#চাবিহীন_বর ২
“ভ্যালেরিয়া প্রেগন্যান্ট, সোফিয়া…” — মরিসিও এমনভাবে বলছিল যেন এটা কোনো জাদুর তাস।
“খুব ভালো খবর,” আমি শান্ত গলায় বলেছিলাম। “তাহলে তুমি এখন সত্যিকারের পুরুষ, তাই না? অভিনন্দন। এবার তোমার পকেটে যা আছে তা দিয়ে তোমার পরিবার চালাও।”
আমি ফোন কেটে দিলাম।
ফোনটা নামানোর পরই বুঝলাম — তারা আমাকে কখনো ভালোবাসেনি। তারা আমাকে ব্যবহার করেছে। আমি ছিলাম একটা হাঁটতে-চলা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। যে মানুষটা সবসময় মনে করত আমার জীবন তার নিয়ন্ত্রণে, সেই মানুষটাই প্রথমবারের মতো ছোট হয়ে গেছে।
আমি হোটেলে থাকিনি। এমন একটা জায়গায় চলে গেলাম যেখানে কেউ আমাকে চিনবে না, কেউ আমার অতীত জানবে না।
সকালে কফির স্বাদও বুঝিনি — একের পর এক ফোন করছিলাম।
আমার আইনজীবীকে বললাম ডিভোর্সের কাগজপত্র প্রস্তুত করতে, আমার সব সম্পদ সুরক্ষিত করতে এবং আমার টাকা ও কাগজপত্র অপব্যবহারের জন্য আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করতে।
কোম্পানির এইচআর-এ ফোন করে ভ্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে ইমিডিয়েট ইন্টারনাল অডিট শুরু করতে বললাম। আমার নামে সে যে চুক্তিগুলো সাইন করেছে, যেসব অ্যাক্সেস ব্যবহার করেছে — সবকিছু তদন্ত হবে।
এরপর লিডিয়া ফোন করল।
তার কণ্ঠে আগের মতোই বিষ —
“তুমি আমাদের পরিবার ধ্বংস করে দিচ্ছ।”
আমি ধীরে বললাম —
“আপনারা আমাকে শুধু একটা জিনিস শিখিয়েছেন — কোন ধরনের ভালোবাসা আমি জীবনে আর কখনো গ্রহণ করব না।”
আমি ফোন কেটে দিলাম।
দুই দিন পর একটা অচেনা নাম্বার থেকে মেসেজ এলো —
“সোফিয়া, প্লিজ… আমি কিছু জানতাম না… মরিসিও আমাকে অন্য কথা বলেছিল…”
আমরা পোলাঙ্কোর একটা নিরিবিলি ক্যাফেতে দেখা করলাম।
ভ্যালেরিয়া ঢোকার সময়ই বুঝলাম সে ভেঙে পড়েছে। চোখের নিচে কালো দাগ, মুখে ক্লান্তি, কণ্ঠে ভয়ের ছাপ।
সে বসেই বলল —
“সে বলেছিল তোমাদের ডিভোর্স হয়ে গেছে… সে বলেছিল সবকিছু তার…”
আমি চুপ করে তার দিকে তাকিয়ে ছিলাম।
কারণ তখনই বুঝলাম — এই খেলাটার আসল মাথা ভ্যালেরিয়া না। সেও ব্যবহার হয়েছে।
আমি ধীরে বললাম —
“তুমি ভুল মানুষের ওপর ভরসা করেছো। কিন্তু আমি তোমার শত্রু না। আমরা দুজনই তার শিকার।”
সে অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইল।
...!
অনেকে এই গল্পের দ্বিতীয় পর্ব অন্যান্য পেজ থেকে পড়েছেন, ওইগুলো সব ফেক, ওইগুলো ai দিয়ে লেখা ছিল।
