতল করে তলছে,,,আমি আসতে আসতে অবশ

হয়ে যাচ্ছি,,, আমার হাত থেকে ছুরিটা পরে গেল,,,,আমি আমার স্ত্রীর হাত পা বিহীন শরীরের

পাশে বসে কান্না করে বলতে লাগলাম,,তুই কেন

এমনটা করলি,কিসের অভাব ছিলো আমার,,,তোর যদি কাউকে ভাল লাগতো,,তাহলে আমাকে বলতি,,,আমি

তোকে ওর হাতে তুলে দিতাম,,,কিন্তু তুই কেন

নোংরা খেলায় মেতে উঠলো,,

আমার স্ত্রীর কথা বলার কোন শক্তি নাই, রক্ত দিয়ে

আমার মেজো ভেসে যাচ্ছে,,আমি তারাতারি ওকে

গাড়িতে তুলে হসপিটাল নিয়ে গেলাম, ওর

ট্রিটমেন্টের সব টাকা দিয়ে আমি গ্রামের বাড়িতে

চলে আসলাম,,,

এর পর একটানা ৬টা মাস অধিবাহিত হয়ে গিয়েছে,,,প্রথম

একটা মাস আমার ছেলে ওর আম্মুর জন্য কেদে

কেদে খানা পানাহা ছেড়ে দিয়েছে,,, সারাক্ষণ শুধু

আম্মু আম্মু বলে ডাকে,,,আমার ছেলেটার মধ্যে সেই আগের চঞ্চলতা নেই,, অনেকটা শুকিয়ে

গিয়েছে,,, আস্তে আস্তে,

ওর মার কথা ভুলিয়ে ওকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা

করেছি,,,এখনো মধ্যে রাতে আম্মু বলে চিৎকার

দিয়ে উঠে,,,

আব্বু আম্মু আমাকে অনেক বুঝিয়েছে,,আরেক টা

বিয়ে করার জন্য,,,কিন্ত না আমি আর কোন মেয়েকে বিশ্বাস করি না,,আমার ছেলেকে নিয়ে

আমি অনেক ভাল আছি,,

আজ আমার ছেলের জন্মদিন,,,ওর ৬বছর পরিপূর্ণ

হল,,,ছেলেকে নিয়ে হেনা হামিদ প্লাজায় শপিং করতে গেলাম শপিং করা শেষ করে গাড়ির কাছে

আসা মাত্রই আমার ফোনটা বাজতে লাগলো ফোন

রিসিভ করে দেখি আমার এক বন্ধু,,

আমার ছেলে আমার বা হাতটা ধরে দাড়িয়ে আছে,,,

.

#বিঃদ্র গল্প পড়ে দেখি সবাই কেটে পরেন,ব্যাপার কি বলেনতো?প্লিজ কেউ কেটে পরবেন না,আপনানাদের মতামত আমাকে উৎসাহ দেয় পরবর্তী পর্ব দেওয়ার। আর সব সময় কিছু গঠনমূলক কথা লিখে কমেন্ট করলে খুশি লাগে।

ধন্যবাদ ইতিঃ (#রাজু-আবীর)গল্পের মাঝে বিরক্ত করার জন্য দুঃক্ষিত।

.

বন্ধুর সাথে কথা বলতে বলতে খেয়ালই নেই কখন

ছেলে হাত ছেড়ে দিয়েছে,,,ছেলের কথা

খেয়াল আসতেই,,ফোন রেখে দিয়ে,

ছেলেকে খুঁজতে লাগলাম,,,

হঠাৎ খেয়াল করে দেখি রাস্তার মোড়ে একজন

মহিলা আমার ছেলেকে জড়িয়ে ধরে কপালে

নাকে গালে চুমু দিচ্ছে আর অজর নয়নে কান্না

করছে,,,আমার ছেলেও মহিলাটিকে জরিয়ে ধরে

কান্না করছে,,,

আমি মহিলাটির কাছে গিয়ে বললাম,,,কি করছেন

ছাড়োন আমার ছেলেকে,, আমি ছেলেকে

ধরে টেনে নিয়ে আসতে চাইলাম,,,

কিন্তু আমার ছেলে এবং মহিলা কেউ কাউকে

ছাড়ছেনা,,,মহিলা বলতে লাগলো,, প্লিজ আমার

ছেলেকে নিয়েন না,,,আমি মহিলার কন্ঠ সুর শুনে

থমকে দাঁড়ালাম,,, কন্ঠটা খুব পরিচিত লাগছে এই কন্ঠের

সাথে যেন আমার কোথায় পরিচিত,,,

আমি মহিলাটির কাছে গিয়ে দাঁড়ালাম সাথে সাথে মহিলা

আমার পায়ে পড়ে গেল এবং বলতে লাগল প্লিজ

আমার ছেলেকে নিয়েন না,,,

আমি মহিলাকে বললাম আপনার ছেলে মানে,,,মহিলা

আমার দিকে মাথা তুলে তাকালো,,,কিন্তু মহিলার মুখে

পর্দার কারনে চিনতে পারছিনা,,,মাথা থেকে পা অব্দি কালো বোরকা দিয়ে ডাকা,,,

মহিলা এবার মুখের পর্দাটা সড়ালো,,,আমি মহিলার দিকে

তাকিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে আশ্চর্যজনক জিনিস টা

মনে হয় দেখলাম এ যে আমার স্ত্রী যাকে এখন

অব্দি ডিভোর্স দেওয়া হয়নি,,,আমার স্ত্রী তার এক

হাত দিয়ে আমার পায়ে ধরে বলতে লাগলো,,

আমাকে ক্ষমা করে দেন, আমি জানি আমি ক্ষমার

যোগ্য না,,,

আমি আপনার সাথে অনেক বড় অন্যায় করেছি,,, কিন্তু

আপনি মাফ না করলে যে আল্লাহহ্তালা আমাকে মাফ

করবেন না,,, জানেন এখন আমি কোন পুরুষের

দিকে তাকায় না,, খুব ভয় পাই,,, আল্লাহ্' দরবারে সারাক্ষণ

কাদি আমার ব্যভিচারের জন্য,,, আমার পাপের জন্য,,,

জানি না আল্লাহ তায়ালা আমাকে ক্ষমা করবে কিনা?

কোনদিন,,, আমি আপনার পায়ে ধরে বলছি,,আমার

ছেলেটাকে ৫ মিনিটের জন্য আমার কাছে

দেন,,আমি কখনো আমার ছেলেকে মন ভরে

আদর করতে পারিনি...একথা বলে জোরে জোরে কান্না করতে লাগলো?

আমি আর কোন কথা বললাম ,,ওখান থেকে একটু

দুরে চলে আসলাম,,,আমি বুঝতে পারছি আমার চোখ

দিয়ে পানি পড়ছে,, হায়রে মানুষ স্বামী সন্তান

টাকাপয়সা বাড়ি গাড়ি সবই ছিল রানীর মত জীবন

পেয়েছিল,,, আজ সে রাস্তার মোড়ে হুইল

চেয়ারে বসে ভিক্ষা করে তার কৃতকর্মের জন্য,,,

ছেলের দিকে তাকিয়ে দেখি,,তার মাকে জরিয়ে

ধরে কান্না করছে,,,তার মা ও বুকের সাথে জরিয়ে

ধরে কান্না করছে,,,

আমি ৪_ ৫ মিনিট পর আমি আমার ছেলেকে টেনে

আনার চেষ্টা করলাম,,,কিন্তু কেউ কাউকে

ছাড়ছেনা,,আমি একটু জোর করেই ছেলেকে

টেনে নিয়ে যাচ্ছি,, কিন্তু ছেলে জোরে

জোরে চিৎকার করতে লাগলো,,,বলতে

লাগলো,,আমি আম্মুর কাছে যাবো,,আমাকে

ছেড়ে দাও আমি আম্মুর কাছে যাবো,,,ঐ দি্কে

মহিলা ও চিৎকার করছে,, প্লিজ আমার ছেলেকে

নিয়ে যায়েনা না,,,

আমি কোন কথায় শুনলাম না,,,ছেলেকে নিয়ে বাসায়

চলে আসলাম,,,বাসায় আসার পর থেকে ছেলের

চিৎকারের মাত্রা আরো বেড়ে গেল,,, ছোট্ট

বাচ্চা চিৎকার করতে করতে কয়েকবার জ্ঞান হারিয়ে

ফেলেছে,,,

আব্বু আম্মু বলতে লাগলো,,বাবা যে অন্যায় করে

নিজের ভুল বুঝতে পারে,, তাকে ক্ষমা করে

দেওয়া উচিত,,, ক্ষমা করা হলো মহৎ কাজ,,,,,ক্ষমাকারী ব্যক্তি কে আল্লাহ্ তাআলার অনেক পছন্দ

করেন,,, তুই বৌমাকে নিয়ে আয়,,

তার কৃতকর্মের শাস্তি সে পেয়ে গেছে, তোর

সন্তানের দিকে তাকিয়ে ওকে নিয়ে আয়,,,

বাবা মা আর সন্তানের দিকে তাকিয়ে,,ওকে খুঁজে

নিয়ে আসলাম,,,

তার পর ৬টা মাস চলে গেল,,,আমার স্ত্রী মনে হয়

এই ছয়টা মাস বিছানায় পিঠ লাগাই নাই সারাক্ষণ জায়নামাজে

দাঁড়িয়ে গভীর রাতে কান্নাকাটি করে তার কৃতকর্মের জন্য,তার পাপের জন্য,,, পাশের রুম থেকে আমি তার

কান্নার আওয়াজ স্পষ্ট শুনতে পাই,,এই ৬টা মাস আমি

আমার স্ত্রীর মুখ একবারে জন্য ও দেখিনি,,বা সেও আমার

সামনে আসেনি,,,

ইদানিং ওর কান্নার আওয়াজ আরো বেড়ে গেল,,,

আশে পাশের লোক পর্যন্ত গভীর রাতের ওর

কান্নার আওয়াজ শুনতে পাই,,, গভীর রজনীতে

আমার পায়ের কাছে এসে কাঁদে আমি বুঝতে পারি,

তার চোখের পানিতে আমার পা ভিজে যাচ্ছে,,,কান্না

করতে করতে অনেক সময় জ্ঞান হারিয়ে

ফেলে,,

আব্বু আম্মু আমাকে প্রতি নিয়ত বুঝাচ্ছে,,,ওর

কৃতকর্মের জন্য আল্লাহ্'র কাছে দিনরাত কান্না কাটি

করছে খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিয়েছে,,আল্লাহ তাআলা

হইত ওর আকুতি মিনুতি কান্নাকাটি দেখে ওকে মাফ

করে দিয়েছে,,,তুই ও বাবা ওকে মাফ করে দে,,,

আমি মসজিদের সব চেয়ে বড় হুজুরের কাছে

চলে গেলাম,,হুজুর বললো,,কেউ যদি তার

কৃতকর্মের জন্য তার পাপের জন্য আল্লাহ্'র কাছে

ক্ষমা চাই কান্নাকাটি করে তাহলে আল্লাহ্ তালা নিশ্চয়ই

মাফ করে দেন,,,

আল্লাহু তায়ালা বলেন হে বান্দা তোমার গোনাহ্ যদি

আকাশের মেঘমালা পর্যন্ত পৌঁছে যায়,,, আর তুমি যদি

আমার কাছে তওবা কর,, গভীর রাতে কান্নাকাটি

করো,,, আমার কাছে মাথা নত কর,,, তোমার নিজের

ভুল স্বীকার করো,,আর কখনো এরকম করবে

আমার নামে কসম করে প্রতিজ্ঞা করো,,, তাহলে

আমি আল্লাহ্ সুবহানুতায়ালা তোমার সেই পাপ

আকাশে মেঘলা মালা পর্যন্ত গুনাহ ও মাফ করে দিব।

,,,

তার পর পরিবারের সবাইকে নিয়ে বায়তুল্লাহ্

তোয়াফে চলে গেলাম,,,

কাবা শরিফের সামনে আমার স্ত্রী কান্না করতে

করতে কয়েকবার জ্ঞান হারিয়ে ফেললো,,,,

জ্ঞান ফেরার পর আবার অঝোর নয়নে কান্না

করতে থাকে আর বলতে থাকে,,,হে আল্লাহ্

আমার মত পাপি ব্যভিচারিণী আসমান এবং জমিনের

মধ্যে একটাও নাই,,,আমি অনেক বড় পাপি,,,আমি আমার

স্বামীর হক নষ্ট করেছি,,, শয়তানের ধোখাই পড়ে

ব্যভিচারে লিপ্ত হয়েছি,,,,আমি জানি আমি ক্ষমার

যোগ্য না,,,,তোমার কাছে আমি কোন মুখে ক্ষমা

চাইবো,,,তোমার কাছে যে ক্ষমা চাইতে ও যে

আমার লজ্জা করে,,,,কিন্তু তুমি ছাড়াতো আর ক্ষমা কারি

কেউ নাই,,,, তুমি যদি আমাকে তাড়িয়ে দাও আমি কার

কাছে যাব,,,তুমি ছাড়া যে আর দয়ালু কেউ নাই,,আল্লাহ্

তুমি তোমার দরবার থেকে আমাকে তারিয়ে দিয়েও না,,, আল্লাহ্ তোমার কাছে আমি পানাহা চাই, ,, তোমার

কাছে আমি ক্ষমা চাই,,,,,এভাবে কান্না করতে করতে

মিনিট পাঁচেক পরে পরে জ্ঞান হারিয়ে

ফেলে,,,,,বায়তুল্লাহ তোয়াফ শেষ করে,তাকে

নিয়ে চলে গেলাম সিঙ্গাপুর,,, পৃথিবীর সবচেয়ে

উন্নত হসপিটালে,সেই খানে নেওয়ার পর তাকে ট্রিটমেন্ট করার পর একটা আলগা পা আর একটা আলগা হাত লাগানো হয়,এখন সে আগের মত হাটতে পারে সব কিছু করতে পার আল্লাহ্‌ এর রহমতে,সংসারটা আবার ভালোবাসায় ভরে উটলো,আগের মত, রঙ্গের এই দুই দিনের দুনিয়ায় এসে,,,, রংতামাশার খেলায় তুমি

গেছো মিশে, পাপ পর্নে ভরা জীবন

তোমার,,, করেছো যিনা-ব্যভিচার, আরো করেছো সকল পাপের শোমিচার,,,সময় থাকতে

ডাকো মাওলাকে,,,আজরাইল আসি বার আগে,,আর না

হয় সময় পাবে না তুমি, মওলাকে ডাকি বার,,

.

.

-------#সমাপ্ত-------

.

.

.

.

#বিঃদ্রঃ ভুলক্রুটি ক্ষমা ও সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আর ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট করে সাথে থাকবেন। আপনাদের লাইক কমেন্ট দেখলে মনে হয় গল্পটা আপনাদের ভালো লেগেছে এবং আপনারা গল্পটা পড়েছেন,আর তাতে করে আমার ও নিত্য নতুন গল্প দেওয়ার আগ্রহ বেড়ে যায়।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url